Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ৪ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০৭-২০১৯

বরগুনার পর এবার মাগুরায় প্রকাশ্যে ক্রিকেটারকে হত্যা

বরগুনার পর এবার মাগুরায় প্রকাশ্যে ক্রিকেটারকে হত্যা

মাগুরা, ৭ জুলাই- বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যার নতুন একটি ভিডিও নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফুটেজে দেখা গেছে- হামলার শুরুতে রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি স্বাভাবিকভাবে হেঁটে যাচ্ছেন।

ভিডিওটি ৯ মিনিট ৩ সেকেন্ডের। ভিডিও ফুটেজটির ৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে দেখা গেছে, নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজীরা রিফাতকে মারধর করতে করতে বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে বের হচ্ছে। এদের মধ্যে একজন পেছন থেকে রিফাতকে ধরে রেখেছে। বাকি দুজন দুইহাত ধরেছে। ৫ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডে ফুটেজে মিন্নিকে দেখা যায়, তার বাম হাতে একটি পার্স ছিল। সে পার্স হাতে স্বাভাবিকভাবে হাঁটছিল।

রিফাত হত্যার নতুন এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার রেশ কাটতে না কাটেতেই মাগুরায় রোববার (০৮ জুলাই) দুপুরে প্রকাশ্যে লিসান (১৮) নামে এক তরুণ ক্রিকেটারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় লিসানের বন্ধু দিপু গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিহত লিসান আঠারোখাদা ইউনিয়নের মঠবাড়ি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি সরকারি হোসেন শহীদ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কলেজ শেষে মোটরসাইকেলে ৩ বন্ধুকে নিয়ে ঘুরতে বের হয় লিসান। তারা বাটিকাডাঙ্গা এলাকার শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছলে ওই গ্রামের টিপু মিয়ার ছেলে সোহেল তাদের মটর সাইকেল থামিয়ে বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে বন্ধু দিপুও গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার পরপর তাদের মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। লিসানের ওপর হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশ বা এলাকাবাসি সঠিক কোন ধারণা দিতে পারেনি। তবে হামলাকারি সোহেল ও তার পরিবারের সঙ্গে অপরাধ জগতের সংশ্লিষ্টতার অনেক তথ্য জানা গেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোহেলের বাবা টিপু এবং চাচা লিপু অতীতে যশোরে বসবাস করতেন। সেখানে বিভিন্ন অপরাধ কর্মের সঙ্গে তারা জড়িয়ে পড়েন। যে কারণে বছর পনের আগে তারা সেখান থেকে লুকিয়ে মাগুরা চলে আসেন। বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছিলেন শিবরাপুর গ্রামেই। কিন্তু এখানেও পরিবারটি নানা বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। প্রায়ই বিভিন্ন থানা থেকে পুলিশ তাদের পরিবারের কাউকে না কাউকে আটক করে নিয়ে যায় বলে দেখা যায়।

এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপর পুলিশের সবকটি ইউনিটকে একটিভ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে জড়িত অপরাধীকে আটক করতে শহর থেকে বেরিয়ে যাবার প্রতিটি পয়েন্ট সিল করে দেয়া হয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই তাকে আটক করা সম্ভব হবে।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ

আর/০৮:১৪/০৭ জুলাই

মাগুরা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে