Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ , ৩ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০৬-২০১৯

নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস: স্পিকার

নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস: স্পিকার

ঢাকা, ৬ জুলাই - মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার ইতিহাসকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারা সঠিক ইতিহাস জানলেই মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপস্থিতিতে যুগ যুগ ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং স্বাধীনতার ইতিহাসের ধারণ ও লালন করে গৌরবময় স্বাধীনতাকে সমুজ্জ্বল রাখতে পারবে।

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বাধীন বাংলা মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় ফাউন্ডেশন আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার, শিল্পী ও গুণিজনদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খান এমপি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মিঞা মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) কে এম শফিউল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ খান, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, অধ্যাপক ড. ইনামুল হক, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব এ বি এম সুলতান আহমেদ।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, মুক্তিযোদ্ধারাই এ জাতির সূর্যসন্তান। আর স্বাধীনতা আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ এক এবং অবিচ্ছেদ্য। দীর্ঘ ২৩ বছর অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে বারবার কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে তিনি নির্বাসিত হয়েছেন; তবুও মাথা নত করেননি। ছিনিয়ে এনেছিলেন বাংলার স্বাধীনতা। জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠাই ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন। এ সময় স্পিকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সোনার বাংলা গড়ার প্রক্রিয়ায় অবদান রাখার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে অত্যন্ত আন্তরিক। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি তারই প্রতিফলন। ভবিষ্যতেও মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে যথাযথ পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা করেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন শাজাহান খান, কে এম শফিউল্লাহ, রামেন্দু মজুমদার, অধ্যাপক ড. ইনামুল হক, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল ও রায়ান বিন মুরাদ।


সূত্র : সমকাল

এন এইচ, ৬ জুলাই.

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে