Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ , ২ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০৬-২০১৯

ওবায়দুল কাদেরের বিচারে গণ আদালতে বসাবে ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’

ওবায়দুল কাদেরের বিচারে গণ আদালতে বসাবে ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’

ঢাকা, ৬ জুলাই - আওয়ামী লীগের নতুন সদস্য ও সদস্য পদ নবায়ন কার্যক্রম শুরু ঘোষণার সময় ‘যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াত পরিবারের সন্তানেরা দলে যোগ দিতে পারবে’, এমন বক্তব্য দেওয়ায় গণ আদালত বসিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিচার করার ঘোষণা দিয়েছে ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’।

আগামী ৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন চত্বরে এই আদালত স্থাপন করবেন তারা।

শনিবার (৬ জুলাই) বিকেলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক মানববন্ধনে মঞ্চের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিকেলে শাহবাগে মানববন্ধন করে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

মানববন্ধন থেকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ঘোষিত অন্যান্য কর্মসূচি হলো- ৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ, ১০-১২ জুলাই আওয়ামী লীগকে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনা’ ও ওবায়দুল কাদেরের পদত্যাগের দাবিতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি পর্যন্ত পদযাত্রা, ২০ জুলাই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন হয়ে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় পর্যন্ত পদযাত্রা, ১৫ আগস্ট সারা দেশের ইউনিয়ন-থানা-জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনুপ্রবেশকারী বিএনপি-জামায়াত ও মৌলবাদীদের তালিকা প্রকাশ, ৮ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণআদালত স্থাপন করে ওবায়দুল কাদেরের বিচার, ৩০ সেপ্টেম্বর সারা দেশে জেলা-উপজেলাওয়ারি রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ এবং ৩০ জুন রাজাকারদের বংশধরদের তালিকা প্রকাশ।

মানববন্ধনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বক্তব্য দেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াত পরিবারের সন্তানরাও আওয়ামী লীগ যোগ দিতে পারবে। আওয়ামী লীগের সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ভূমিকা প্রাধান্য পাবে। কোন পরিবারের সন্তান সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়, হোক সে জামায়াত কিংবা যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সন্তান।

পরে গত ৪ জুলাই সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলন করে ওবায়দুল কাদেরের অবসর দাবি করেন। কিন্তু সেদিনই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সাম্প্রদায়িক শক্তি ও যুদ্ধাপরাধী পরিবারের কেউ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না।


সূত্র : পূর্বপশ্চিমবিডি

এন এইচ, ৬ জুলাই.

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে