Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ , ৩ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০৪-২০১৯

নারী এসে দাবি করলেন ডিআইজি মিজানের সম্পত্তি

নারী এসে দাবি করলেন ডিআইজি মিজানের সম্পত্তি

ঢাকা, ৪ জুলাই- সাময়িক বরখাস্ত ও কারাবন্দি পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের ক্রোককৃত সম্পত্তির একটিকে নিজের দাবি করে আদালতে আবেদন করেছেন এক নারী। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন ৬০/খ, কাজীর দর্গা ধলপুরের মো. জুনায়েদ ইসলামের স্ত্রী শেফালী বেগম গতকাল বুধবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ আবেদন করেন। বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়ে আগামী ২৫ আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছেন।

দাবিকৃত ওই সম্পত্তিটি হলো-কাকরাইল মৌজার ১৪৮৫ অযুতাংশ জমির ৪০ অযুতাংশ এবং ১১ তলা ইমারতের দ্বিতীয় তলার উত্তর দিকের ১৪৭৬ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ও বেজমেন্টের ৮নং কারপার্কিং স্পেস।

আইনজীবী এমএম রাশেদ সারোয়ার পাঠানের মাধ্যমে আবেদনে ওই নারী উল্লেখ করেন, সম্পত্তিটি নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের কাছ থেকে ২০১৬ সালের ৭ জানুয়ারি রেজিস্ট্রি দলিলমূলে কিনেন জনৈক ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান। পরে আবেদনকারী গত ২৯ ডিসেম্বর মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে বায়না দলিল করে ২৫ এপ্রিল রেজিস্ট্রি সাবকবলা দলিলমূলে খরিদ করেন।

আবেদনকারী বর্তমানেও ওই সম্পত্তি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করছেন এবং ডিআইজি মিজানের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ও সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও উল্লেখ করেন। তাই ক্রোককৃত সম্পত্তিটি অবমুক্ত প্রয়োজন বলে দাবি করেন শেফালী বেগম। এর আগে গত ২০ জুন জিআইজি মিজানের নামে-বেনামে থাকা সাত প্রকারের সম্পত্তি ক্রোক এবং সিটি ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার একটি ব্যাংক হিসাব দুদক ফ্রিজের আবেদন করলে একই আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর পর গত ২৪ জুন ওই আসামির বিরুদ্ধে দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মর্শেদ একটি মামলা করেন।

মামলায় মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ভাগ্নে পুলিশের এসআই মাহমুদুল হাসান ও ছোটভাই মাহবুবুর রহমানকেও আসামি করা হয়। ওই মামলায় গত সোমবার মিজান হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলে তা নাকচ করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। সেই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে নিম্ন আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করলে জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

ডিআইজি মিজানের ক্রোককৃত এবং ফ্রিজের আদেশ হওয়া অপর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ৫৫ লাখ টাকার বেইলি রিটজ ভবনের চতুর্থ তলার অ্যাপার্টমেন্টের কয়েকটি ফ্ল্যাট এবং রাজধানীর সিদ্বেরশ্বরী এলাকায় ৫৫.৫১ অযুতাংশ জমিসহ অ্যাপার্টমেন্ট, উত্তরায় ১৭৫০ বর্গফুটের জমিসহ ফ্ল্যাট, গুলশানের পুলিশ প্লাজায় একটি দোকান, উত্তরার পলয়েল কারনেশনে একটি দোকান, পূর্বাচল নতুন শহরে ৫ কাঠা জমি, সাভারে পুলিশ হাউজিং সোসাইটিতে ৫ কাঠা জমির ওপর নির্মিত ফ্ল্যাট, জোয়ার সাহারায় পুলিশ বহুমুখী সমবায় সমিতিতে সাড়ে ৭ কাঠা জমি এবং সিটি ব্যাংক ধানমন্ডি শাখার একটি হিসাবে থাকা ১০ লাখ টাকা।

আর/০৮:১৪/০৪ জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে