Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ , ১ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০২-২০১৯

যমুনা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে রেল

যমুনা সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে রেল

ঢাকা, ২ জুলাই - বাংলাদেশে ঝুঁকি নিয়ে চলছে রেল। ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়াসহ ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই আছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় বিপুল প্রাণহানি ঘটলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। সর্বত্রই দায়িত্বে অবহেলার চিহ্ন চোখে পড়ার মতো।

গত ২৩ জুন (রোববার) রাতে সিলেট থেকে ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস কুলাউড়ায় দুর্ঘটনায় পড়লে ট্রেনটির দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে খালে পড়ে যায় এবং একটি বগি উল্টে যায়। লাইনচ্যুত হলে ৪টি তাজা প্রাণ ঝরে পড়ে এবং অন্তত ২৫০ জন যাত্রী আহতে হয়েছেন। এরপর রেল কর্তৃপক্ষ কিছুটা নড়েচড়ে বসলেও তিন হাজার কিলোমিটার রেল লাইনের দিকে তাকালেই দুর্দশার চিত্র ফুটে উঠছে। কেন্দ্রে রেল নিয়ে তোড়জোড় চললেও মাঠপর্যায়ে বেহাল দশা। রেল লাইনে পাথর থাকা অপরিহার্য হলেও মাইলের পর মাইল রেল লাইনে পাথর নেই, চুরি হয়ে যাচ্ছে।

উত্তরাঞ্চলের ঢাকা-সিরাজগঞ্জ,বগুড়া, পাবনা,ইশ্বরদী, রংপুর ও লালমনিহাটে ট্রেন চলাচলের একমাত্র রেল লাইন যমুনা সেতু দিয়ে। যমুনা সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১৯টি ট্রেন যাতয়াত করে। যমুনা সেতুর উপর দিয়ে রেল-লাইনের বর্তমান অবস্থা পর্ববেক্ষণ না করেই দিনের পর দিন রেল চলাচল করছে।

কিন্তু যমুনা সেতু সংলগ্ন সেতুর উপর রেল লাইনটির নাট-বল্টু খুলে পড়ে আছে। কর্তৃপক্ষের কোন নজর নেই বললেই চলে। রেললাইনের নাট-বল্টু খোলায় যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে মারাত্বক দুর্ঘটনা। লক্কড়-ঝক্কড় দু’টি রেলের সংযোগস্থলে স্লিপারের সঙ্গে ৮টি ক্লিপ থাকার কথা থাকলেও কোথাও একটি আবার কোনো কোনো সংযোগস্থলে ক্লিপ নেই। তাছাড়া রেলের সঙ্গে স্লিপারের ক্লিপ নেই। রেলের স্লিপারের মধ্যে দেখা যায় কোথাও কোনটার লাট-ব্টু খুলে আছে আবার কোনটায় লাট-বল্টু আলগা হয়ে আছে। এমন অবস্থায় ট্রেন চলাচেলের সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

রেলপথ প্রকৌশল বিভাগ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ৭৫ শতাংশ ট্রেন লাইনচ্যুত হয় যথাযথভাবে লাইন মেইনটেন্যান্স না করার কারণে। অথচ লাইনে পাথর দেয়ার জন্য বছরে ৩৩ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে রেলের। লাইনচ্যুত বগি ও ইঞ্জিন উদ্ধার এবং লাইন মেরামতে বছরে ব্যয় হচ্ছে ৯৬ কোটি টাকা।

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পথ) মো. তানভীর জানান, মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কাজ করার কথা থাকলেও তা ঠিকভাবে হচ্ছে না। তবে তিনি লোকবল স্বল্পতার কারণে সমস্যা রয়েছে। আমরা যথাযথ চেষ্ট্রা করে এসব বিষয়ে দ্রুত সমাধান করে থাকি।

সূত্র : পূর্বপশ্চিমবিডি

এন এইচ, ২ জুলাই.

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে