Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯ , ৫ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০২-২০১৯

পোর্ট অব স্পেন নেমে আসুক এজবাস্টনে

রবিউল ইসলাম


পোর্ট অব স্পেন নেমে আসুক এজবাস্টনে

লন্ডন, ০২ জুলাই- ভারতকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেলে পঞ্চপাণ্ডবের তিন পাণ্ডব তামিম, মুশফিক ও সাকিব জ্বলে ওঠেন আপন শক্তিতে! ২০০৭ বিশ্বকাপে পোর্ট অব স্পেনে মাশরাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর তামিম, মুশফিক ও সাকিবের ব্যাটিংয়ে ভারত বধ হয়েছিল। 

মঙ্গলবার বার্মিংহামের এজবাস্টনে ব্যাটিং বিভাগে এই তিন জন জ্বলে উঠলে বাংলাদেশের সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানিই বেড়ে যাবে। অতীত পরিসংখ্যান সেই কথাই জানান দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা প্রত্যাশা করছেন পোর্ট অব স্পেন যেন নেমে আসে বার্মিংহামের এজবাস্টনে!

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৭ সালে দুটি ওয়ানডে খেলে বিশ্বকাপ দলে সুযোগ হয় তামিমের। ভারতের বিপক্ষে পোর্ট অব স্পেনে নিজের পঞ্চম ম্যাচ খেলতে নেমে নিজের প্রতিভা জানান দিয়েছিলেন তিনি। দেখা পান ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরির। জহির খান, অজিত আগারকার, হরভজন সিং, যুবরাজ সিংদের বিপক্ষে ৫৩ বলে ৫১ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস খেলেছিলেন সেদিন। মাশরাফির বোলিংয়ের পর তামিমের এমন শুরুই জয়ের ভিতটা গড়ে দেয় বাংলাদেশের। ওই ম্যাচ বাদে বিশ্বকাপে তামিম আরও দুটি ম্যাচ খেলেছেন ভারতের বিপক্ষে।

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ৩ ম্যাচে তামিমের রান ১৪৮। সবমিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে ১৮টি ম্যাচ খেলে ৩৩.৭৬ গড়ে ৫৭৪ রান করেছেন। তবে সাতটি হাফসেঞ্চুরি পেলেও এখন পর্যন্ত কোনও সেঞ্চুরির দেখা পাননি।

চলতি বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচে উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারলেও বড় ইনিংসের দেখা পাননি তামিম। ৬ ম্যাচে একবার মাত্র পঞ্চাশের ঘরে পা  রাখতে পেরেছেন। অবশ্য ভারতের বিপক্ষে এই বাঁহাতি ওপেনারের দিকেই তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। তার শুরুটা ভালো হলে বাংলাদেশের মিডল অর্ডারে কিছুটা হলেও চাপ কমবে।

ভারতের বিপক্ষে তামিম ছাড়াও জ্বলে উঠতে হবে সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমকে। সাকিব চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। ৬ ম্যাচে ২ সেঞ্চুরি ও ৩ হাফসেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রান নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন সাকিব। তামিমের মতো বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ৩ ম্যাচে ৩৯.৩৩ গড়ে ১১৮ রান এসেছে সাকিবের ব্যাট থেকে। ভারতের বিপক্ষে বোলিংয়ে অবশ্য খুব বেশি সফল নন তিনি।

সবমিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে বোলিংয়ে ১৭ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে মোটামুটি প্রভাব বিস্তার করার অভিজ্ঞতা আছে সাকিবের। তবে ভারতের বিপক্ষে বোলিংয়ের চেয়ে ব্যাটিংয়েই বেশি সফল তিনি। ১৭ ম্যাচে ৩৫ গড়ে ৭ হাফসেঞ্চুরিতে সাকিবের রান ৫২৫। মঙ্গলবার সাকিবের সামনে সুবর্ণ সুযোগ ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরির খরা কাটানোর। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সাকিব হয়তো নিজের কাজটা ঠিকমতোই করবেন!

সাকিবের মতো দারুণ ছন্দে আছেন মুশফিকুর রহিমও। ৬ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরি ও ২ হাফসেঞ্চুরি নিয়ে ৩২৭ রান তার। যা তাকে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান তালিকায় ১১ নম্বরে তুলে এনেছে। এমন অবস্থায় ওপেনিংয়ে ভালো শুরুর পর মিডল অর্ডারে গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে মুশফিককেই। 

ছন্দে থাকা মুশফিক ভারতের বিপক্ষে সব সময়ই দুর্দান্ত খেলেন। যদিও বেশ কিছু ম্যাচে ফিনিশিংটা করতে পারেননি বলেই জয় বঞ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার মুশফিকের কাছে তেমন কিছুই চাইবে টিম ম্যানেজমেন্ট। ভারতের বিপক্ষে সবমিলিয়ে ২১ ম্যাচে ৩৫.৫২ গড়ে মুশফিকের রান ৬০৪। যেখানে একটি সেঞ্চুরি ছাড়াও আছে তিনটি হাফসেঞ্চুরি।

আবার সাকিব-তামিমের মতো বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচেই খেলেছেন মুশফিক। তিন ম্যাচে এক হাফসেঞ্চুরিতে ১০৮ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে পোর্ট অব স্পেনে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ জিততে মুশফিকেরও অবদান ছিল। মাশরাফির দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর তামিমের ৫১, মুশফিকের ৫৬* ও সাকিবের ৫৩ রানে ভর করেই জয়টা পায় বাংলাদেশ।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

এমএ/ ০২:৩৩/ ০২ জুলাই

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে