Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯ , ৩ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৭-০২-২০১৯

টাঙ্গাইলে রেলসেতুতে বাঁশের গোজ

টাঙ্গাইলে রেলসেতুতে বাঁশের গোজ

টাঙ্গাইল, ০২ জুলাই- টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব হতে জয়দেবপুর পর্যন্ত রেললাইনের বেশ কিছু সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। রেলসেতুতে দেখা গেছে লোহার নাট-বল্টুর পরিবর্তে বাঁশের গোজ ও কাঠের ব্যবহার। এছাড়া সেতুর কাঠের তৈরি স্লিপার নষ্ট হয়ে গেছে। এতে ঝুঁকিতে রয়েছে সেতুগুলো।

সরেজমিনে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব রেললাইনের কালিহাতী উপজেলার জোকারচরসহ ওই রেললাইনের বেশকিছু রেলসেতুতে এমন চিত্র দেখা গেছে। সেতুর সঙ্গে রেললাইনের আটকানো ক্লিপ বেশ কিছু স্থানে নেই। কিন্তু সেখানে লোহার নাট দিয়ে আটকানোর কথা থাকলেও বাঁশের গোজ দিয়ে আটকানো হয়েছে। আবার অনেকস্থানে লোহার বল্টু পাওয়া যায়নি। এছাড়া সেতুর অনেক কাঠের স্লিপার নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে লোহার নাটগুলো নাড়াচাড়া বা হাত দিয়ে টেনে তোলা যাচ্ছে। সেতুর একপাশে লোহার পাতগুলো খুলে রয়েছে।

জয়দেবপুর রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব হতে জয়দেবপুর পর্যন্ত রেললাইনে ১৩২টি ছোট-বড় সেতু রয়েছে। ১৯৯৮ সালে এগুলো নির্মাণ করা হয়। এরপর আর সেতুতে কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। এরমধ্যে গত ২০১৭ সালে ২০ আগস্ট টাঙ্গাইলের পুংলী রেলসেতুর অ্যাপ্রোস ধসে পড়ে। এতে অল্পের জন্য উত্তরবঙ্গ থেকে আসা ঢাকাগামী ট্রেন দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায়। এরপর ওই সেতুর সংস্কার কাজ পুনরায় রেল চলাচল শুরু করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি সেই পুংলী রেলসেতুর দুইপাশের অ্যাপ্রোস সংস্কার কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ সেতুর ওপর রেললাইনের ক্লিপগুলো খুলে রয়েছে। কিছু কিছু লোহার বল্টুর বদলে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে নাট বানিয়ে ঠুকিয়ে দেয়া হয়েছে। সেতুর কাঠের স্লিপারের দুইপাশে লোহার পাত খুলে পড়ে রয়েছে। আবার কিছু অংশের পাত মাদকসেবীরা খুলে নিয়ে গেছে। তবে এ স্বত্ত্বেও রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন এ অবস্থা থাকলে যে কোনো সময় ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে জয়দেবপুর হেড কোয়ার্টারের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজিব কায়সার জানান, রেললাইনের টাঙ্গাইলের পুংলী ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এর সংস্কার শেষ হবে। তবে তিনি দাবি করেন- বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব-জয়দেবপুর পর্যন্ত সেতুগুলোর কোনো সমস্যা বা ঝুঁকি নেই। এছাড়াও সেতুগুলো পুরনো হওয়ায় কিছু কিছু সেতুর কাঠের স্লিপার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও রেললাইনের নাট-বল্টু চুরি অথবা হারিয়ে যাওয়ার কারণে রেল দুর্ঘটনা এড়াতে সাময়িক সময়ের জন্য লোহার বল্টুর বদলে বাঁশের গোজ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/০২ জুলাই

টাঙ্গাইল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে