Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৫ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৭-০১-২০১৯

দুর্নীতিবাজ কর্মী শনাক্তে ‘ঘুষ বোর্ড’

দুর্নীতিবাজ কর্মী শনাক্তে ‘ঘুষ বোর্ড’

চট্টগ্রাম, ০১ জুলাই- টাকা দিলে সরকারি দপ্তরে সেবা মেলে- নেতিবাচক এ ধরণা দূর করতে চট্টগ্রামে একটি উপজেলার দুই সরকারি কার্যালয়ে লাগানো হয়েছে ‘ঘুষ বোর্ড’।

সেবা পাওয়ার বিনিময়ে কেউ যদি ঘুষ দিতে বাধ্য হন, তাহলে তিনি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীর তথ্য বোর্ডটিতে লিখে দিয়ে যেতে পারবেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও ভূমি অফিসে এ বোর্ড ঝোলানো হয়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, “সাধারণ জনগণের মধ্যে একটা ধারণা আছে তারা সরকারি দপ্তরে টাকা লেনদেন ছাড়া কোনো ধরনের সেবা পান না। অনেক সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটেও থাকে।

“কোনো ব্যক্তির যদি সেবা নিতে এসে টাকা দিতে হয়, তাহলে তিনি এ বোর্ডে যাকে টাকা দিয়েছেন তার পরিচয় ও টাকার পরিমাণ লিখে দিতে পারবেন। দুর্নীতি প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করতেই মূলত এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

রুহুল আমিন বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক ও মনস্তাত্বিকভাবে চাপে রাখতে এ বোর্ড লাগানো হয়েছে। যাতে কেউ সাধারণের কাছে টাকা দাবি করতে না পরে।

গত শনিবার রুহুল আমিন প্রথমে নিজ কার্যালয়ে এ বোর্ড লাগান। সোমবার লাগান উপজেলা ভূমি অফিসে।

 ইউএনও বলেন, “জন্ম সনদ সংশোধন, উন্নয়ন কাজের বিল পরিশোধ করা হয় আমার কার্যালয় থেকে। কেউ যাতে তাদের কাছ থেকে টাকা দাবি করতে না পারে এজন্য প্রথমে নিজের অফিসেই এ বোর্ড লাগিয়েছি।”

রাঙামাটির কাপ্তাই থেকে বদলি হয়ে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর হাটহাজারীর ইউএনও হওয়ার পর বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি।

এর আগে তিনি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার এবং সীতাকুণ্ডে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ও নকল ওষুধ ও ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন।

রুহুল আমিন বলেন, “মাস খানেক আগে উপজেলার বুড়িশ্চর এলাকার এক ব্যক্তি জন্ম নিবন্ধন সনদ সংশোধনের জন্য আমার কার্যালয়ে এসেছিলেন। পিয়ন ঢাকা থেকে তা সংশোধন করিয়ে আনার কথা বলে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছিল।

“ওই ব্যক্তি ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জারে আমাকে অভিযোগ জানালে ওই পিয়নের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছি।”

ইউএনও আরও বলেন, “ভূমি তহশিলদার অফিসে ঘুষ ছাড়া জায়গার নামজারিসহ কোনো কাজ করতে পারেন না বলে সবার মধ্যে একটা বিষয় প্রচলিত আছে। ইউএনও হিসেবে যেহেতু আমি উপজেলার প্রধান, তাই অভিযোগগুলো আমার ওপরও বর্তায়।  

“তাই যাতে কাউকে জায়গা সংক্রান্ত কাজ করতে এসে টাকা দিতে না হয় এবং টাকা দাবি করলে এ বোর্ডে লিখে যান সেজন্য ঘুষ বোর্ডটি লাগানো হয়েছে।”

বোর্ডে কেউ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
এনইউ / ০১ জুলাই

 

 

চট্টগ্রাম

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে