Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯ , ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-২৭-২০১৯

ভেঙে তছনছ আত্মগোপনে থাকা ইয়াবা ব্যবসায়ীর ‘রাজপ্রসাদ’

ভেঙে তছনছ আত্মগোপনে থাকা ইয়াবা ব্যবসায়ীর ‘রাজপ্রসাদ’

কক্সবাজার, ২৮ জুন- কক্সবাজারের টেকনাফে আত্মগোপনে থাকা ইয়াবা কারবারি জাফর আহমদের বিলাসবহুল বাড়ি ভেঙে তছনছ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ভোররাতে সদর ইউনিয়নের লেঙ্গুরবিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে কে বা কারা এই ভাঙচুর করেছে তা জানা যায়নি। পুলিশের অনুমান, ক্ষুব্ধ জনতা এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

জাফর আহমদ টেকনাফ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান। গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় তার নাম রয়েছে। পুলিশের দাবি, ইয়াবা ব্যবসার টাকায় তিনি ওই বিলাসবহুল বাড়ি বানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় জাফরের তিন ছেলে শাহজাহান মিয়া,দিদার মিয়া ও মো. ইলিয়াছেরও নাম রয়েছে। এর মধ্যে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ১০২ জন ইয়াবা কারবারির সঙ্গে দিদার মিয়া আত্মসমর্পণ করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়,জাফরের বাড়ির সীমানা প্রাচীর,প্রধান ফটক, ঘরের দরজা,জানালা ও কক্ষগুলোতে থাকা আসবাবপত্র ভেঙে তছনছ করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, এ বাড়িতে এখন কেউ থাকে না।

লেঙ্গুরবিল গ্রামের বাসিন্দা কবির আহমদ বলেন,‘টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে জাফর আহমদ ও তার ছেলে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়াসহ এ পরিবারের সব সদস্য আত্মগোপন করেছে। বর্তমানে তার দুইতলার রাজপ্রসাদে কেউ থাকে না। এ অবস্থায় রাতের আঁধারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে; আমরা সকালে দেখেছি।’


টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন,‘সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফরের রাজপ্রসাদে ভাঙচুরের খবর শুনেছি। তবে কে বা কারা ভাঙচুর করেছে, জানা যায়নি। এ ছাড়া, ওই পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও থানায় কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘টেকনাফ সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী তৎপরতায় জনগণের মাঝে ইয়াবা কারবারিদের নিয়ে একধরনের ঘৃণার জন্ম হয়েছে। হয়তো এই ঘৃণা থেকে ক্ষুব্ধ জনতা ওই প্রাসাদে ভাঙচুর করেছে। তবে জাফরের প্রতিপক্ষের লোকজনও এ কাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। সবকিছু খতিয়ে দেখা দরকার।’

উল্লেখ্য, জাফর আহমদ ২০০৮ সাল পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির হাত ধরে তিনি এ দলে যোগ দেন। এরপর তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন  

আর/০৮:১৪/২৮ জুন

কক্সবাজার

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে