Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ , ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-০৯-২০১৯

মাইনাস ৭০ ডিগ্রিতে হাতুড়ির সাহায্যে ফাটছে ডিম!

মাইনাস ৭০ ডিগ্রিতে হাতুড়ির সাহায্যে ফাটছে ডিম!

বেঁচে থাকতে এবং একবেলার খাবার জোটাতে প্রত্যেকদিন তাঁদের যে লড়াইটা করতে হয়, তা এক কথায় অবর্ণনীয়৷ কেবল নিজের পেট ভরানোই নয়, তাঁদের কাঁধে রয়েছে দেশরক্ষার মতো গুরুদায়িত্ব৷ আর দিনের পর দিন প্রকৃতির করাল রোষের ভ্রুকুটি এড়িয়ে এভাবেই মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৭০ ডিগ্রি উষ্ণতায় দেশের সেবায় জীবনপাত করেছেন ভারতীয় জওয়ানরা৷ সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সেই লড়াইয়েরই একটি খণ্ডচিত্র৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে গিয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ রণক্ষেত্র সিয়াচেনে ভারতের বীর সন্তানদের রোজকার লড়াইয়ের ভিডিও৷

সম্প্রতি প্রকাশিত ভিডিওতে রোজকার লড়াইয়ের বর্ণনা দিয়েছেন সিয়াচেনে কর্মরত ভারতীয় সেনার তিন জওয়ান৷ হিমাঙ্কের বহুগুণ নীচে থাকা উষ্ণতায় একবেলার খাবার জোটাতে রোজ কীভাবে তাঁদের পরিশ্রম করতে হয়, ভিডিওটিতে সেই বর্ণনাই করেছেন তাঁরা৷ ভিডিওতে ওই তিন জওয়ান দেখিয়েছেন, রান্না তো দূরের কথা, সামান্য ফলের জুস খেতেও কষ্ট করতে হয় তাঁদের৷ কারণ, প্রচণ্ড ঠান্ডায় প্যাকেটের মধ্যে ফলের রস এতটাই জমাট বেঁধে যায় যে, সেটা বের করতে রীতিমতো ছুড়ি, হাতুড়ির প্রয়োজন পড়ে৷ বরফের শক্ত ডেলার মতো জমাট বেঁধে থাকা ফলের রস ভাঙতে দরকার পড়ে হাতুড়ির৷ তারপর সেই বরফের ডেলাকে ফুটিয়ে খেতে পারেন তাঁরা৷ সামান্য ডিম সিদ্ধ করতে গেলেও একই কষ্ট করতে হয় বলে দাবি জওয়ানদের৷ ভিডিওটিতে পরীক্ষামূলক ভাবে তাঁরা দেখিয়েছেন যে, মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সামান্য ডিম ফাটাতে গেলেও প্রয়োজন পড়ে সেই হাতুড়ির৷ তাঁদের দাবি, কোনও কোনও সময় সজোরে আঘাত করলেও ডিমের গায়ে সামান্যতম আঁচড়ও পড়ে না৷ যাকে মজার ছলে তাঁরা ‘হিমবাহের ডিম’ বলে উল্লেখ করেছেন৷ তাঁদের মতে, সিয়াচেনে জীবন অতিবাহিত করা যুদ্ধের থেকে কম কিছু নয়৷

সোশ্যাল মিডিয়ায় জওয়ানদের রোজকার এই জীবনযুদ্ধের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায়, নেটিজেনরা ভারতীয় সেনাকে কুর্নিশ জানিয়েছে৷ বিভিন্ন সময় একাধিক ছোট ইস্যুতেও ভারতীয় সেনাকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়৷ এই জীবন সংগ্রামের ভিডিও, সেই সমস্ত সমালোচকদের মুখের উপর সপাটে দেওয়া উত্তর বলেই দাবি করেছেন নেটিজেনদের একাংশ৷

প্রসঙ্গত, ২০১৪-য় দিল্লির ক্ষমতায় আসার পর থেকে একাধিকবার সিয়াচেনে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে সেনা জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেছেন তিনি৷ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরও একইভাবে সিয়াচেনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে মোদি সরকার ২.০৷ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমেই সিয়াচেন সফরে গিয়েছেন রাজনাথ সিং৷ সফরকালে ভারত-পাক সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন রাজনাথ সিং। খোঁজ নিয়েছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে কর্মরত সেনা জেওয়ানদের৷

What it is like to save freedom of 1.3 billion people. #IndianArmy Jawans explains one part of it. Enjoy your freedom also be thankful to all our Jawans for making it happen. pic.twitter.com/uFEyoG1vQl

— 👁️ INTEL ⚔️ Defence 🌏 OSINT ☢️ Conflict 💬 News (@Ind4Ever) June 8, 2019

আর/০৮:১৪/০৯ জুন

বিচিত্রতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে