Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯ , ৩ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.5/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-০৩-২০১৯

সাদ্দাম বুঝতে পেরেছিলেন লঞ্চেই তাকে হত্যা করা হবে!

সাদ্দাম বুঝতে পেরেছিলেন লঞ্চেই তাকে হত্যা করা হবে!

বরিশাল, ০৪ জুন- বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সুগন্ধ্যা নদী থেকে মো. সাদ্দাম (২৩) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শনিবার বিকেল ৪টায় তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

আজ সোমবার ময়নাতদন্ত শেষ করে লাশ উজিরপুর উপজেলার ওটরা গ্রামে নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহত সাদ্দাম বাংলাদেশ চলচিত্র উন্নয়ন সংস্থাতে (এফডিসি) কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

নিহতের বড় ভাই মো. আনিছ জানান, ঈদের ছুটিতে গত ৩১ মে ঢাকা-ভান্ডারিয়া লাইনের এমভি ফারহান-১০ লঞ্চে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হন সাদ্দাম। বাড়িতে আসার পথে লঞ্চের ভেতরে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন তিনি। এ সময় তাদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় সাদ্দামের। একপর্যায়ে লঞ্চের স্টাফরাও সাদ্দামের ওপর হামলা চালান। ওই হামলার কথা মুঠোফোনে রাত দেড়টার দিকে বড় ভাই আনিছ ও ভগ্নিপতি মাইনুল ইসলামকে জানান সাদ্দাম।

লঞ্চে সাদ্দাম নিজ এলাকার দুইজনকে পেয়েছিলেন যাদের একজনের নাম নাঈম। সাদ্দাম তার ভগ্নিপতি ভাগ্নে-ভাগ্নির জন্য কেনা নতুন পোশাক নাঈমের হাতে তুলে দেন। তিনি নাঈমকে বলে দেন, ‘আমি যদি কোনো কারণে বাড়িতে পৌঁছাতে না পারি তাহলে এই ব্যাগটা আমাদের বাড়িতে তুমি পৌঁছে দিও।’

এফডিসিতে কর্মরত নিহত সাদ্দামের বন্ধু আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘লঞ্চের কর্মচারীরা তাকে মেরে ফেলবে এ কথা সাদ্দাম আগেই বুঝতে পেরেছিলেন। কারণ আমাকে সাদ্দাম রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে আমার কাছে ফোন করে বলে, বন্ধু লঞ্চ স্টাফদের সাথে আমার হাতাহতি হয়। একপর্যায়ে তারা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে এবং লঞ্চের স্টাফরা আমাকে ফলো করছে।’

সাদ্দামের ভগ্নিপতি মাইনুল ইসলামের অভিযোগ, শনিবার ভোরে তিনি বানারীপাড়ার মীরের হাট লঞ্চঘাটে সাদ্দামের খোঁজে যান। সেখানে তার কোনো সন্ধান না পেয়ে ওই দিন উজিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য গেলে পুলিশ অভিযোগটি আমলে নেয়নি। তার ধারণা সাদ্দাম হোসেনকে লঞ্চ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।

পরে এ ঘটনায় নিহত সাদ্দামের ভগ্নিপতি ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বাবুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিবাকর চন্দ্র দাস বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত হৃদয় (২৬) নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কাজ চলছে।’

আর/০৮:১৪/০৪ জুন

বরিশাল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে