Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ , ২ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.5/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-০২-২০১৯

দুদকের অনুসন্ধান: বিদেশেও অবৈধ সম্পদ আছে মোহাম্মদ আলীর

দীপু সারোয়ার


দুদকের অনুসন্ধান: বিদেশেও অবৈধ সম্পদ আছে মোহাম্মদ আলীর

নোয়াখালী, ০২ জুন- নোয়াখালী-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী শুধু দেশেই সম্পদ গড়েননি, দেশের বাইরেও রয়েছে তার সম্পদ। হোটেল ব্যবসার পাশাপাশি আছে অন্য ব্যবসা। আর মালয়েশিয়া হচ্ছে তার দ্বিতীয় নিবাস। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নথিপত্র থেকে এ তথ্য মিলেছে। দুদকে জমা হওয়া ৬২ পাতার অভিযোগ ও দুই পাতার গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আছে।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি সম্পত্তি ভোগদখল আর দুর্নীতির অভিযোগ যাচাই করা হয়। ৩ এপ্রিল মোহাম্মদ আলীর দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ২৮ এপ্রিল তলবি নোটিশ পাঠানো হয় তাকে। আর ৫ মে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদকের নথিপত্র অনুযায়ী শুধু ধানমন্ডি ও পল্লবীতেই মোহাম্মদ আলীর আছে ১০টি ফ্ল্যাট। আর যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় আছে হোটেল ও অন্য ব্যবসা।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ আলীর বর্তমান ঠিকানা ধানমন্ডির ১৪ নম্বর রোডের ৮/সি নম্বর বাসা। আর স্থায়ী ঠিকানা হাতিয়ার আফিয়া বাজার, চুরেসসুর তালুকদার গ্রাম। ১৯৬১ সালের ৭ এপ্রিল তার জন্ম। স্নাতক পাস তিনি।

দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘অনুসন্ধান এখনও শেষ হয়নি। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না মোহাম্মদ আলীর কী আছে আর কী নেই।’

ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি আর বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’ দুদকে সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে বলেন, ‘স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদের তথ্যই দুদকে জমা দিয়েছি।’

দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাড়ি বা সম্পদ করার সুযোগ নেই। এ দেশের যারা সেখানে সম্পদ করেছেন, তারা মূলত টাকা পাচার করেছেন। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনে সই করেছে।’ এর আওতায় তথ্য চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

দুদকের অনুসন্ধানে মোহাম্মদ আলী ও তার পরিবারের সদস্যদের আরও যেসব সম্পদের তথ্য মিলেছে−
১. রাজধানীর ধানমন্ডিতে চার কাঠা জমিতে পাঁচতলা বাড়ি
২. হাতিয়ায় পাঁচতলা ইশিতা আবাসিক হোটেল
৩. হাতিয়ায় ৪০ বিঘা জমি
৪. গাজীপুরে চার বিঘা জমি
৫. পূর্বাচলে তিন বিঘা জমি
৬. ইসলামী ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার এফডিআর
৭. শেয়ারবাজারে শত কোটি টাকার বিনিয়োগ
৮. চৌমুহনী বাজারের দুই পাশের খাল দখল করে দু’টি মার্কেট
৯. আসকা বাজারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে আরও একটি মার্কেট।

দুদকের তথ্য বলছে, হাতিয়ায় পৌরসভা থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করেন মোহাম্মদ আলী। হাতিয়া পৌরসভা এবং উপজেলা পরিষদের টেন্ডার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ পারিবারিকভাবেই নিয়ন্ত্রণ করেন মোহাম্মদ আলী।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আর/০৮:১৪/০২ জুন

নোয়াখালী

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে