Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ৪ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-৩০-২০১৯

বাগেরহাটের সেই রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে ১১০ কোটি টাকা পাচারের মামলা দুদকের

বাগেরহাটের সেই রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে ১১০ কোটি টাকা পাচারের মামলা দুদকের

বাগেরহাট, ৩০ মে- ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান না হয়েও পুঁজি সংগ্রহের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পাচার করার অভিযোগে মামলা হয়েছে বাগেরহাটের একটি শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সকালে মামলা করেন দুদকের খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাওন মিয়া।

বাগেরহাট সদর থানায় করা এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুল মান্নান তালুকদার ও চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমানকে।

মামলাসূত্রে জানা গেছে, উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া অর্থের ১১০ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ৩৫ টাকা পাচার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের নামে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন বাগেরহাট কালেক্টরেট অফিস থেকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী (উমেদার, এমএলএসএস) হিসেবে স্বেচ্ছা অবসরে যাওয়া আবদুল মান্নান তালুকদার।

তিনি বাগেরহাট শহরের মিঠাপুকুরপাড় এলাকার কে আলী রোডের মৃত হেমায়েত উদ্দিন তালুকদারের ছেলে। মাদ্রাসায় পড়া লেখা করলেও তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাসনদ নেই।

১৯৮৪ সালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উমেদার পদে নিয়োগ পান মান্নান। ২০১০ সাল পর্যন্ত চাকরি করে স্বেচ্ছায় অবসরে যান। এর পর মোটা অঙ্কের লভ্যাংশ দেয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে গড়ে তোলেন সাবিল গ্রুপ।

তবে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেটের নামেই চলছে তার আমানত সংগ্রহ। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সাইনবোর্ড ও কাগজপত্রে লেখা রয়েছে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত। রেজি নং-সি ৮৯১১৪/২০১০।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অভিযোগ আসে, গ্রাহকদের আমানতের অর্থ চার বছরে দ্বিগুণ করে দেয়ার কথা বলে চার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড।

আবদুল মান্নান তালুকদার গ্রাহকদের আমানতের টাকা দিয়ে নিজের ও পরিবারের নামে জমি কিনেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

মান্নান অভিযোগটি অস্বীকার করলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের এক তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এসব অনিয়মের প্রমাণ মিলে। এর পর থেকে নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখে।

এর পর প্রতিষ্ঠানটির এমডি স্বপরিবারে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পর গত ২৪ জানুয়ারি তিনি আবার তার বাগেরহাট নিজের ব্যবসায়িক অফিসে আসেন।

সেই সময় চলতি বছরের জুন থেকে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করা শুরু হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/৩০ মে

বাগেরহাট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে