Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯ , ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৮-২০১৯

নওগাঁয় বন্ধুর হাতে বন্ধুকে খুনের নেপথ্যে...

নওগাঁয় বন্ধুর হাতে বন্ধুকে খুনের নেপথ্যে...

নওগাঁ, ২৯ মে- নওগাঁ সদর উপজেলায় রাসেল হোসেন (১৫) নামে এক কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বন্ধু রাকিব হোসেন (১৬)। চারদিন পর ঘটনার মুল হোতা বন্ধু রাকিবসহ তিনজনকে আটক করেছে নওগাঁ সদর থানা পুলিশ।

সোমবার (২৭ মে) নওগাঁ আদালতে হাজির করা হলে ১৬৪ ধারায় তারা জবানবন্দি দেয় তারা। এরপর তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই আব্দুল আনাম মোল্লা।

আটককৃতরা হলো সদর উপজেলার দুবলহাটী ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে রাকিব হোসেন (১৬), আজিজুর রহমানের ছেলে পিয়াস উদ্দিন (১৬) এবং আজাদ আলীর ছেলে আবদুল মজিদ।

এসআই আবদুল আনাম মোল্লা বলেন, রাসেল হোসেন নওগাঁ শহরের চকদেব মাস্টার পাড়া মহল্লার কামাল হোসেনের ছেলে। রাসেল হোসেন ছোটবেলা থেকেই সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের শৈলকুপা গ্রামে তার নানা সোলাইমান আলীর বাড়িতে থাকত।

নানার বাড়ি থেকে দুবলহাটি রাজা হরনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করত। রাসেল এ স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নানার বাড়িতে থাকা এবং একই স্কুলে পড়াশোনার সুবাদে বনগাঁও গ্রামের রাকিব হোসেন ও পিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে উঠে। একই স্কুলের জুনিয়র এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে রাসেলের। কিন্তু ওই মেয়েকে পছন্দ করত রাকিবও।

এ নিয়ে রাকিব ও রাসেলের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। বিষয়টি তাদের অপর বন্ধু পিয়াস উদ্দিন এবং তাদের সিনিয়র (বড়) ভাই আবদুল মজিদকে অবগত করে। এরপর রাসেলকে মারপিটের সিদ্ধান্ত নেয় রাকিব।

আবদুল আনাম মোল্লা আরও বলেন, গত ২৩ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাকিব মোবাইল ফোনে রাসেলকে শৈলকুপা গ্রামের সাজিরপুকুরে মাঠের একটি ব্রিজের উপরে আসতে বলে। যেখানে তারা বন্ধুরা মিলে নিয়মিত বিকাল ও সন্ধ্যায় আড্ডা দিত। এ সময় রাসেল দুবলহাটী বাজারে অবস্থান করছিল। ফোন পেয়ে রাসেল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে ব্রিজের ওপর হাজির হয়।

সেখানে রাকিব হোসেন, পিয়াস উদ্দিন এবং আব্দুল মজিদ অবস্থান করছিল। রাসেল যাবার পরপরই বন্ধু রাকিব ধারালো হাসুয়া দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে রাসেলের ডান পার্শ্বের কানের ওপর দিয়ে মাথা আলাদা হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই রাসেল মারা গেলে তারা ওইদিন থেকেই এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।

বিষয়টি নিয়ে পরদিন ২৪ মে রাসেলের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘটনায় মামলার তদন্ত দেয়া হয় এসআই আব্দুল আনাম মোল্লাকে।

মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে জেলার মান্দা উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের আত্মীয়র বাড়ি থেকে সোমবার রাকিব হোসেনকে আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্যে একই দিনে শহরের চকপ্রাণ থেকে পিয়াস উদ্দিন এবং দুবলহাটি বাজার থেকে আব্দুল মজিদকে আটক করা হয়।

সোমবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে মেয়ে নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বন্ধু রাসেলকে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে বন্ধু রাকিব ও তার সহযোগীরা।

সূত্র: যুগান্তর
এমএ/ ০১:০০/ ২৯ মে

নওগা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে