Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩০ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (61 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৯-১৩-২০১৩

ধেয়ে আসছে কি অন্ধকার?

ফকির ইলিয়াস



	ধেয়ে আসছে কি অন্ধকার?

খুব কঠিন সময়। রাজনীতি নিয়ে তীব্র শঙ্কা। একটা বড় চ্যালেঞ্জ অসমাপ্ত রেখেই বিদায় নিচ্ছে এই সরকার। একজন যুদ্ধাপরাধীর রায়ও কার্যকর করে যেতে পারবে না এই সরকার? বড় ভয় দানা বাঁধছে এই প্রজন্মের মনে।

দৃশ্যগুলো আমরা এভাবে কল্পনা করতে পারি। খুব দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে একজন মানুষ চলছে। পথটি তার অপরিচিত নয়। এ পথ দিয়ে হেঁটে গেছেন- পিতা, পিতামহ। পূর্বপুরুষের পদছাপ গোনে গোনে মানুষটি চলছে; কিন্তু তার প্রতিবেশ নতুন। চারপাশে নতুন মুখ, দীনতার ছাপ। এই দীনতা, সংস্কৃতির সংকটের। এই অভাব অর্থনৈতিক হলেও মূলত নৈতিকতার। এক ধরনের মিশ্রণ এসে রঙ পাল্টে দিয়েছে নিজের গতিপথের। তাই পথের সহযাত্রীর মানুষটির কাছে শুধু অচেনাই নয়, প্রতিপক্ষও বটে। একই সমাজে বসবাস করেও মানুষ কিভাবে মানুষের প্রতিপক্ষ হতে পারেÑ সে উদাহরণ আমরা প্রায় সবসময়ই দেখি। দেখি বিভিন্ন সমাজে। বিভিন্ন দেশে। তবে বহুজাতিক, বহুভাষিক দেশে তা দেখা যায় একভাবে। আর একই জাতিক, একই ভাষিক রাষ্ট্রে তা দেখা যায় অন্যভাবে। তারপর যদি কোনো রাষ্ট্রে গোঁড়া কট্টরবাদিতার গোড়াপত্তন হয়, তাহলে তো কথাই নেই। পোশাক-পরিচ্ছদ, মানুষের নিজের সংস্কৃতি, সভ্যতার একটি পরিচয় বহন করে বটে। তবে তা প্রধান পরিচয় নয়। কিন্তু কেউ যদি ধর্মীয় লোকাচারের দোহাই দিয়ে পোশাককেই ধর্মের প্রধান পর্দা বলে বিবেচনা করতে চায়, তবে সমাজ কিংবা রাষ্ট্র তা কতোটুকু গ্রহণ করবে? কতোটুকু গ্রহণ করা উচিত?
 
বাংলাদেশে এখন আবারো মৌলবাদীদের আস্ফালন। লন্ডনে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের তথ্যমন্ত্রী, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। কী চরম এই মনসিকতা! বিদেশে মৌলবাদীরা যে কতোটা তৎপর তা আবারো তারা দেখিয়ে দিয়েছে।
 
অনেকে জানতে চাইছেন- আওয়ামী লীগ কি আগামী নির্বাচনে হেরে যাবে? প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের অধিবেশনে আসবেন না বলে জানানো হয়েছিল। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত? পরে আবার জানানো হয়েছে- তিনি আসবেন। সরকার প্রধান কি নিজেদের পরাজয় বিবেচনা করে এমন দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন?
 
আমরা খবরে জেনেছি, ঐক্যবদ্ধ থেকে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নৌকা প্রতীকে ভোট চাইতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, প্রার্থী পছন্দ না হলে তার মুখ দেখার দরকার নেই। নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। তবে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে নিজের করা জরিপ মিলিয়ে প্রতিটি সংসদীয় আসনের প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হবে বলেও জানান শেখ হাসিনা। না, বাংলাদেশে এমনটি অতীতে হয়নি। এখনো হবে না। দেশের প্রতিটি জেলায় আওয়ামী লীগ বহুধা বিভক্ত। এর প্রভাব আগামী নির্বাচনে পড়বেই। এটা আটকানো যাবে কি? প্রধানমন্ত্রী সময় মতো ব্যবস্থা নেননি। নিলে এমন হতো না। মন্ত্রী-এমপিরা কতোটা গণবিচ্ছিন্ন, তা এলাকায় গেলেই দেখা যাচ্ছে। এখন এই বড় বুলি কেউ শুনবে কিনাÑ তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।
 
বাংলাদেশে এখন চলছে মৌলবাদীদের এক ধরনের দাপট। এরা কাজ করছে গ্রামে গ্রামে। আমরা জানি, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মুসলিম দেশে মহিলারা মাথায় হিজাব বাঁধেন। বর্তমান সময়ে, অনেকে আবার তা বাঁধেনও না। জিন্সের প্যান্ট, জ্যাকেট এখন আধুনিক আরব মেয়েদের গায়ে। আর সেসব মেয়ে ইউরোপ-আমেরিকায় বেড়াতে এলে কী পোশাক-আশাক এখানে এসে পরে, তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, নিজ রাষ্ট্রের বাইরে বেরিয়েই তারা কিছুটা হলেও গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসানোর চেষ্টা করছে? কেন করছে? কারণ রাষ্ট্রীয় নীতিমালা তাদের এক ধরনের বন্দিত্বের শিকল পরানোর চেষ্টা করেই যাচ্ছে নিরন্তর। আর তারা মুক্তি খুঁজতে চাইছে সেই বন্দিত্ব থেকে। এখানেও একে অন্যের প্রতিপক্ষ। এক সময় ছিল আরব মুল্লুকের প্রায় সব অফিস, ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ কোম্পানিতে বিদেশী শ্রমজীবী, পেশাজীবীদের প্রাধান্য ছিল। এখন তা ক্রমেই কমছে। ওসব দেশের স্থানীয় নাগরিকরা কাজের দায়িত্ব নিচ্ছে। নিতে এগিয়ে আসছে। সে সঙ্গে সেসব দেশের মানুষও ক্রমেই আদিমতাকে ডিঙিয়ে আধুনিকতার দিকে এগোচ্ছে। বৈষম্যের দূরত্ব বাড়লেও মানুষ গ্রহণ-বর্জনের বিবেককে সংহত করতে পারছে। আর এটাই আপাতত তাদের বড় পাওয়া। অথচ বাংলাদেশে হেফাজতিরা তেঁতুলতত্ত্ব বিতরণ করে দেশকে আদিমতার দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। সৃজনশীলতার পক্ষে প্রজন্মকে নিবিষ্ট রাখার যে প্রত্যয়, তা হোঁচট খেলেই সমাজ বিচ্যুত হয়। ধর্মযাজকরা সুযোগ নিয়ে মানুষের কাছে আসে। এবং ধর্ম ও সংস্কৃতির সহজ মিশ্রণ ঘটিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রয়াস পায়।
 
বহুজাতিক কোনো দেশে রাষ্ট্রীয় আইন বিভিন্ন ভাষাভাষি মানুষের নিজস্ব সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা করে। আর করে বলেই সবাই নিজ নিয়মে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চা করতে পারে সহজ ও সাবলীলভাবে। পাশাপাশি মানুষ ভোগ করতে পারে ধর্মীয় স্বাধীনতাও। কিন্তু একক আধিপত্যবাদী কোনো দেশে প্রতাপশালীরা অন্যকে জব্দ করে রাখতে চায়। অথবা ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কৃতির গায়ে ধর্মের লেবাস লাগাতে চায়।
 
ধরা যাক বাংলাদেশ, বাঙালি জাতির বৈশাখবরণ অনুষ্ঠানের কথা। বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম মাস। এর সঙ্গে বাঙালি জাতির প্রকৃতিগত চেতনা জড়িত। কিন্তু দেখা গেলো, এই বৈশাখবরণ অনুষ্ঠানে মানুষের সম্মিলনকেও একটি মহল মেনে নিচ্ছে না। নিতে পারছে না। কেন পারছে না? কারণ এরা মনে করে মানুষের সংস্কৃতিগত ভিত মজবুত হয়ে গেলে তারা ধর্মের দোহাই দিয়ে কট্টরবাদিতা করতে পারবে না। মানুষের ঐতিহ্যগত চেতনার বহিঃপ্রকাশ এবং নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিম-ল সে জন্যই তারা খোঁড়া করে রাখতে চায়। নিজে পালন করুক আর না করুক, দুর্বলচিত্ত মানুষের স্বল্প শিক্ষিত চেতনা কিংবা মূর্খতার সুযোগ নিয়েছে এই চক্র। একটি রাষ্ট্রে কোনো স্থাপত্য শিল্প ভেঙে দেয়া কিংবা একটি চিত্র শিল্পকে ব্যান করার দাবিও তুলেছে এইসব কালো শক্তি। স্থাপত্যশিল্পকে এরা মূর্তির সঙ্গে তুলনা করে ধর্মীয় উন্মাদনার স্রোত তৈরি করতে চায় কৌশলে।
 
মানুষ তার নির্মিত সমাজের কল্যাণে বিভিন্ন পথ তৈরি করেই যাচ্ছে। সেই পথগুলোর কুসুমাস্তীর্ণ দিক যেমন আছে তেমনি আছে কণ্টকাকীর্ণ দিকও। বর্তমান সময়ে বহুল আলোচিত ভার্চুয়াল জগৎটিকে এ প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসেবে দেয়া যায়। ইন্টারনেটের কল্যাণে সব বয়সী মানুষ এখন ক্রমেই ঝুঁকছে এই ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডের দিকে। নেটের জানালায় বসে দুজন আড্ডা দিচ্ছে বিশ্বের দুই প্রান্তে বসে। অনেক সময় এরা নিক নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রকৃত মানুষটি সম্পর্কে থেকে যায় সম্পূর্ণই অজ্ঞ। তারপরও কথা চলে, আড্ডা চলে। বিনিময় হয় ভাব। মতবিনিময়। এমনকি প্রেমও। এই ভার্চুয়াল জগতেরও ভালো-মন্দ দুটি দিক আছে। রয়েছে অনেক আত্মবিধ্বংসী কর্মকা-ও। সন্ত্রাসীচক্র তাদের হুমকি কিংবা অপকর্মের দায় স্বীকার যেমন ইন্টারনেটে করছে, একজন গবেষক-বিজ্ঞানী তার নতুন আবিষ্কারটিও জানিয়ে দিতে পারছেন গোটা বিশ্বকে এ আন্তর্জালের কল্যাণেই। পথের এই যে বিবর্তন ঘটছে, এর যোগাত্মক দিকগুলো ধারণ করাই আজ হওয়া উচিত প্রজন্মের প্রধান প্রত্যয়। কারণ সমাজে নষ্ট কীটদের অভাব আগেও ছিল না, এখনো নেই। ইন্টারনেটের ধূপচুল্লিতে পুড়েই হোক আর সোঁদা মাটির উষ্ণতা বুকে ধারণ করেই হোক, প্রজন্মকে চলতে হবে নিজেকে বাঁচিয়ে। কারণ চলমান পথের যে কোনো দুর্জন সহযাত্রী যে কাউকে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলে দিতে পারে। সংঘবদ্ধ হয়ে এরা হতে পারে কোনো রাষ্ট্রের-জাতির জন্য শঙ্কার কারণ।
 
বলে রাখি, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে যে কালো শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ হতে চাইছে তারা বলেই দিচ্ছে, ২৬১ আসনে তারা জিতবে। আমার ব্যক্তিগত একটা ধারণা ছিল সজীব ওয়াজেদ জয় জাতিকে নতুন কিছু কথা শোনাতে পারবেন। না তিনি পারেননি। আমি হতাশ হয়েছি। তিনি বলেছেন ‘নৌকার একটি ব্র্যান্ড ইমেজ রয়েছে।’ নৌকা মার্কার ‘ইমেজের’ কারণেই আগামী নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।
 
সাম্প্রতিক সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এগুলো ছিল মিউনিসিপ্যালিটি নির্বাচন। এখানে জাতীয় ইস্যুও কাজ করেছে।’ এ কথা সত্যি। তবে জাতীয় নির্বাচন একেবারেই ভিন্ন। সজীব বলেন, ‘নৌকার ব্র্যান্ড ইমেজ আছে। গ্রামের লোকজন নৌকাতেই ভোট দেবে।’
 
পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অপপ্রচার বড় ভূমিকা রেখেছে বলেও মনে করেন জয়। সাক্ষাৎকারে দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। জয় বলেন, ডেসটিনি কার্যক্রম শুরু করে বিএনপি সরকারের আমলে ২০০১ সালে। এই পুরো সময়টাতে তারা দুর্নীতি করে এসেছে। কিন্তু তাদের ধরা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারই তাদের ধরেছে, দুর্নীতি বন্ধ করেছে।
 
পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে জয় বলেন, পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি। অভিযোগ যেটা উঠেছে তা হলো, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ইচ্ছা ছিল। এ বিষয়ে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
 
আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেয়া হয়নি কেন এমন প্রশ্নের জবাবে জয় বলেন, তার বিরুদ্ধে এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যাতে মামলা করা যেতে পারে। একটি ডায়েরির কথা বলা হলেও তাতেও আবুল হোসেনকে নিয়ে কিছু পাওয়া যায়নি।
 
আগামী নির্বাচনের ইশতেহার নিয়ে জয় বলেন, ভিশন ২০১১-এর তিন ভাগের এক ভাগ কাজ আমরা এরই মধ্যে করে ফেলেছি। দারিদ্র্য ১০ ভাগ কমিয়েছি, তিনটি নতুন ফাইবার অপটিক ক্যাবল স্থাপন, উন্নত দেশের মতো ফ্লাইওভার, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিমান কিনেছি। হাতিরঝিলের মতো আধুনিক রাস্তা তৈরি করেছি। আগামীতে ক্ষমতায় গিয়ে মেগাপোর্ট করার কথাও বলেন তিনি।
 
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখেন। তিনি বলেন, এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে দুটি জিনিস জরুরি। এর একটি হচ্ছে বিদ্যুৎ এবং অন্যটি সংযোগ। তিনি বলেন, ডমেস্টিক নেটওয়ার্ক কো-অর্ডিনেশন কমিটি সংযোগ ক্ষেত্রের সীমা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কেননা, জনগণ এখন ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন সেবা লাভ করছে। সজীব ওয়াজেদ জয় যা বলেছেন, তা এই দেশের মানুষ কতোটা মানবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতেই পারে। মনে রাখা দরকার, দুর্নীতির পাল্লা ভারী হলে সকল অর্জনই ম্লান হয়ে যায়।
 
আমার কথা হচ্ছে, দেশের মানুষ যদি এতোটাই সন্তুষ্ট তা হলে নৌকার বড় বড় কাণ্ডারী ঐ পাঁচ মেয়র প্রার্থীর একজনের ওপরও আস্থা রাখলো না কেন?
 
বাংলাদেশে অন্ধকার ধেয়ে আসছে। অনেক অর্জনকে ধূলিস্যাৎ করে যদি এই সরকারকে বিদায় নিতে হয়, তবে কে কোথায় পালাবে তা নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে। দেশ জঙ্গিবাদীদের লীলাক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে। এমন সম্ভাবনার পরও যদি মানুষ ঐ বাংলা ভাই-শায়খ রহমানের পৃষ্ঠপোষকদেরকেই ভোট দেয়- তাহলে এর দায় কী মহাজোটের নেতাদের ওপরই বর্তাবে না?

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে