Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯ , ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৫-২৭-২০১৯

‘টানবাজার পতিতাপল্লি থেকে প্রতিদিন থানা পাইতো ৪৫ লাখ টাকা’

‘টানবাজার পতিতাপল্লি থেকে প্রতিদিন থানা পাইতো ৪৫ লাখ টাকা’

ঢাকা, ২৭ মে- টানবাজার পতিতাপল্লি থেকে প্রতিদিন থানা পাইতো ৪৫ লাখ টাকা দাবি করেছেন সাংসদ শামীম ওসমান।

সোমবার (২৭ মে) বিকেলে নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল (নম) পার্কে আওয়ামী লীগের ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই দাবি করেন তিনি।

শামীম ওসমান বলেন, ‘ওই নিষিদ্ধ পল্লিতে ১১ হাজার মেয়ে ছিল। যাদের বয়স ৯ থেকে ১১ বছরের নীচে। বাংলাদের অনেক বড় বড় লোক, যারা আজকে টেলিভিশন টকশোতে কথা বলেন বা বড় বড় পত্রিকার সাথে জড়িত সুশীল সমাজ। এখান থেকে ৩’শ করে মেয়ে নিত প্রতি মাসে। এই মেয়ে নিয়ে গিয়ে পুনর্বাসন দেখাতো। পুনর্বাসন দেখাইয়া পার হেড ৫০ হাজার করে টাকা নিত তখন। ৫ হাজার টাকা খরচা করতো এই ৩’শ মেয়েকে আবার নিয়া যাইতো নারায়ণগঞ্জে আইসা। স্মাগলিং ও ড্রাগ কন্ট্রোল হইতো এখানে। সমস্ত সন্ত্রাসীরা আইসা থাকতো এখানে।’

তিনি বলেন, ‘নিষিদ্ধ পল্লি যখন উঠানোর সিদ্ধান্ত নিলাম তখন ভাবলাম এর জন্য যদি এমপিগিরি ছাইরা দিতে হয় ছেড়ে দেব, বাট এটা আমি করবো। এই নিষিদ্ধ পল্লী উচ্ছেদ করতে যাবার পর ওই সুশীল সমাজ তথাকথিত এনজিওরা আমারে এমন কিছু খারাপ নাই যে বানায় নাই। তারপরও আমারে থামাইতে পারে নাই।’

শামীম ওসমান আরও দাবি করেন, ‘পবিত্র আজমীর শরিফের খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী রহমতউল্লাহ চিশতী দরবারের খাদেম সাহেবকে কন্ট্রাক করা হয়েছিল যে আমাকে প্রপোজাল দেয়ার জন্য। ওই সময় আমি যদি দুইদিন দেশের বাইরে থাকি তাহলে আমাকে ২০ কোটি টাকা দেয়া হবে। তখন খাদেম বলছিল এই সাহস নিয়া আজমীর শরীফে আইসো না। কলিম ভাই খাদেমের নাম। যাইহোক আল্লাহর হুকুমে আমরা সেটা করছি। আমরা রাজনীতি করি দোষে গুনে মানুষ। আল্লাহর নবী, আউলিয়ারা ছাড়া কেউ পারফেক্ট না।’

তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে অনেক ঘটনা ঘটে। চটকদার চটকদার ঘটনা ঘটে, চটকদার চটকদার কথা হয়। সব দেখতাছি বুঝতাছি। এই চটকদার খেলা যারা খেলে আমার মনে হয় তাদের উপর একটা আল্লাহর রহমত হইছে। কি রহমত? যে আল্লাহ মনে হয় আমাকে অনেক ধৈর্য দিয়া দিছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে মুল অশান্তি কারণ হচ্ছে ছোট ছোট কয়েকটা পত্রিকা। সেগুলি দেখা দরকার। সত্য কথা লেখেন। আমার বিরুদ্ধে লেখেন। যত ইচ্ছা লেখেন আমার কোনো আপত্তি নাই। বাট সত্য কথাটা লেখেন। কিন্তু অশান্তি সৃষ্টি করবেন না সমাজে। অশান্তি সৃষ্টি করলে নারায়ণগঞ্জের মানুষকে প্রোটেকশন দেয়ার দায়িত্ব আমার। আগে অন্যকিছুর উপর ভরসা করে চলতাম, কোমরে হাত দিতাম। এখন ভরসা করি একমাত্র আল্লাহর উপর। সাহায্য করার জন্য তিনিই যথেষ্ট। আমি ওই লড়াই করিনা যে আমার পিছে এক লাখ লোক আছে। আমি ওই লড়াকু ওই যোদ্ধা যে এক লাখ লোক মনে করবে আমার সামনে শামীম ওসমান আছে। এই সাহসে আমি লড়াই করবো। এবং এ লড়াই করবো নারায়ণগঞ্জের মানুষের জন্য। এ লড়াইটা হবে নারায়ণগঞ্জের মানুষের সবকিছু পাবার লড়াই।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই নারায়ণগঞ্জ আমাদের। সুতরাং নারায়ণগঞ্জটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে ঈদের পর ১৬ জুন থেকে সাবাইকে নিয়ে বসবো। ওইদিন এই কারণে বসব, কারণ এই ১৬ জুনে আমাদের আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলা হয়েছিল। ওই হামলায় আমাদের ২২ টি ছেলে মেয়ে প্রাণ হারিয়েছিল। আমার বন্ধু চন্দন শীলসহ অনেকে পঙ্গু হয়ে গেছে।’

সূত্র: বিডি২৪লাইভ
আর এস/ ২৭ মে

নারায়নগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে