Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৯ , ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৩-২০১৯

আমান গ্রুপের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ২ কর্মকর্তা আটক

আমান গ্রুপের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ২ কর্মকর্তা আটক

নারায়ণগঞ্জ, ২৪ মে- মেঘনা নদী ভরাট করে গড়ে তোলা আব্দুল আমান গ্রুপের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বিআইডব্লিউটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান চালায় বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ।

অভিযানে নদী ভরাট ও দখলের অভিযোগে আমান গ্রুপের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নাদিরুজ্জামান ও নির্বাহী পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) রবিউল হককে আটক করা হয়।

গত ২০ মে থেকে মেঘনার দখলদার উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান ও নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক গুলজার আলী।

বৃহস্পতিবার অভিযানে নদী দখল করে আমান গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আমান ইকোনোমিক জোনের নির্মাণাধীন শিল্প কারখানার প্রায় ১০০ ফুট প্রশস্ত ও ৬ হাজার বর্গফুট দৈর্ঘ্যের জায়গা দখলমুক্ত করা হয়।

এদিন ভেকু দিয়ে নদী খননকাজ শুরু করা হয়। পাশাপাশি নদী ভরাটের কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ বালু নিলামে তুলে ৯৬ লাখ ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। নদীর তীরে আমান গ্রুপের বাঁশের বেড়ার সীমানাও ভেঙে ফেলে বিআইডব্লিউটিএ।

অভিযানের সময় বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের উপ-পরিচালক মো. শহীদুল্লাহসহ টেকনিক্যাল বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক গুলজার আলী সাংবাদিকদের জানান, গত ১৭ মে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের কর্মকর্তাদের নিয়ে মেঘনা নদী পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি মেঘনা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, আমান ইকোনোমিক জোন, ইউনিক গ্রুপ, আল মোস্তফা গ্রুপের পলিমার ইন্ড্রাস্ট্রিজসহ বেশকিছু শিল্প প্রতিষ্ঠানের নদী দখলের প্রমাণ পান এবং তা উচ্ছেদে নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, ‘নদী দফতরের অনুমোদন থাকলেও আমান গ্রুপ সরকারি আদেশ অমান্য করে নদীর নির্ধারিত জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এতে নদীর বিরাট অংশ ভরাট হয়ে গেছে। অভিযানের চতুর্থ দিন এসে নদীর এই অংশ দখলমুক্ত করা হয়েছে।’

বসুন্ধরা গ্রুপ, মেঘনা ফ্রেশ গ্রুপসহ আরও বেশ কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের নদী দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে বলেও জানান গুলজার আলী।

বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নদীর নির্ধারিত সীমানার অভ্যন্তরে যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে স্থাপনা গড়েছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

মেঘনা নদীতে মোট ছয় দিন এই উচ্ছেদ অভিযান চলবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গতকাল বুধবার বৈদ্যেরবাজার এলাকায় জাহাজ নির্মাণ শিল্প সম্প্রসারণ করায় ইউনিক গ্রুপের প্রায় ৭ লাখ বর্গফুট ভরাট বালু জব্দ করে নিলামে তুলে ২৯ লাখ টাকায় বিক্রি করে বিআইডব্লিউটিএ।

সূত্র: পরিবর্তন

আর/০৮:১৪/২৪ মে

নারায়নগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে