Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৯ , ১২ আষাঢ় ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২২-২০১৯

আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী আটক

আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী আটক

নারায়ণগঞ্জ, ২২ মে- নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুরে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ জনের কাছ থেকে আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গা ঢাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কামাল হোসেন ও সায়মা আক্তার নামে এক দম্পতির বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাতে শহরের উত্তর খানপুর মেইন রোডে ওই দম্পতিকে দেখতে পেয়ে ভুক্তভোগীরা তাদের আটকে দেন। এ ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ গিয়ে কামাল ও সায়মা দম্পতিকে আটক করে থানায় নিয়ে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। শুনেছি, স্থানীয় জনগণ অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে আটকে রেখেছে। আমরা ফোর্স পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগীরা জানান, উত্তর খানপুর মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে কামাল হোসেন ও তার স্ত্রী সায়মা আক্তার মায়া তাদের তিন শতাংশের একটি জমির ওপর বহুতল ভবন নির্মাণ করবেন এবং ওই ভবনের ফ্ল্যাট নির্মাণের আগেই দলিল মূলে লিখে দিয়ে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে অন্তত আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ভবনের কাজ শুরু না করে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি তারা গা ঢাকা দেয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, মিলনের কাছ থেকে ২৬ লাখ ৫০ হাজার, সুমির কাছ থেকে ৫ লাখ, তার বোন রুমির কাছ থেকে ১২ লাখ, মনি বেগমের কাছ থেকে ৭ লাখ ৬০ হাজার, মিনা বেগমের কাছ থেকে ৫১ লাখ, শাহিদা আক্তারের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণ, পলির কাছ থেকে ২৫ লাখ, আজম খানের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকাসহ আরও কয়েকজনের কাছ থেকে মোট আড়াই কোটি টাকা কামাল হোসেন ও সায়মা আক্তার মায়া হাতিয়ে নেয় ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা বলে। এর মধ্যে কোনো কোনো ব্যক্তিকে তারা ফ্ল্যাটের জন্য দলিলও লিখে দেয়। আবার কারো কাছ থেকে লিখিত ছাড়াই টাকা নেয়।

ভুক্তভোগীদের একজন মণি বেগম জানান, কামাল হোসেন তার বাবার চাচাতো ভাই হন। তিনি ও তার স্ত্রী সায়মা আক্তার মায়া আত্মীয়-স্বজনদেরকে ফ্ল্যাট লিখে দেওয়ার কথা বলে গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে কয়েক মেয়াদে টাকা নেয়। এর মধ্যে আমার কাকার কাছ থেকে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেয়। কথা ছিল ফ্ল্যাট লিখে দিবে। আমি এখানে ভাড়া থাকি। তাই একটি ফ্ল্যাট কিনবো ভেবে ধার-দেনা করে আমিও টাকা দেই। বড় কথা হচ্ছে তারা আমাদের আত্মীয় হন তাই বিশ্বাস করি। কিন্তু আমাদের অনেকের কাছ থেকে এভাবে টাকা নিয়ে জানুয়ারি মাসের ২৭ কি ২৮ তারিখে তারা দুইজন গা ঢাকা দেয়।

এদিকে, অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রী তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন।

তারা জানিয়েছেন, আমরা টাকা নিয়েছি। ভবনের কাজও শুরু করছি। পাইলিং করেছি। কিন্তু ব্যবসায় মার খাওয়াতে বাকি কাজ ধরতে পারিনি।

অভিযুক্ত সায়মা আক্তার মায়া টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা লাভে টাকা নিছি। বিনিময়ে সবাইকে চেক দিছি। চেকে টাকাও ফেরৎ দিমু। যার কাছ থেকে যত নিছি তা চেকে লেখা আছে।

সূত্র: পরিবর্তন

আর/০৮:১৪/২২ মে

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে