Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯ , ১১ আষাঢ় ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-১৮-২০১৯

ঢাকায় অজ্ঞান পার্টির ভয়ঙ্কর কৌশল

ঢাকায় অজ্ঞান পার্টির ভয়ঙ্কর কৌশল

ঢাকা, ১৯ মে- স্নায়ুর চাপ কমানো, অনিদ্রাসহ নানা সমস্যায় ব্যবহৃত চেতনাশক ট্যাবলেট সংগ্রহ করা হয় অবৈধ উপায়ে। তারপর সেগুলোকে গুড়ো করে মিশিয়ে দেয়া হয় খেজুরের সঙ্গে। চেতনানাশক ওষুধের সঙ্গে কাগজ পোড়ানো ছাই মিশিয়ে তৈরি করা বিশেষ এক ধরনের হালুয়া। খুব সাধারণ এই কৌশলেই অজ্ঞান করে সব কেড়ে নিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে অজ্ঞানপার্টির এরকম ৬২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার জানান, ঈদের আগে এসব চক্রের তৎপরতা বাড়বে এমন তথ্য পেয়েছেন তারা। যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা মামলা করতে আগ্রহী না হওয়ায় এরা বার বার জামিনে বের হয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সন্দেহ এড়াতে ওষুধের দোকান থেকে একটি দুটি করে ট্যাবলেট সংগ্রহ করেন তারা। তারপর নেমে পড়েন কাজে। এ ক্ষেত্রে একজন থাকে মহাজন, যে সব খরচ ও দায় দায়িত্ব বহন করে। যিনি টার্গেট ঠিক করেন তাকে বলা হয় মাস্টার। আর মানুষকে প্ররোচিত করে খেজুর কিংবা হালুয়া খাওয়ায় যে তাকে বলা হয় কারিগর। ভিড়ের মাঝে আড়াল তৈরির দায়িত্ব পালনকারীকে বলা হয় নলা। খেজুরের ভেতরে ওষুধের গুড়ো ভরে একজনের কাছে রাখা হয়। তারপর মহাজন বলে দেয় একজনকে টার্গেট করে তার পিছু নিতে, সে যে গাড়িতে উঠবে সেই গাড়িতেই তারা উঠে। এরা অনেক সময় অজ্ঞান করে সব কেড়ে নিয়েই ক্ষান্ত হয় না, ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণও আদায় করে থাকে।

গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মাহবুবুর রহমান বলেন, এ মামলাগুলো প্রমাণ করা অনেক কঠিন হয়ে যায়। যারা আক্রমণের শিকার হয়, যারা যাত্রী তারাই এ মামলার মূল সাক্ষী। তারা সাক্ষ্য দিলেই সেই মামলায় তাদের শাস্তি হয়।

আর/০৮:১৪/১৯ মে

অপরাধ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে