Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ , ১ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-১৮-২০১৯

ঘরে বসে ক্লিক করলেই ঈদের টিকিট

ঘরে বসে ক্লিক করলেই ঈদের টিকিট

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। নাড়ির টানে পরিবার নিয়ে দেশের বাড়ি যাবেন অনেকেই। কিন্তু তার আগে নামতে হবে টিকিট সংগ্রহের লড়াইয়ে। লাইনে না দাঁড়িয়েও কয়েক ক্লিকেই ঘরে বসে কেনা যায় বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও বিমানের টিকিট। কিভাবে? জানাচ্ছেন তুসিন আহম্মেদ

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে : বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট http://www.esheba.cnsbd.com-এ ঢুকতে হবে। ঢুকলেই একটি পেজে দুটি অপশন থাকবে—একটি সাইন ইন, অন্যটি সাইন আপ। যাঁদের আইডি খোলা আছে তাঁরা ই-মেইল, পাসওয়ার্ড, সিকিউরিটি কোড দিয়ে সাইন ইন করে আইডিতে ঢুকবেন। যাঁদের আইডি খোলা নেই, তাঁদের নতুন আইডি খুলতে সাইন আপে ক্লিক করে নিবন্ধন করে নিতে হবে।

ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কাটতে চাইলে ‘Purchase Ticket’ অপশনে ক্লিক করুন। ক্লিক করলে একটি পেজে ঢুকবেন। সেখানে ‘Station from’ এবং ‘Station to’ বাছাই করবেন। ভ্রমণের দিনক্ষণ বাছাই করবেন। এবার ক্লাস বাটনে ক্লিক করবেন। আপনার যে ধরনের টিকিট দরকার, সেটা বাছাই করবেন। সব শেষে ‘search train’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

ট্রেন বাছাইকরণ : আপনি যে তারিখে যে রুটে বাছাই করেছেন, সেই রুটে এক বা একাধিক ট্রেন আছে। কোনটা কখন ছাড়বে, সব দেখা যাবে ওয়েবসাইটে। এখন যে ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান, সেটার অপশনে কতজন প্রাপ্তবয়স্ক, কতজন বাচ্চা—এসব বাছাই করবেন। সর্বোচ্চ চারজন বাছাই করতে পারবেন। প্রাপ্তবয়স্ক, বাচ্চাসহ মোট চারজনের বেশি টিকিট আপনাকে দেওয়া হবে না।

টিকিট বাছাইকরণ : এবার আসা যাক টিকিট বাছাইকরণে। এতে দুটি অপশন থাকবে : ‘Auto Selection’ ও ‘Seat Selection’। যদি অটো সিলেকশন সিলেক্ট করেন, সার্ভার কম্পিউটারে যেসব টিকিট পাওয়া যাবে, সেখান থেকে যেকোনো আসন দিয়ে দেবে। কিন্তু সিট সিলেকশনে ক্লিক করলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী আসন বেছে নিতে পারবেন।

আসন বাছাইকরণ : সিট সিলেকশনে ক্লিক করলে আপনাকে নির্ধারণ করা বগির বা বগিগুলোর আসন পরিকল্পনা দেখাবে। যেসব আসন কালো দেখবেন, সেগুলো কাউন্টারের জন্য নির্ধারিত। যেসব আসন লাল ও সবুজ, সেগুলো অনলাইনের জন্য। লাল মানে এসব আসন এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে, সবুজগুলো এখনো কেনা যাবে। এসব থেকে আপনার পছন্দমতো আসন বা আসনগুলো বাছাই করবেন। বাছাই করলে পাশের ছোট্ট ট্যাবে আপনার আসনগুলোর নম্বর, ভাড়া, ভ্যাট, সার্ভিস চার্জসহ মোট ভাড়া দেখাবে। এরপর আপনার লিঙ্গ (পুরুষ বা নারী), বয়স—এগুলো সিলেক্ট বা পূরণ করবেন। অটো সিলেকশন করলে তারাই আপনাকে দেখাবে কয়টি আসন আছে, ভাড়া কত। তবে কোন বগি, কোন আসন—এসব দেখাবে না। এরপর লিঙ্গ, বয়স সিলেক্ট বা বাছাই করুন। ভ্রমণের ১০ দিন আগে থেকে ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আসন বাছাই করতে পারবেন। ভ্রমণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভ্রমণের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত সিট সিলেকশন বা বাছাইকরণ অপশন থাকবে না। তখন আপনাকে অটো সিলেকশনে যেতে হবে।

টিকিট কাটার সময় : টিকিট কেনার সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা। রাত ১০টার পর টিকিট কাটার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হবেন।

পেমেন্ট : টিকিটের বিল মেটাতে পারবেন ভিসা, মাস্টারকার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস, ডিবিবিএল নেক্সাস, ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং থেকে। যেটা দিয়ে ভাড়া মেটাবেন, সেটাতে ক্লিক করবেন। একবার টিকিট কাটলে আগামী সাত দিন একই কার্ড থেকে টিকিট কাটতে পারবেন না। যদি কাটেন তাহলে আপনার টাকা কেটে রেখে দেবে, কিন্তু কোনো টিকিট দেবে না।

এরপর ই-মেইলে ঢুকলে বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে একটি মেইল আসবে। সঙ্গে একটি পিডিএফ ফাইল থাকবে। এখানে ডাউনলোড প্রিন্ট আউট অপশন আছে। পছন্দমতো পিডিএফ ডাউনলোড বা প্রিন্ট আউট করুন। যদি কাউন্টার থেকে টিকিটের হার্ডকপি নিতে চান তাহলে মোবাইল নম্বর এবং টিকিটের পিন নম্বর একটা কাগজে লিখে কাউন্টারে দিন, তারা আপনাকে টিকিট দেবে।

যাঁর নামে আইডি খোলা হয়েছে, টিকিটও তাঁর নামেই হবে। যদি তিনি ভ্রমণ করেন, তাহলে শুধু পিডিএফের প্রিন্ট কপি নিয়েই ভ্রমণ করতে পারবেন, কাউন্টার থেকে টিকিট তোলা লাগবে না। কিন্তু অন্য কেউ এই পিডিএফ দিয়ে ভ্রমণ করতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে তাঁকে কাউন্টার থেকে টিকিট তুলতে হবে।

অ্যাপেও কাটা যাবে ট্রেনের টিকিট : অবশেষে নিজেদের মোবাইল অ্যাপ এনেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ওয়ান স্টপ মোবাইল অ্যাপ ‘রেলসেবা’। প্রথমে এই ঠিকানা https://play.google.com/store/apps/details?id=com.cnsbd.railsheba থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। আপাতত শুধু অ্যানড্রয়েড সংস্করণে রয়েছে অ্যাপটি। তবে কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আইওএস সংস্করণও আনা হবে শিগগিরই। অ্যাপটি ডাউনলোডের পর ইনস্টল করে চালু করলে লগইন অপশন দেখা যাবে। যদি রেলসেবা অ্যাপে আপনি নিবন্ধন করে থাকেন তাহলে ফোন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। আর আগেই যদি আপনি বাংলাদেশ রেলের ই-সেবা ওয়েবসাইট নিবন্ধন করে থাকেন তাহলে সেই আইডি ব্যবহার করে লগইন করতে পারবেন। আর যদি অ্যাপটি নিবন্ধন না করে থাকেন তাহলে নতুন করে সাইন আপ বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর নতুন একটি পেজ চালু হবে। সেখানে নাম, ফোন নম্বর, আইডির পাসওয়ার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। তারপর আপনার ফোনে একটি কোড যাবে। সেই কোডটি অ্যাপে সাবমিট করলেই আইডিটি তৈরি হয়ে যাবে।

যেভাবে কিনবেন টিকিট : প্রথমে অ্যাপের ‘purchase’ অপশনে যেতে হবে। তারপর ‘from station’ অপশনে ক্লিক করে ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে কোন স্টেশন থেকে যাবেন নির্ধারণ করতে হবে। যদি স্টেশন না থাকে তাহলে সার্চ বাটন থেকে কিওয়ার্ড লিখে স্টেশন খুঁজে পাওয়া যাবে। একই পদ্ধতিতে কোথায় যাবেন তা নির্ধারণ করতে হবে ‘to station’ অপশন থেকে। এরপর ‘journey date’ থেকে কোন তারিখ যাবেন নির্ধারণ করে ‘search train’ বাটন চাপতে হবে। তাহলে ট্রেনের তালিকা পাওয়া যাবে। সেখান থেকে যে ট্রেনের টিকিট কাটা যাবে দেখা যাবে। সেখানে ‘select class’ অপশনে ক্লিক করে কোন ধরনের আসন নেবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। তারপর ‘adult’ ও ‘child’ অপশন থেকে টিকিটের ধরন ও সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। তারপর ‘select seat’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর আসন নির্বাচন করতে হবে। তারপর নতুন একটি পেজে টিকিটের সম্পর্কে বিস্তারিত দেখা যাবে। সেখান থেকে ‘pay now’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে অনলাইনের পেমেন্ট অপশনগুলো দেখা যাবে। ভিসা, মাস্টারকার্ড, এমেক্স কার্ড এবং বিকাশের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা যাবে। ফিরতি মেইল ও এসএমএসে টিকিট কনফারমেশন পাবেন গ্রাহকরা।

বাসের টিকিট
বিডিটিকেটস ডটকম : অনলাইনে অনেক মাধ্যমে বাসের টিকিট কাটা যায়। এর মধ্যে একটি ‘বিডিটিকেটস ডটকম’ (https://bdtickets.com)। এখান থেকে দেশের ৬০০টিরও বেশিসংখ্যক রুটে চলাচলকারী শীর্ষস্থানীয় ২০টিরও বেশি বাস সার্ভিসের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।

রুট বাছাই করার পরই সেই রুটে চলাচলকারী সব বাসের তালিকা চলে আসবে। তারপর গ্রাহক তাঁর ভ্রমণের তারিখ, যাত্রাস্থল ও গন্তব্যস্থল এবং ভ্রমণের জন্য বাস সার্ভিস বাছাই করার পর টিকিটের ভাড়া ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড অথবা বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। টিকিট কিনতে ব্যবহার করা যাবে ভিসা, মাস্টারকার্ড, বিকাশ, ডিবিবিএল, শিওর ক্যাশ, ব্র্যাক ব্যাংক, রকেট, আমেরিকান এক্সপ্রেস, আইপে, ইউপে।

টিকিট কেনা নিশ্চিত হয়ে গেলে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএসে যাবতীয় তথ্যসহ টিকিটের রেফারেন্স নাম্বার পৌঁছে যাবে এবং গ্রাহক সেই এসএমএসটি দেখিয়েই তাঁর যাত্রা শুরু করতে পারবেন।

কোনো গ্রাহক টিকিট বাতিল করতে চাইলে পোর্টালে থাকা ‘ক্যান্সেলেশন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। সহজ একটি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় টিকিট কেনার সময় প্রাপ্ত টিকিটের নম্বর এবং পিন নম্বর দিয়ে টিকিট বাতিল করা যাবে।

সহজ ডটকম : অনলাইনে বাসের টিকিট কেনার আরেকটি বিশ্বস্ত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সহজ ডটকম। এখান থেকে বাসের টিকিট কিনতে প্রথমে https://www.shohoz.com লিংকে যেতে হবে। তারপর হোম পেজের নিচের দিকে ‘buy bus tickets’ অপশনে যেতে হবে। সেখান থেকে ‘from’ অপশনে কোথা থেকে যাবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। তারপর ‘to’ অপশনে কোথায় যাবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। তারপর তারিখ নির্ধারণ করে ‘search buses’ অপশনে ক্লিক করলে কোন কোন বাসে আসন পাওয়া যাবে প্রদর্শিত হবে। সেখান থেকে পছন্দমতো বাস নির্ধারণ করতে হবে। তারপর ‘view seats’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে পছন্দসই আসন নির্বাচন করতে হবে।  ‘choose boarding point’ নির্বাচন করে ‘continue’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নতুন একটি পেজ চালু হবে। সেখানে যাত্রীর নাম ও তথ্য দিতে হবে। সেখানে কত টাকা বিল হয়েছে তা-ও দেখা যাবে। ‘confirm reservation’ অপশনে ক্লিক করে বিল পরিশোধ করতে হবে। টিকিট কেনা নিশ্চিত হয়ে গেলে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে একটি নিশ্চিতকরণ এসএমএসে যাবতীয় তথ্যসহ টিকিটের রেফারেন্স নম্বর পৌঁছে যাবে এবং গ্রাহক সেই এসএমএসটি দেখিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু করতে পারবেন।

এ ছাড়া সহজ ডটকমের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও টিকিট কেনা যাবে। এর জন্য এই ঠিকানা https://play.google.com/store/apps/details?id=com.shohoz.rides থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। তারপর  অ্যাপটি চালু করে অ্যাপে থাকা ‘bus’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর অনলাইনে টিকিট কেনার মতোই কিনে ফেলা যাবে বাসের টিকিট।

টিকিট কিনতে ব্যবহার করতে পারেন ভিসা, মাস্টারকার্ড, বিকাশ, ব্যাংক এশিয়া, মাই ক্যাশ, ব্র্যাক ব্যাংক, এমটিবি, আমেরিকান এক্সপ্রেস, নেক্সাস।

বিমানের টিকিট
ঈদে সড়কপথের যানজট এড়াতে এবং সময় বাঁচাতে অনেকেই যাতায়াতের জন্য আকাশপথ বেছে নেবেন। অভ্যন্তরীণ রুটে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী পরিবহন করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, নভো এয়ার ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ। চাইলে অনলাইনেই টিকিট কেটে ফেলতে পারবেন বিমানের।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস : রাষ্ট্রীয় আকাশসেবা সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিট কাটতে প্রথমে এই ঠিকানায় যেতে হবে@www.biman-airlines.com। ওয়েবসাইটের বাঁ দিকে লাল অক্ষরে ‘বুক মাই ফ্লাইট’ চোখে পড়বে। এর নিচে দেখবেন রাউন্ড ট্রিপ (যাওয়া-আসা), ওয়ান ওয়ে (যাওয়া) ও মাল্টি সিটি (একটি গন্তব্যে গিয়ে আরেক গন্তব্য থেকে ফেরা)। পছন্দমতো এর যেকোনো একটিতে ক্লিক করতে হবে।

এরপর বড় করে সবুজ অক্ষরে ‘ফ্রম টু’ লেখার পাশে ‘ডিপারচার সিটি’তে ক্লিক করে যাত্রার শুরু স্থানে ক্লিক করুন। ‘অ্যারাইভাল সিটি’তে উল্লেখ করুন গন্তব্য। এর নিচে ‘ডিপার্টিং অন’ অপশনে ক্লিক করে যাত্রার তারিখ দিন। ‘রিটার্নিং অন’-এ ফেরার তারিখ জানান। তারপর কতজন যাত্রী যাবে নির্ধারণ করতে হবে।

এরপর বিজনেস ক্লাস, ইকোনমি, নাকি প্রিমিয়াম ইকোনমিতে যাবেন নির্ধারণ করতে হবে। নতুন একটি পেজ চালু হবে। সেখান থেকে রাউন্ড ট্রিপ (যাওয়া-আসা), ওয়ান ওয়ে (যাওয়া) ও মাল্টি সিটি (একটি গন্তব্যে গিয়ে আরেক গন্তব্য থেকে ফেরা) যেকোনো একটিতে ক্লিক করে পরিবর্তন করা যাবে। এবার ‘কন্টিনিউ’ লেখায় ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ আসবে। এতে ভ্রমণের দিনক্ষণ, টিকিটের মূল্য, ফ্লাইট নম্বর ও শর্তাবলি পাবেন। এগুলো নিয়ে সম্মতি থাকলে কালো অক্ষরে লেখা ‘i agree to the above terms and conditions’-এর পাশের ফাঁকা ঘরে ক্লিক করলে টিকচিহ্ন দেখা যাবে। এর নিচে টিকিটের মোট মূল্য আবারও দেওয়া হবে। ফ্লাইট পরিবর্তন করতে হলে বাঁ পাশে ‘চেঞ্জ ফ্লাইট’-এ ক্লিক করতে হবে। আর সব ঠিক থাকলে ডান পাশে ‘কন্টিনিউ’তে ক্লিক করুন। এরপর আরেকটি পেজ চালু হবে। সেখানে যাত্রীর নাম, মেইল, ফোন নম্বর, ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন হলে তা মোবাইল ফোন বা ই-মেইল কিংবা উভয় মাধ্যমে পেতে হলে ‘notify me to fly time changes vai’ লেখার পাশের শূন্য ঘরে টিকচিহ্ন দিন। এবার ডান পাশে ‘মেক রিজারভেশন’ লেখায় ক্লিক করুন। রিজারভেশন হয়ে যাওয়ার পর পেজে ইংরেজিতে বুকিং শব্দটির পাশে ইংরেজি বর্ণ ও সংখ্যাসহ একটি পিএনআর নম্বর পাবেন। এই অংশটি প্রিন্ট করতে ‘প্রিন্ট রিজারভেশন’ লেখায় ক্লিক করুন। ই-মেইলে নিয়ে রাখতে চাইলে ‘সেন্ড ভায়া ই-মেইল’।

টিকিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেছে নিন ‘কমপ্লিট পারচেজ’। এতে ক্লিক করলে দেখবেন টিকিটের পুরো দাম। এবার পে বাই ক্রেডিট/ডেবিট/মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অপশনে ক্লিক করুন। এবার পিএনআর নম্বর আবার উল্লেখ করে দেওয়া হবে আপনাকে। এরপর কোন ধরনের কার্ডে টাকা দেবেন নির্বাচন করুন। এই পেজে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডে টাকা দেওয়ার শর্তাবলি রয়েছে। এগুলো মেনে থাকলে তিনটি ফাঁকা ঘরে টিকচিহ্ন দিন। এরপর কার্ড ব্যবহারকারীর নাম, কার্ডের ধরন, কার্ড নম্বর, মেয়াদের তারিখ, সিভিসি কোডসহ সব তথ্য দিয়ে সাবমিট দিলেই পেমেন্ট হয়ে যাবে। তারপর যাত্রীর ই-মেইলে চলে আসবে টিকিটের কপি।

ইউএস-বাংলা : বেসরকারি আকাশসেবা সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের টিকিট কাটতে এই ঠিকানায় যেতে হবে—www.flyusbair.com। তারপর ওয়েবসাইটের ওপরে দেখা যাবে রিটার্ন, ওয়ান ওয়ে ও মাল্টি সিটি (একটি গন্তব্যে গিয়ে আরেক গন্তব্য থেকে ফেরা)। আপনার সুবিধামতো এর যেকোনো একটিতে ক্লিক করতে হবে। এরপর ‘ডিপারচার সিটি’তে যাত্রার স্থানে ক্লিক করুন। ‘অ্যারাইভাল সিটি’তে উল্লেখ করুন গন্তব্য। এরপর যাত্রা ও ফেরার তারিখ জানান। যাত্রীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। নতুন পেজ আসবে, সেখানে দিনক্ষণ অনুযায়ী ক্লাস নির্ধারণ করতে হবে। তারপর ডান পাশে সবুজ ব্যাকগ্রাউন্ডে উল্লেখ থাকবে টিকিটের মোট মূল্য। এবার ‘আই অ্যাকসেপ্ট দ্য জেনারেল টার্মস অব সেল’ লেখার পাশের ফাঁকা ঘরে টিকচিহ্ন দিন। তারপর ‘বুক অ্যাজ আ গেস্ট’ লেখায় ক্লিক করুন। আর যদি ফ্লাইট নির্বাচন বদলাতে চান তাহলে ওপরে ‘চেঞ্জ সিলেকশন’ বেছে নিতে হবে। এরপর যাত্রীর নাম, ফোন নম্বর বা      ই-মেইল আইডি দিতে হবে। তারপর ডান পাশে টিকিটের দামের নিচে ‘বুক’ লেখায় ক্লিক করুন। রিজারভেশন হয়ে যাওয়ার পেজে ইংরেজিতে বুকিং শব্দটির পাশে ইংরেজি বর্ণ ও সংখ্যাসহ একটি পিএনআর নম্বর পাবেন। যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করতে হলে ‘মোডিফাই প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন’, ফ্লাইট বদলাতে ‘চেঞ্জ ফ্লাইট’ এবং আগের পেজে যেতে ক্লিক করুন ‘ব্যাক টু মাই ট্রিপস’। টিকিট কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেছে নিন টিকিটের মূল্যের নিচে থাকা ‘পে অনলাইন’। এতে ক্লিক করলে নতুন পেজ আসবে। এরপর কার্ড নম্বর, মেয়াদের তারিখ, সিভিসি কোড ও কার্ড ব্যবহারকারীর নামসহ সব তথ্য দিয়ে ‘পে নাউ’ লেখায় ক্লিক করলেই পেমেন্ট হয়ে যাবে। এরপর কেনা টিকিটের বিস্তারিত তথ্য মিলবে ই-মেইলে। রিজেন্ট এয়ারওয়েজ (http://www.flyregent.com) এবং নভো এয়ারের (http://www.flynovoair.com) ওয়েবসাইট থেকেও প্রায় একই নিয়মে টিকিট কাটা যাবে।

লঞ্চের টিকিট
ঈদে অনেকেই লঞ্চে ঘরে ফিরবেন। এর জন্য এবার ঈদের টিকিটের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লঞ্চঘাটে অপেক্ষা করতে হবে না। সহজ ডটকমে পাওয়া যাবে লঞ্চের টিকিট। এর জন্য প্রথমে এই ঠিকানায় যেতে হবে— https://www.shohoz.com। তারপর হোম পেজের ওপরে থাকা ‘launch’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর ঠিক বাসের টিকিট কেনার মতোই যাওয়া-আসার সময়, যাত্রীসংখ্যা এবং লঞ্চ নির্ধারণ করে সহজ ডটকম থেকে টিকিট কেনা যাবে। অ্যাপেও এই সুবিধা পাওয়া যাবে। এ ছাড়া বিডিটিকেটস ডটকমেও (https://bdtickets.com) লঞ্চের টিকিট কাটা যাবে।

লঞ্চের টিকিট কেনা যাবে ভিসা, মাস্টারকার্ড, বিকাশ, ব্যাংক এশিয়া, মাই ক্যাশ, ব্র্যাক ব্যাংক, এমটিবি, আমেরিকান এক্সপ্রেস, নেক্সাস ব্যবহার করে।

আর/০৮:১৪/১৮ মে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে