Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-১৩-২০১৯

শ্রীলঙ্কায় বাড়ছে কট্টর ইসলামও, সতর্ক প্রশাসন

শ্রীলঙ্কায় বাড়ছে কট্টর ইসলামও, সতর্ক প্রশাসন

কলম্বো, ১৩ মে- কট্টরপন্থী ইসলামি ভাবধারা যে তলে তলে এতদূর জাল ছড়িয়েছে, তা ইস্টারের রক্তপাতের আগে টের পায়নি শ্রীলঙ্কা। সেই জালেরই এক বড় মাথা রবিবার ধরা পড়ল বলে মনে করছে প্রশাসন। ধৃতের নাম মহম্মদ আলিয়ার।

বয়স ৬০। পুলিশি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের মূল চক্রী জাহরান হাশিমের সঙ্গে রীতিমত যোগাযোগ ছিল আলিয়ারের। শুধু তা-ই নয়, যে আত্মঘাতী জঙ্গিরা ইস্টারের দিন হামলা চালিয়েছিল, পুলিশের দাবি তাদের প্রশিক্ষণের কাজেও যুক্ত ছিল সৌদি আরবে পড়াশোনা করা ও চরম কট্টরপন্থী ‘সালাফি ওয়াহাবিজম’ ভাবধারায় বিশ্বাসী ওই স্কলার। 

রবিবার এ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন পেশ করেছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স। তবে আলিয়ারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। গত শুক্রবার পুলিশ যে বিবৃতি দিয়েছিল তা থেকে জানা যায়, ‘শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ প্রান্তের হাম্বানটোটা শহরেই আত্মঘাতী জঙ্গিদের প্রশিক্ষণে’ সাহায্য করেছিল আলিয়ার।

নাম জানাতে অনিচ্ছুক কাট্টানকুড়ির দুই বাসিন্দার অবশ্য দাবি, জাহরানের কট্টরপন্থী হয়ে ওঠার পিছনেও সবিশেষ ‘ভূমিকা’ রয়েছে আলিয়ারের। তার তৈরি ‘সেন্টার ফর ইসলামিক গাইডেন্স’-এর লাইব্রেরিতেই চরমপন্থী সালাফি-ওয়াহাবি বইপত্র পড়ার সুযোগ পেয়েছিল জাহরান। তখন থেকেই সে প্রচার করতে শুরু করে, সাহায্যের জন্য ঈশ্বর-ভজনা মোটেও শুদ্ধ ইসলামের পথ নয়।

সূত্রের দাবি, ‘২০১৬ সালের আগে এ ধরনের ভাবনাচিন্তা শ্রীলঙ্কায় ছিল না যদি না কেউ সালাফি পুঁথিপত্র থেকে সেগুলি পড়তে শুরু করে।’ 

‘সালাফিজম’ ইসলামের চরম আত্মনিয়ন্ত্রণের উপর জোর দেয়। এর সঙ্গে ‘ওয়াহাবিজম’-এর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। গোটা দুনিয়ায় এই শাখা কটরপন্থী ইসলাম ধর্ম হিসেবেই পরিচিত যার আঁতুরঘর সৌদি আরব। সেখানেরই সৌদ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক হওয়ার এক বছর পর ১৯৯০ সালে কাট্টানকুড়িতে ওই সেন্টার তৈরি করে আলিয়ার। তার পর থেকেই ওই শহরে সালাফি-ওয়াহাবিজম ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। সৌদি ও কুয়েতের বাসিন্দাদের অনুদানে পরিচালিত ওই সেন্টারেই আত্মপ্রশিক্ষণ নিয়েছিল জাহরান।

কিন্তু ওই সেন্টারের বোর্ডের তিন সদস্য যখন আঁচ করতে শুরু করেন যে জাহরান ভবিষ্যতে সমস্যা তৈরি করতে পারে, তখনই তাঁরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন। তবে সে-ও প্রায় দশক আগের কথা। 

সে দিনের সেই আশঙ্কা যে কী পরিণতি ডেকে আনতে পারে, তার প্রমাণ বিস্ফোরণ।

সূত্র: এই সময়
এমএ/ ০২:২২/ ১৩ মে

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে