Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-০৪-২০১৯

বাগেরহাটে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া শুরু

বাগেরহাটে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া শুরু

বাগেরহাট, ০৪ মে- বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া বইছে। শুক্রবার গভীর রাত থেকে ভারী বর্ষণের সাথে দমকা হাওয়ার পর শনিবার ভোর থেকেই এই অবস্থা বিরাজ করছে।

তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাতাসের তীব্রতা বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তবে এ পর্যন্ত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ফণী আজ সকালের মধ্যে যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ভোর তিনটার দিকে এতথ্য জানানো হয়।

এদিন ভোর ৬টার দিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া ৪২ নম্বর বুলেটিনে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালের দিকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সাতক্ষীরা-যশোর-খুলনা অঞ্চল এলাকায় আঘাত হানতে ঘূর্ণঝড় ফণী।

অধিদফতরের পরিচালকের পক্ষ থেকে আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের দেয়া তথ্য মতে, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাংলাদেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অনেক স্থানে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, মোংলা ও পায়রা সমুদবন্দরসমূহকে ৭ নম্বর পুনঃ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত (পুনঃ) ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর পুনঃ ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেত (পুনঃ) ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত (পুনঃ) ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২-৪ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

বুলেটিনে আরও বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার ওড়িশায় তাণ্ডব চালিয়ে ১০০ কিলোমিটার গতিতে ঘূর্ণিঝড় ফণী প্রবেশ করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত দুইটায় খড়গপুর হয়ে হুগলি জেলায় প্রবেশ করে ফণী।

এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় আবহাওয়া অধিদফতরে এক ব্রিফিংয়ে আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করবে। দেশে ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা থাকতে পারে এটি।

আর/০৮:১৪/০৪ মে

বাগেরহাট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে