Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-২৩-২০১৯

ইরান থেকে তেল কিনলে আর কাউকে ছাড় নয়: যুক্তরাষ্ট্র

ইরান থেকে তেল কিনলে আর কাউকে ছাড় নয়: যুক্তরাষ্ট্র

ওয়াশিংটন, ২৩ এপ্রিল- যুক্তরাষ্ট্র সোমবার বলেছে, ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্রও যদি ইরান থেকে তেল আমদানি করে, নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে। ইরানের প্রতি এই আগ্রাসী মনোভাবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে তুরস্ক মার্কিন দাবি অগ্রাহ্য করবে বলে জোর দিয়ে জানিয়েছে।

মার্কিন এ কঠিন পদক্ষেপের কারণে বিশ্বে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, বাজারে ইরানি তেল কমে গেলে সৌদি আরব সেই ঘাটতি পূরণ করবে।

ইরানের তেল রফতানি কমিয়ে শূন্যে নামিয়ে আনার চেষ্টার অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের রাজস্ব আয়ের শীর্ষ মাধ্যমটিকে লক্ষ্য বানিয়েছে। কাজেই মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির প্রভাব কমিয়ে আনতে ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করতে এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

হোয়াইট হাউসের ঘোষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অস্থিতিশীল তৎপরতার অবসানে ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন ও তার মিত্ররা অনড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত বছর ইরানের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা জারি করলে প্রাথমিকভাবে আট দেশকে ছয় মাসের জন্য দেশটি থেকে তেল কেনায় ছাড় দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানি তেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতাদের একটি হচ্ছে ভারত। ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। কিন্তু ইরানকে হুমকি বলে যে দাবি যুক্তরাষ্ট্র করছে, তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছে ভারত।

পাকিস্তানকে পাশ কাটাতে ইরানে সমুদ্রবন্দর নির্মাণে কাজ করছে ভারত। কাজেই একটি সূত্র জানায়, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের জটিলতা পর্যালোচনা করে দেখছে ভারত।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে চীন ও তুরস্ক। কাজেই ইরানি তেল কেনায় নিষেধাজ্ঞায় যুক্তরাষ্ট্র অটল থাকলে এ দুই দেশের সঙ্গে ওয়াশিংটনের নতুন বিতর্ক তৈরি হবে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসগলু বলেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমরা কীভাবে সম্পর্ক স্থাপন করব, তা নিয়ে কোনো একতরফা নিষেধাজ্ঞাকে আমরা গ্রাহ্য করব না। মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও জোর দিয়ে বলেছেন, আগামী ২ মের পর যেসব দেশ ইরান থেকে তেল কিনবে, তাদের শাস্তি পেতে হবে। তবে কীভাবে সাজা দেয়া হবে, তা উল্লেখ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলছি- যদি আপনি এ নীতি অমান্য করেন, তবে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে। আমরা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাব।

এ ছাড়া গ্রিস, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানও ইরান থেকে তেল ক্রয় কমিয়ে দিয়েছে। আর দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনায় বসবেন। সর্বশেষ সময়সীমা নিয়ে সর্বোচ্চ কাজ করার চেষ্টা করবেন।

ইরান থেকে তেল ক্রয় করা হলে কাউকে ছাড়া দেয়া হবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর রাতের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।

সূত্র: যুগান্তর
আর এস/ ২৩ এপ্রিল

উত্তর আমেরিকা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে