Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯ , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-২২-২০১৯

শ্রীলঙ্কায় হামলাকে যুক্তি দেখিয়ে ভোট চাইলেন মোদি!

শ্রীলঙ্কায় হামলাকে যুক্তি দেখিয়ে ভোট চাইলেন মোদি!

নয়াদিল্লি, ২২ এপ্রিল- বোমায় বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা। ভারতে ভোট চাইলেন নরেন্দ্র মোদি। রোববার ভারতের এই প্রধানমন্ত্রীর তিনটি জনসভা ছিল। প্রথমটি নিজ-রাজ্য গুজরাটের পাটানে। যেখানে তার দল বিজেপি কঠিন লড়াইয়ের মুখে। তখনও শ্রীলঙ্কার ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পুরো রিপোর্ট পাননি তিনি। কিন্তু সেখানেও পুরোদমে জাতীয়তাবাদের তাস খেলতে শুরু করেন। নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে সুকৌশলে টেনে আনেন বিমানবাহিনীর বহুল আলোচিত উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের কথা।

তার দাবি, অভিনন্দনকে না-ছাড়লে যে পাকিস্তানকে ফল ভোগ করতে হবে, সেই কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। আমেরিকার এক কর্মকর্তাও বলেন, মোদি ১২টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি রেখেছেন। পাকিস্তান দ্বিতীয় দিনেই অভিনন্দনকে ছাড়ার ঘোষণা দেয়। তা না-হলে ‘কতলের রাত’ হতো।

পরমাণু অস্ত্র নিয়েও পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদি বলেন, ‘পাকিস্তানের হুমকিতে ভয় পাওয়া ছেড়ে দিয়েছে ভারত। প্রতিনিয়ত পরমাণু বোতামের কথা বলতো। আমাদের কাছে তবে কী আছে? আমরা কি তা দীপাবলির জন্য বাঁচিয়ে রেখেছি?

মোদির পরের জনসভা ছিল রাজস্থানের চিতোরগড়ে। ততক্ষণে শ্রীলঙ্কায় বোমা বিস্ফোরণের খবর পেয়ে যান তিনি। এ বার প্রধানমন্ত্রী বললেন, রানা প্রতাপের জমি থেকে রাজস্থানের প্রচার শুরুর পথেই শুনলাম, আমাদের বন্ধু পড়শি দেশ শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসবাদীরা অনেক ‘বোম- ধামাকা’ করেছে। গীর্জায়, হোটেলে। আজ পুরো বিশ্ব ইস্টারের পবিত্র পর্ব পালন করছে, প্রভু যিশুর শান্তির বার্তা আত্মস্থ করতে পূজাপাঠ করছে, সেই সময় নরাধম সন্ত্রাসবাদীরা শত শত নির্দোষের উপরে রক্তের খেলা খেলল। সঙ্কটের মুহূর্তে ভারত শ্রীলঙ্কার পাশে রয়েছে পুরো শক্তিতে।

এর পরে এক নিঃশ্বাসে প্রধানমন্ত্রী বলে চলেন, ভাই ও বোনেরা, আপনারা যখন পদ্মচিহ্নে ভোট দেবেন, মনে রাখবেন, এই সন্ত্রাসবাদ খতম করার জন্য বোতাম টিপছেন আপনারা। আপনার আঙুলে শক্তি আছে। আপনি পদ্মে ভোট দেবেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমার লড়াইয়ে শক্তি আসবে। বলুন, এই সন্ত্রাসবাদ কে খতম করতে পারে?… মোদি ছাড়া আর কোনো নাম দেখছেন আপনারা? আর কেউ করতে পারে?… ফলে যখন ভোট দেবেন, বীর সৈনিকের মতো সচেতন থাকা উচিত। দেশের জন্য ভোট দিলে সেই ভোট মোদির কাছে যাবে।

রাহুল গান্ধী যতই বেকারত্ব, কৃষক দুর্দশার মতো মৌলিক বিষয় নিয়ে প্রচার করছেন, মোদি ততই চড়াচ্ছেন উগ্র জাতীয়তাবাদের সুর। 

সূত্র: আনন্দবাজার
এমএ/ ১১:১১/ ২২ এপ্রিল

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে