Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৯ মে, ২০১৯ , ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-২০-২০১৯

ক্ষমা চাইলেন শোভন-রাব্বানি

ক্ষমা চাইলেন শোভন-রাব্বানি

ঢাকা, ২০ এপ্রিল- পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ছাত্রলীগকে আল্টিমেটাম দিয়েছে আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদার বৈঠক হয়। বৈঠকে তাদের ওই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

দীর্ঘ সময়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে না পারায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে ক্ষমা চান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ১১(খ) ও (গ) ধারা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ কার্যকাল দুই বছর। গঠনতন্ত্রে জেলা ইউনিটগুলোর মেয়াদ রাখা এক বছর। কিন্তু সম্মেলনের পর প্রায় এক বছর অতিবাহিত হলেও পূর্ণাঙ্গ হয়নি কেন্দ্রীয় কমিটি।

এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে কমিটি গঠনে নতুন সময়ের কথা জানাল ছাত্রলীগ। গোলাম রাব্বানী বলেন, ২১ তারিখের মধ্যে কমিটি প্রস্তুত করে আমরা আপার (প্রধানমন্ত্রী) কাছে জমা দেব। সেদিনই কমিটি ঘোষণা হবে, যদি আপা অনুমোদন করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন।

বৈঠকে ৫০ জন করে মোট ১০০ জনের তালিকা দিতে সংগঠনটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে ৭ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে থাকা ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতেও বলা হয়েছে। এ সময় তারা দুজনেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে বলে জানান।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘তালিকা তৈরি করার জন্য তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৭দিনের মধ্যে কমিটির তালিকা করে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। তাদের মধ্যে এখন আর কোনো ভুল বোঝাবুঝি নেই।’ ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি এখন একাট্টা বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ দুটি পদ ঘোষণার পর প্রায় ৯ মাস পার হলেও এখনো পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি সংগঠনটির বর্তমান নেতৃত্ব। এছাড়া অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ফলে সম্প্রতি কয়েকটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে, যা সমালোচনায় ফেলেছে বর্তমান নেতৃত্বকে। সব মিলিয়ে ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের কর্মকাণ্ডে মোটেও খুশি নয় আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড।

জানা গেছে, সম্প্রতি গণভবনে আওয়ামী লীগের নয়জন কেন্দ্রীয় নেতার সাথে বৈঠকে বসেনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সেখানে ছাত্রলীগের বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে দ্রুত কমিটি গঠনের তাগিদ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আয়োজিত চৈত্রসংক্রান্তি ও বৈশাখী কনসার্ট ভণ্ডুলের ঘটনায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রলীগ নিয়ে কথা বলেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা। এরপর বুধবারও (১৭ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে ছাত্রলীগ নিয়ে কথা বলেন আওয়ামী লীগের তিন নেতা। দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার সময় ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করার পাশাপাশি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

আর/০৮:১৪/২০ এপ্রিল

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে