Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৩ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-১৯-২০১৯

আ. লীগের নতুন নীতিনির্ধারক

আ. লীগের নতুন নীতিনির্ধারক

ঢাকা, ১৯ এপ্রিল- নীরবেই পরিবর্তন হয়েছে আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারক। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের পাঁচ নেতার উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। বিভিন্ন বিষয়ে তাদের দায়িত্ব দিচ্ছেন। সাংগঠনিক বিষয়ে আগে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করছেন, তাদের মতামত দিচ্ছেন। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং তথ্য তাদের সঙ্গে শেয়ার করছেন। এরাই আওয়ামী লীগের এখন সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

দলের সভাপতির নির্দেশ পেয়ে সরাসরি তারা বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পরামর্শ দিচ্ছেন। সারাদেশে সাংগঠনিক অবস্থা যাচাই বাছাইয়ের কাজ করছেন এই পাঁচ নেতাই। এরা হলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাসিম এবং বিএম মোজাম্মেল। আওয়ামী লীগ সভাপতি এখন এই পাঁচজনকে দিয়েই দল চালাচ্ছেন।

আওয়ামী লীগ সম্পর্কে যারা গবেষণা করেন তাদের মতে, ৮১ সালে দলের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকেই শেখ হাসিনা একটা বিশ্বস্ত বলয় তৈরি করে কাজ করেন। এরাই আসলে দলের নীতিনির্ধারক। ৮০’র দশকে শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক ছিলেন জোহরা তাজউদ্দিন, বেগম সাজেদা চৌধুরী, জিল্লুর রহমান এবং আমীর হোসেন আমু। ৯০’র দশকে আমীর হোসেন আমু, জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যুক্ত হন আবদুল জলিল এবং মোহাম্মদ নাসিম। ২০০১ এর বিপর্যয়ের পর শেখ হাসিনা তরুণদের উপর নির্ভরশীল হন।

এসময় সাবের হোসেন চৌধুরী, মাহামুদুর রহমান মান্না, আখতারুজ্জামানরা আবদুল জলিলের সঙ্গে দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রে পরিণত হন। কিন্তু ওয়ান-ইলেভেনের ওলট-পালটে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। শেখ হাসিনার নিজস্ব বলয়ও পরিবর্তন হয়। এসময় আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক হন জিল্লুর রহমান, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, বেগম মতিয়া চৌধুরী, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।

২০১০ এ এসে ওবায়দুল কাদের, মাহাবুবুল আলম হানিফ, ডা. দীপুমনি শেখ হাসিনার নিজস্ব বলয়ে প্রবেশ করেন। ক্রমেই ওবায়দুল কাদের দলের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হন। দলীয় সব সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গেই পরামর্শ করতেন বলে দলে চাউর আছে। তাছাড়া প্রচুর পরিশ্রম করতেন বলে দলের সভাপতি তার উপর অনেকখানি নির্ভরশীল হয়ে উঠেছিলেন।

কিন্তু ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হওয়ার পর আওয়ামী লীগ পরিচালনায় একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর গুরুদায়িত্ব পালন করে আবার দলের সব খুটিনাটি বিষয় তদারকি করা ছিল দলের সভাপতির জন্য বাড়তি চাপ। এর উপর সামনে কাউন্সিল এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর বিরাট আয়োজন। এই প্রেক্ষিতেই পাঁচজনকে দলের কার্যক্রম এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলো দেখার দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। আওয়ামী লীগ সভাপতির দেওয়া কিছু দায়িত্ব এই পাঁচজন দক্ষতার সঙ্গেই পালন করেছে বলেও আওয়ামী লীগ সভাপতির ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

আর/০৮:১৪/১৯ এপ্রিল

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে