Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৯ মে, ২০১৯ , ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-১৭-২০১৯

বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গতে প্রয়োজনে বিদেশি প্রতিষ্ঠান: গণপূর্ত মন্ত্রী

বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গতে প্রয়োজনে বিদেশি প্রতিষ্ঠান: গণপূর্ত মন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ এপ্রিল- গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম বলেছেন, বিজিএমইএ ভবন ভবন ভাঙ্গার জন্য প্রয়োজনে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে আনা হবে। আমরা ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশের কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছি। তবে তার আগে দেশি প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বুধবার সচিবালয়ে বিজিএমইএ ভবন ভাঙ্গার বিষয়ে সবশেষ অবস্থা জানাতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ভবনটি ভাঙ্গতে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য যা করার সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

আমরা আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে এ ধরনের ভবন ভাঙ্গার ক্ষেত্রে যারা অভিজ্ঞ তাদের কোটেশন দিতে অনুরোধ করেছি। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে ভবনটি ভাঙ্গার জন্য উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়া না গেলে আমরা নিজেরাই রাজউকের পক্ষ প্রয়োজনে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নিয়ে ভবনটি ভেঙ্গে ফেলবো।

মন্ত্রী বলেন, ভবনটি ভাঙ্গার জন্য কী ধরণের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন তা তৈরি এবং ভবনটি গুড়িয়ে দেওয়ার পরে যাতে আশেপাশে কেউ দুর্ঘটনার মুখোমুখি না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হযেছে। বিদ্যুতের লাইন অনেক দূর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এর আগে র‍্যাংগস ভবন ভাঙ্গতে গিয়ে বেশকিছু প্রাণহাণি হয়েছে। এবার সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত প্রস্তুতি নিচ্ছি যাতে কোনোরকম অনাকাঙ্খিত ঘটনা না ঘটে।

তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অবৈধভাবে নির্মিত বিজিএমইএ ভবন ভেঙ্গে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের আলোকেই আমরা সেটাকে ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু করেছি।

গৃহায়ণ মন্ত্রী বলেন, গতকালই আনুষ্ঠানিকভাবে ভবনটি ভেঙ্গে ফেলবার কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ভবনটিকে আমাদের দখলে নিয়েছি। ভবনে অন্য কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছি।

ভবনে সেবমূলক যেসব সংযোগ ছিল তা একেবারেই প্রয়োজনীয় সংযোগ ছাড়া অন্য সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছি।

ভাঙ্গার ক্ষেত্রে দায়-দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। আমরা চাই রাষ্ট্রের চমৎকার একটি স্থাপনার মাঝখানে বেআইনি এ জাতীয় একটি ভবন যাতে টিকে না যায়। এটা ভেঙ্গে দিয়ে আমরা দেশবাসিকে জানাতে চাই কেউই আইনের উর্ধে নয়।

যে যেখানেই বেআইনি ইমারত নির্মাণ করবে সেসব ভবন আমরা ভেঙ্গে ফেলবো। যাতে কেউ দর্প নিয়ে বলতে না পারে আমি ইমারত নির্মাণ করে ফেলেছি এখন আর ভাঙ্গার সুযোগ নেই।

সূত্র: পরিবর্তন

আর/০৮:১৪/১৭ এপ্রিল

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে