Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৯ , ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-১৬-২০১৯

প্রেমের টানে পাকিস্তান ছেড়েছিলেন আইপিএল মাতানো বিশ্বসেরা লেগস্পিনার

প্রেমের টানে পাকিস্তান ছেড়েছিলেন আইপিএল মাতানো বিশ্বসেরা লেগস্পিনার

সুমাইয়া দিলদার নামের এই তরুণী জন্মসূত্রে ভারতীয়। তিনি থাকতেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় এক তরুণ এক ক্রিকেটারের। এই ক্রিকেটারের সঙ্গেই তিনি পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হলেন। কিন্তু জন্মসূত্রে ভারতীয়, হিন্দু, দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দার সঙ্গে পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিয়েটা কী ভাবে হলো? 

বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দলে খেলছেন এই ক্রিকেটার। পাকিস্তানের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ খেলতে গিয়ে ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়েছিলেন তিনি। সুমাইয়ার সঙ্গে আলাপ তখনই। দেশে ফিরেও ওই ক্রিকেটারের মনে পড়ে যাচ্ছিল সুমাইয়া দিলদারের কথা। তখনই বুঝেছিলেন, প্রেমে পড়ে গিয়েছেন। ইনি ক্রিকেটার ইমরান তাহির। যাঁর স্পিনে বিধ্বস্ত নাইটবাহিনী। স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর প্রেমের গল্প সিনেমাকেও হার মানাবে।

সোশ্যাল মিডিয়া তেমন ভাবে ছিল না সে সময়। এক দেশ থেকে অন্য দেশে প্রেম। ফোন নম্বরটা কোনও মতে পাওয়া গিয়েছিল সেই সময়। সুমাইয়ার সঙ্গে দেখা করার জন্য এর পর বেশ কয়েক বার দক্ষিণ আফ্রিকা যান ইমরান।

তবে সুমাইয়া কিন্তু একেবারেই ভাবেননি ইমরানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হবে বা প্রেম হবে। সাক্ষাৎকারে সুমাইয়া বলেছিলেন, পাকিস্তান তাঁর একেবারেই পছন্দের দেশ নয়।

কিন্তু সুমাইয়া প্রেমে পড়ে গেলেন ইমরানের। ধর্ম আলাদা, আলাদা দেশ। দেশ ছাড়তে নারাজ ছিলেন জেদী সুমাইয়া। তাই ইমরান বেছে নিলেন অন্য পথ। ২০০৬ সালে পাকিস্তান ছাড়লেন ইমরান। কারণ সুমাইয়ার শর্তই যে, নিজের দেশে থাকতে পারবেন না ইমরান, ভালোবাসলে স্ত্রীর দেশেই থাকতে হবে তাঁকে। 

প্রেমিকা সুমাইয়াকে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে বিয়ে করলেন ইমরান। মডেলিং ছেড়ে দিলেন সুমাইয়া। ঘর বাঁধলেন। কিন্তু তাহির কী করবেন? তিনি যে ক্রিকেট পাগল। নিজের যোগ্যতায় দক্ষিণ আফ্রিকায় ঘরোয়া ক্রিকেটে তখন খেলতে শুরু করলেন ইমরান।

২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একদিনের ম্যাচে খেলেন ইমরান। একই বছরের নভেম্বরে জায়গা করে নেন টেস্ট দলেও। পাকিস্তান ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার রাস্তাটা কিন্তু মারাত্মক কঠিন ছিল। প্রায় ২৫টি দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। ইংল্যান্ডে চারটি দলের হয়ে কাউন্টিও খেলেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার তিনটি ফ্যাঞ্চাইজির হয়েও খেলেন ইমরান।

সীমিত ওভারের খেলায় অন্যতম সেরা লিগস্পিনারদের একজন হয়ে ওঠা ইমরান বলেন, ‘ভালোবাসা যায়, কিন্তু ভালোবাসাকে ধরে রাখাটাই চ্যালেঞ্জ। সুমাইয়া পাশে থাকায় আমি সেটাই পেরেছিলাম।’ দু’জনেই সুখে আছেন। সন্তান জিবরানও রয়েছে একই সঙ্গে। 

সূত্র: আনন্দবাজার
আর এস/ ১৬ এপ্রিল

ক্রিকেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে