Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৬ মে, ২০১৯ , ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-১৫-২০১৯

মৃত্যুদণ্ডকেই ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার বানিয়েছে সৌদি আরব

মৃত্যুদণ্ডকেই ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার বানিয়েছে সৌদি আরব

রিয়াদ, ১৫ এপ্রিল- সৌদি আরবে রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কথা বললেই চরম শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।এ মৃত্যুদণ্ডকে বিরোধী মত দমনে হাতিয়ারে হিসেবে ব্যবহার করছে দেশটি। রাজতান্ত্রিক দেশটির বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ এনেছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন বিখ্যাত ধর্মীয় নেতাসহ অনেককেই মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পরিকল্পনা করছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা শেখ সালমান আল ওয়াদিহ।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে মৃত্যুদণ্ড প্রদানে সব থেকে বেশি ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে সৌদি আরব, মিসর, ইরাক ও ইরানের মতো রাষ্ট্রগুলো।

গত বছরের তুলনায় দেশগুলোতে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার হার ৭৫ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা একেবারেই অস্বাভাবিক। সৌদি আরবে আরও ৪ অধিকারকর্মী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তাদের অপরাধ, তারা দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।

সম্প্রতি দুই সৌদি-মার্কিন দ্বৈত নাগরিকসহ সাতজনকে গ্রেফতার করে রিয়াদ। নারী অধিকার কর্মীদের সমর্থনের কারণে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন অ্যাকটিভিস্টরা। গ্রেফতারকৃতরা শীর্ষস্থানীয় অ্যাকটিভিস্ট নন। তবে এই লেখক ও ব্লগাররা বিভিন্ন সময় সংস্কার নিয়ে আওয়াজ তুলেছেন।

লন্ডনভিত্তিক সৌদির একটি মানবাধিকার সংগঠন জানায়, এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। মার্চের শেষদিকে তিন নারী অধিকার কর্মীকে সাময়িক মুক্তি দেয়ার পর পরই এ গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করা হল।

সৌদি আরব ১৩ মার্চ ১১ নারী অধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে পৃথকভাবে আইনি কার্যক্রম শুরু করে। তাদের ২০১৮ সালের মে মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সৌদি আরবের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সংশ্লিষ্ট নারীদের ‘বিদেশি এজেন্ট’ আখ্যা দিয়েছিল। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর দেখা গেছে, নারী অধিকার নিয়ে কাজ করাটাই তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের তৈরি করা অভিযোগপত্রগুলোর মধ্যে দুটি হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হাতে পৌঁছেছে। সেখানে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা, আন্দোলনের বিষয়ে সাংবাদিক ও বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলার মতো ঘটনাকেই অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এমন যোগাযোগ রাজতান্ত্রিক সৌদি সরকারের কাছে ‘দণ্ডনীয় অপরাধ’। অথচ তারা যাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল তাদের মধ্যে ছিল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থা।

সূত্র: যুগান্তর
এমএ/ ১১:০০/ ১৫ এপ্রিল

মধ্যপ্রাচ্য

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে