Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৯-২০১৯

চেহারা বদলে যাবে বন্দর নগরী খুলনার 

শরীফা খাতুন শিউলী


চেহারা বদলে যাবে বন্দর নগরী খুলনার 

খুলনা, ০৯ এপ্রিল- উন্নয়নে চেহারা বদলে যাবে শিল্প ও বন্দর নগরী খুলনার। আর এ বদলে যাওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন।

নগরীর সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করার জন্য মেগা প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে কেসিসি। মোট ১৪শ কোটি টাকার দুটি মেগা প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছে কেসিসি।

২০১৮ এর ৯ অক্টোবরের একনেক সভায় প্রায় ৬০৮ কোটি টাকার প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন হয়। কেসিসি’র গুরুত্বপূর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক উন্নয়ন এবং পুনর্বাসন প্রকল্পের উদ্যোগী মন্ত্রণালয় হলো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হচ্ছে কেসিসি। প্রকল্পের মেয়াদ হচ্ছে ডিসেম্বর-২০১৮ থেকে জুন ২০২২ সাল পর্যন্ত। প্রকল্প এলাকা নির্বাচনের যৌক্তিকতা হিসেবে কেসিসি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শহরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পরিবেশগত উন্নতি শহরে উন্নয়নের জন্য কৌশলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ কৌশলের আওতায় পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং উন্নত নাগরিক সেবা দেয়া সিটি কর্পোরেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে, কেসিসি এলাকার সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন। তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য সড়ক নির্মাণ, সড়ক উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা হ্রাস এবং প্রকল্প এলাকায় জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নকরণ। চার বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
 
এছাড়া ৮২৩ কোটি টাকার অপর প্রকল্পের মূল অংশে রয়েছে ৯টি প্রধান সড়কের ৬২ কিলোমিটার এলাকায় প্রাইমারি ড্রেন, নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভেতরে প্রায় ১২৮ কিলোমিটার সেকেন্ডারি ড্রেন (৩ ফুটের কম), প্রধান ড্রেনগুলোর মধ্যে মুজগুন্নী মহাসড়কের উভয় পাশে ফুটপাতসহ দুপাশে ৮ কিলোমিটার ড্রেন, যশোর রোডের ডাকবাংলো মোড় থেকে নতুন সড়ক পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন, খানজাহান আলী রোডের পিটিআই মোড় থেকে রূপসা ঘাট পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার নতুন ড্রেন, একই সড়কের ফেরিঘাট বাস টার্মিনাল থেকে রয়্যালের পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কিছু পরিকল্পনা সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।

৪ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রকৌশলীদের এস্টিমেট প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। সে মতে, প্রকৌশলীরা কাজের তালিকা অনুযায়ী তা বাস্তবায়নের জন্য এস্টিমেট তৈরি শেষ করেছেন। আবার কিছু কাজের এস্টিমেট তৈরি শুরু করছেন।
 
এ ব্যাপারে কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী-২ লিয়াকত আলী খান বলেন, সড়ক মেরামত ও উন্নয়নে ৬০৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকার প্রকল্পের মধ্যে জিওবি ৪৮৬ কোটি টাকা এবং নিজস্ব অর্থ ১২১ কোটি টাকা। যদিও উভয় প্রকল্প অনুমোদনের সময় ম্যাসিং ফান্ড প্রধানমন্ত্রী মাফ করে দিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে দেয়ার জন্য বলে দেন। সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ৪ কোটি টাকা। আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে এসব কাজের দরপত্র ধারাবাহিকভাবে আহ্বান করা হবে। এলটিএম পদ্ধতিতে এ দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। গত ২৮ মার্চ টেন্ডারের নোটিশ ছাড়া হয়েছে। ওই নোটিশে ১০টি কাজের দরপত্র আহ্বান করা হবে। এ কাজের বিপরীতে ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কেসিসির জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী-৩ মশিউজ্জামান খান বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে কেসিসির ৮২৩ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শুরু করার আগে কনসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া রয়েছে। এ কাজ শুরু জন্য চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫ কোটি টাকা।
 
সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ৮২৩ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কনসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া রয়েছে। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী কাজের টেন্ডার আহবান করা হবে। টেন্ডারের পর কিছু কাজ করা হবে।

সচেতন নগরবাসী মনে করছেন, প্রকল্প দুটির কাজ সম্পন্ন হলে বদলে যাবে খুলনার চিত্র। দ্রুত এসব প্রকল্পের কাজ শুরুর দাবি জানান তারা।

এমএ/ ১১:১১/ ০৯ এপ্রিল

খুলনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে