Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৪-২০১৯

যাত্রাবাড়ী থানার ওসিসহ ১১ জনের নামে মামলা

যাত্রাবাড়ী থানার ওসিসহ ১১ জনের নামে মামলা

ঢাকা, ০৪ এপ্রিল- ‘দলবেঁধে ধর্ষণের’ শিকার হওয়ার পর পুলিশের কাছে গিয়ে ‘ঘুষের টাকা’ দিতে না পারায় উল্টো ‘যৌনকর্মী’ হিসেবে আদালতে পাঠানোর অভিযোগ তুলে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াজেদ আলী মিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক নারী।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দারের আদালতে মামলাটি করেন একজন নারী।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আ স ম মাহমুদুল হাসান ও মোছা. লাইজু এবং মো. শফিকুল ইসলাম রনি, মো. সাগর, মো. শামীম, মো. আলাউদ্দিন দেলোয়ার হোসেন, মো. হানিফ, মো. স্বপন, বিলকিস আক্তার শিলা ও ফারজানা আক্তার শশী।

মামলার এজাহারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ থাকলেও অভিযোগের বর্ণনায় ওসি এবং দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গণধর্ষণের কোনো অভিযোগ নেই।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, 'একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে শুনেছি। অভিযোগ তো যে কেউই করতে পারে। তবে তার সত্যতা কতটুকু, সেটা দেখার বিষয়। মামলার বিবরনীর কপি এখনও হাতে পাইনি। কপি পেলে এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে পারব।'

এ বিষয়ে মামলার বাদী ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, মামলার ১ নম্বর আসামি শফিকের সঙ্গে গার্মেন্টে কাজের সূত্রে তার পরিচয়। শফিক কৌশলে বেশি বেতনের চাকরির লোভ দেখিয়ে সেদিন তাকে ওই বাসায় নিয়ে গিয়েছিল। এরপর বাড়ি ওয়ালার ছেলেসহ কয়েকজন তাকে 'ধর্ষণ' করে। পরে ওই বাসা থেকে পালিয়ে বের হয়ে রেজাউল নামের এক মানবাধিকার কর্মীর সহায়তায় থানায় যান তিনি। কিন্তু প্রথম দিনে ওসিকে না পেয়ে পরের দিন আবার থানায় যান তিনি।

ওই নারী জানান, পরের দিন থানার এক নারী এসআই তার ঘটনা শুনে ওই বাসায় যান। এরপর ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেন। পরে থানায় এসে ভিকটিমের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ চান নারী এসআই। ঘুষ না পেয়ে তাকে একটি মামলায় অন্যদের সঙ্গে আদালতে চালান করে দেন। পরে জামিনে বেরিয়ে এসে আদালতে মামলটি দায়ের করেছেন তিনি।

তবে যে মানবাধিকার কর্মীর সহায়তায় ভুক্তভোগী ওই নারী আদালতে মামলাটি করেছেন, তার কোনো ঠিকানা বলতে পারেননি তিনি। এমনকি সেই মানবাধিকার সংস্থার নাম বা অফিসের ঠিকানা কিছুই বলতে পারনি ভুক্তভোগী নারী।

সর্বশেষ ওই নারীর কাছে সংশ্লিষ্ট সেই মানবাধিকার সংস্থার কোনো ব্যক্তির মোবাইল নম্বর চাওয়া হলে তিনি বলেন, 'ওই মানবাধিকারের কারও মোবাইল নম্বরই আমার কাছে নেই।’

তথ্যসূত্র: আমাদের সময়
এআর/০৪ এপ্রিল

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে