Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯ , ২৭ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৪-২০১৯

আ.লীগের সদস্য পদ পেতে লাগবে ১০ তথ্য

আ.লীগের সদস্য পদ পেতে লাগবে ১০ তথ্য

ঢাকা, ০৪ এপ্রিল- টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। সবাই এখন আওয়ামী লীগে যোগ দিতে চায়। বিশেষ করে ব্যবসায়ী, সাবেক আমলা এবং বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে আওয়ামী লীগার হবার প্রবণতা বেড়েছে। বিএনপি, জামাত এবং অন্যদল থেকেও আওয়ামী লীগে যোগদানে ইচ্ছুকের সংখ্যা কম নয়। মূলত; নানা সুযোগ-সুবিধা পাবার আশায় এই যোগদানের জোয়ার বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকরা।

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি, আওয়ামী লীগে নতুনদের নেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা এবং কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন ‘এখন অনেকেই কিছু পাবার আশায় আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছে। এরা দলে এসে অপকর্ম করে আওয়ামী লীগের বদনাম করছে।’ এরপর থেকে কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগে যোগদান বন্ধ করা হয়েছে। ২০০৮ এর পর যারা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে তাদেরও ঠিকুজী খোঁজা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র গুলো জানা গেছে, ২০০৮ এর পর যারা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে এবং এখন যারা আওয়ামী লীগে যোগদানে আগ্রহী তাদের সম্পর্কে ১০টি তথ্য যাচাই বাছাই করা হবে। এই ১০ তথ্যের ভিত্তিতেই ঐ ব্যক্তি আওয়ামী লীগ করতে পারবেন কিনা তা নির্ধারিত হবে। ১০ তথ্যের ভিত্তিতেই ঐ ব্যক্তি আওয়ামী লীগ করতে পারবেন কিনা তা নির্ধারিত হবে। ১০ তথ্যের উত্তর যদি আওয়ামী লীগের নীতি ও আদর্শের পরপন্থী হয় তাহলে তাকে দলে রাখা হবে না বা নেয়া হবে না। যে ১০ তথ্য যাচাই করে একজনকে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে নেয়া হবে, সে গুলো হলো;

১. ২০০৮ সালের আগে রাজনীতি করতেন কিনা, করলে কোন দল? তিনি যদি বিএনপি বা জামাতের সংগে যুক্ত হন সেক্ষেত্রে তিনি আওয়ামী লীগের জন্য বিবেচিত হবেন না। তবে বিশেষ বিবেচনায় দলীয় সভাপতি শর্তটি শিথিল করতে পারেন। যেমন; বিএনপির ইনাম আহমেদ চৌধুরী সভাপতির বিশেষ বিবেচনায় আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

২. যদি সরাসরি রাজনীতি না করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি ব্যবসায়ী বা পেশাজীবী হন, সেক্ষেত্রে তিনি ব্যবসায়ী বা পেশাজীবী কোন সংগঠনের সংগে জড়িত ছিলেন কিনা। থাকলে কোনটি? তিনি যদি বিএনপি বা জামাত ঘরানার কোন পেশাজীবী বা ব্যবসায়ীর সংগে জড়িত থাকেন তাহলে তিনি আওয়ামী লীগের কর্মী হবার যোগ্যতা হারাবেন।

৩. তিনি কোন দুর্নীতির মামলা/মাদকের মামলায় দণ্ডিত কিনা?

৪. তিনি নৈতিক স্খলন জনিত অপরাধে দন্ডিত হয়েছিলেন কিনা? (বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে)

৫. তিনি অগ্নিসন্ত্রাস বা সহিংসতার মামলার আসামী কিনা? (বিশেষত ২০১৪ এবং ২০১৫ সালের অগ্নি সন্ত্রাসের মামলায়)

৬. তিনি ফেসবুক বা অন্যকোন সোশাল মিডিয়াতে একটিভ কিনা, যদি একটিভ থাকেন সেক্ষেত্রে তার একাউন্ট পর্যবেক্ষন করতে হবে।

৭. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মাদক ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসীর তালিকায় তার নাম অন্তভুক্ত কিনা?

৮. তার বিরুদ্ধে কোন টেন্ডার বাজি/অর্থ আত্মসাৎ/নারী নির্যাতনের অভিযোগ আছে কিনা, থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

৯. তার পরিবারের কেউ যেমন; বাবা, মা, স্ত্রী/স্বামী, ভাই, বোন বা নিকটাত্মীয় রাজনীতির সংগে জড়িত কিনা, জড়িত থাকলে তার বিস্তারিত নেয়া হবে।

১০.যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত পরিবারের নিকটাত্মীয়রা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদের জন্য বিবেচিত হবেন না।

এই বিষয় গুলো বিবেচনা করে যদি দেখা যায় তার ভূমিকা ‘সন্তোষজনক সেক্ষেত্রে কেবল একজনকে আওয়ামী লীগের সদস্য করা হবে।

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার

আর/০৮:১৪/০৪ এপ্রিল

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে