Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯ , ৯ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.8/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৪-২০১৯

টরন্টোতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও ৪৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

টরন্টোতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও ৪৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

টরন্টো, ৪ এপ্রিল- গত ২ এপ্রিল কানাডার বানিজ্যিক নগরী টরন্টোতে বাংলাদেশের নতুন কনস্যুলেটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপি। সকাল ১১টায় ২২৩৫ শেপার্ড এভিনিউ ইস্ট-এ অবস্থিত বাংলাদেশের নতুন এ কনস্যুলেট অফিসের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের সময় উপস্থিত ছিলেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান, টরন্টোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাঈম উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ হাইকমিশন, অটোয়া ও নতুন কনস্যুলেট জেনারেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। উদ্বোধনের সময় কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানকালে শাহরিয়ার আলম প্রবাসীদের যথাযথ সেবাদান করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পালন করার আহবান জানান।  


বাংলাদেশের ৪৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত মঙ্গলবার টরন্টো ডাউন টাউনের রিজ-কার্লটন হোটেলে এক মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্টারিওর লেফটেন্যান্ট গভর্নর এ্যালিজাবেথ ডাউডসওয়েল ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপি।

হলভর্তি অভ্যাগতদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টরন্টোতে নব নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাঈম উদ্দিন আহমেদ। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কনস্যুলেট এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপি। মূল্যবান বক্তব্য রাখেন অন্টারিওর লেফটেন্যান্ট গভর্নর এ্যালিজাবেথ ডাউডসওয়েল। তিনি টরন্টোতে বাংলাদেশের কনস্যুলেট অফিস এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কোন কনস্যুলেটের উদ্বোধন একবারই হয়ে থাকে, ফলে এমন একটি মহতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে তিনি আনন্দিত বোধ করছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের নতুন কনস্যুলেট অন্টারিওতে ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশী অভিবাসীদের সাথে কার্যকর সংযোগ সৃষ্টিতে অবদান রাখবে।
গভর্ণর জেনারেল এ্যালিজাবেথ ডাউডসওয়েল বাংলাদেশ একটি মধ্যম-আয়ের দেশ ও উন্নত দেশে রুপান্তরিত হবার প্রচেষ্টা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকর উদ্যোগ এবং নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের সফলতার বিষয়ে আলোকপাত করেন। লেফটেন্যান্ট গভর্নর মিয়ানমার হতে আগত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান ও মানবিক সাহায্য প্রদানের জন্যও বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপি বলেন, টরন্টোতে বাংলাদেশের কনস্যুলেট অফিস স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের একটি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন ঘটলো। বাংলাদেশ কনসুলেট অফিস টরন্টো এবং এর কন্সুলার অধিভুক্ত প্রদেশসমুহে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের কল্যাণ ও কন্স্যুলার সেবা প্রদানের পাশাপাশি বাংলাদেশী-কানাডিয় নাগরিক বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের সাথে বাংলাদেশের সংযোগ সৃষ্টি ও ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে কাজ করে যাবে। অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কনস্যুলেট চালু হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নতুন কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও কানাডার সম্পর্ক ঐতিহাসিক পরিক্ষিত। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে কানাডার ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোকে ‘স্বাধীনতা সম্মাননা’ (মরনোত্তর) প্রদান করতে পারায় সম্মানিত বোধ করেন। শাহরিয়ার আলম, এমপি ‘মার্চ’ মাসকে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্যের মাস’ ঘোষণা করায় অন্টারিও প্রাদেশিক সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

এ পর্বের শেষে অন্টারিওর লেফটেন্যান্ট গভর্নর এ্যালিজাবেথ ডাউডসওয়েল ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের বন্ধুত্ব, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের উন্নয়নের উপর প্রামাণ্য চিত্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কেক কাটা হয়। অনুষ্ঠানে অন্টারিও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবর্গ, কূটনীতিক, অন্টারিও প্রাদেশিক সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বুদ্ধিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ব্যবসায়ী, ছাত্র ও বাংলাদেশ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পূর্বে অন্টারিওর লেফটেন্যান্ট গভর্নর মান্যবর এ্যালিজাবেথ ডাউডসওয়েল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপির সাথে একান্ত বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে তারা বাংলাদেশ ও কানাডার দীর্ঘ বন্ধুত্ব, রোহিঙ্গা সমস্যা, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

সবশেষে ছিল স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ভোজন পর্বের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। 

কানাডা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে