Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৯ , ৪ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২৭-২০১৯

রাঙামাটি শহরের আশে-পাশের যত দর্শনীয়স্থান

প্রান্ত রনি


রাঙামাটি শহরের আশে-পাশের যত দর্শনীয়স্থান

বৈচিত্রপূর্ণ সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙামাটি। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবন-যাপন ও পোশাক-আশাক যেমন মন কেড়ে নেয় ভ্রমণপিসাসু পর্যটকদের; তেমনই পর্যটক ও স্থানীয়দের আনন্দভ্রমণের জন্য রয়েছে শহরের আশেপাশে বেশকিছু দর্শনীয় স্থান। বাইরের পর্যটকের পাশাপাশি রাঙামাটি শহরের মানুষও ভীড় জমান এইসব নয়নাভিরাম পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।

রিজার্ভ বাজার শহীদ মিনার
জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার শহরের প্রাণকেন্দ্র রিজার্ভ বাজার এলাকায় অবস্থিত। মিনারটির পাশেই রয়েছে ২৯৪.৬১ বর্গ কিলোমিটার দীর্ঘ কাপ্তাই হ্রদের অংশ। সকাল-বিকালের আড্ডার পাশাপাশি সন্ধ্যা রাত পর্যন্তও মানুষের সমাগম হয় এখানে। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পর সন্ধ্যার পরে অনেকেই আড্ডা জমান এখানে।

ডিসি বাংলো পার্ক
রাঙামাটির জেলার সড়ক পথের শেষপ্রান্তই হচ্ছে ডিসি-বাংলো। জেলা প্রশাসকের বাস ভবনের সামনেই অবস্থিত পার্কটি। সবার জন্য উন্মুক্ত এই পার্কের সৌন্দর্য স্থানীয় এবং পর্যটক নির্বিশেষে সবার কাছে ব্যাপক সমাদৃত। পার্কের পাশেই আছে ক্যান্টিন। সামনের দিকে নিয়মিত বসে ভ্যানচালিত ঝাল ও আচার জাতীয় খাবাবের একটি টং দোকান।

পলওয়েল ন্যাচারাল পার্ক
ডিসি বাংলো পার্কের প্রবেশ মুখেই রয়েছে পলওয়েল ন্যাচারাল পার্ক। পার্কটির ভেতর এবং বাহির দু’দিকেরই সৌন্দর্য নজড়কাড়া। পার্কের ভেতরে আছে সুবিশাল একটি ক্যান্টিন। চা-কফির পাশাপাশি ঝাল জাতীয় খাবার পাওয়া যায় সেখানে। তবে পার্কটি ডিসি বাংলো পার্কের মত উন্মুক্ত নয়, এখানকার প্রবেশমূল্য ১৫ টাকা।

পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু
শহরের শেষ প্রান্তে কাপ্তাই হ্রদের কোল ঘেঁষে তবলছড়ি পর্যটন কমপ্লেক্সের পাশেই অবস্থিত ৩৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের সিম্বল অব রাঙামাটি খ্যাত ঝুলন্ত সেতুটি। দুটি পাহাড়ের মধ্যে সংযোগ ঘটিয়ে কাপ্তাই হ্রদের ওপর ঝুলে আছে এই সেতুটি। দেশ বিদেশের মানুষের কাছে এই সেতুর পরিচিত ব্যাপক। জেলার পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি অর্থনৈতিক খাতেও বিরাট ভূমিকা রাখছে ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’। সেতুর প্রবেশপথেই টেক্সটাইল শপ। যেখানে পাওয়া যায় পাহাড়িদের তৈরি চাদর, থান, গামছাসহ নানান ধরণের বাহারি পোশাক-আশাক। রয়েছে দুইটি হানিমুন কটেজও। সেই সাথে রয়েছে একটি মনোরম মোটেল।

আসামবস্তি ও ব্রাহ্মণটিলা সেতু
শহরের অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলোর মতই একটি মনোমুগ্ধকর জায়গা আসামবস্তি সেতু, রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক পথের শুরুতেই পাড়ি দিতে হয় এই সেতু। ভ্রমণপিপাসু পর্যটক ও শহরের মানুষগুলোর দম ফেলার আরেকটি জায়গা এই সেতু। প্রতিদিন বিকেলেই প্রচুর মানুষের সমাগম হয় এখানে। কর্মমূখী মানুষের পাশাপাশি ভিড় জমান প্রেমিক-প্রেমিকা ও দম্পতিরা।

ক্ষুদ্র-নৃ- গোষ্ঠী জাদুঘর
রাঙামাটি শহরের প্রবেশ পথেই রয়েছে ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর। ১৯৭৮ সালে যাত্রা শুরু হয় এর। ২০০৩ সালে নতুন ভবন নির্মাণের পর তা আরো বেশি সমৃদ্ধ হয়। এখানে রয়েছে পাহাড়ি ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্টিদের জীবনযাপন ও নানা সংস্কৃতির নানান নিদর্শন। জাদুঘরের সামনেই ভাস্কর্য হিসেবে রয়েছে বিভিন্ন পাহাড়ি গোষ্ঠীর জীবনযাপন ও পোশাক-আশাকের বৈশিষ্ট্য। ভিতরে গেলেই দেখা যায় বিভিন্ন জাতিসত্তাসমূহের ঐতিহ্যবাহী অলংকার, পোষাক-পরিচ্ছদ, বাদ্যযন্ত্র, অস্ত্র-শস্ত্র, প্রাচীন মুদ্রা, প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থ, পুঁথিপত্র, তৈলচিত্র ও পাহাড়িদের জীবনধারার বিভিন্ন আলোকচিত্র।

ফিসারি বাঁধ
শহরের ফিসারিঘাট থেকে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ট্রাক-ট্রার্মিনাল পর্যন্ত আধ কিলোমিটার বাঁধ। বাঁধটির দুইপাশেই রয়েছে কাপ্তাই হ্রদ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশাপাশি বাঁধটি দূর-দুরান্ত থেকে আসা পর্যটকদেরও মন ছুঁয়ে নেয়।

আর/০৮:১৪/২৭ মার্চ

পর্যটন

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে