Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০১৯ , ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২৪-২০১৯

বঙ্গবন্ধুর খুনী নূর চৌধুরীর বিষয়ে ২৫ মার্চ কানাডার আদালতে শুনানি

বঙ্গবন্ধুর খুনী নূর চৌধুরীর বিষয়ে ২৫ মার্চ কানাডার আদালতে শুনানি

টরন্টো, ২৩ মার্চ- কানাডায় অবস্থানরত বঙ্গবন্ধুর খুনী নুর চৌধুরী বিষয়ে তথ্য চেয়ে দায়ের করা একটি মামলা কানাডার ফেডারেেল আদালতে (১৮০ কুইন ষ্ট্রিট ওয়েষ্ট, টরন্টো) আগামী ২৫শে মার্চ শুনানির দিন ধার্য্য করা হয়েছে। সকাল ৯টায় এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের ৬ই জুলাই মামলাটি দায়ের করেন কানাডা আওয়ামী লীগেের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান প্রিন্স। 

জানা যায়, নূর চৌধুরী বর্তমান ষ্টেটাস সম্পর্কে তথ্য দিতে কানাডা সরকারকে বাধ্য করতে ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিসের আদালতে এ আবেদন করা হয়। টরন্টো'র টোরি ল ফার্ম বাদী পক্ষেের এ মামলাটি পরিচালনা করছে। 

এর আগে অটোয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান নূর চৌধুরীর ‘প্রি রিমুভ্যাল রিস্ক এসেসমেন্ট’ এর তথ্য জানতে চেয়ে ইমিগ্রেশন মন্ত্রী আহমেদ হোসেনের কাছে একটি চিঠি লিখেন। কিন্তু মন্ত্রী তাকে সেই তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বিচার কার্য শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকার। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০১০ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ জনের ফাঁসি কার্যকর হয়।

উচ্চ আদালত ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল মোট ১২ জনকে। দণ্ড কার্যকর হওয়া পাঁচ জন বাদে বাকিদের মধ্যে আজিজ পাশা মারা গেছেন বিদেশে; যদিও তার মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক আছে। আর আবদুর রশিদ, মোসলেম উদ্দিন, শরীফুল হক ডালিম, রাশেদ চৌধুরী, নুর চৌধুরী এবং আবদুল মাজেদ পলাতক। 

গত বছরের ১০ জুন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নূর চৌধুরী একজন আত্মস্বীকৃত খুনি, বাংলাদেশের আদালতে তিনি সাজাপ্রাপ্ত। একটি উদার গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে কানাডার উচিত একজন খুনির আদালতের সাজা কার্যকর করতে সহায়তা করা।’

জবাবে ট্রুডো শেখ হাসিনাকে বলেন, 'এ বিষয়ে কী করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করছে কানাডার কর্মকর্তারা।’

জানা যায়, ২০০৪ সালে কানাডার একটি কোর্ট নূর চৌধুরীর শরণার্থী সংক্রান্ত একটি আবেদন খারিজ করে তাকে বহিষ্কারের আদেশ দেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে ২০০৭ সালে নিম্ন আদালতের ওই আদেশ বহাল রাখেন উচ্চ আদালত। 
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে বিপদ অনুভব করে নূর চৌধুরী কানাডার অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে ‘প্রিরিমোভাল অ্যাসেসমেন্ট রিস্ক’ আবেদন করেন। আবেদনে নূর চৌধুরী উল্লেখ করেন, তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হলে তার ফাঁসি হবে এবং সে কারণে তাকে কানাডায় থাকতে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি কানাডার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস।

কানাডা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে