Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ , ৩০ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৩-১৯-২০১৯

কেন নিউজিল্যান্ডে হামলার সেই ভিডিও জনসভায় দেখাচ্ছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট?

কেন নিউজিল্যান্ডে হামলার সেই ভিডিও জনসভায় দেখাচ্ছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট?

আঙ্কারা, ১৯ মার্চ- নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ৫০জনকে হত্যা করেছে এক অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। তার নাম ব্রেনটন হ্যারিসন ট্যারেন্ট। ভয়ঙ্কর ওই হামলার ঘটনা ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিম করেছিলেন হামলাকারী। মুহূর্তেই তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

যদিও ভিডিওটি এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কোনও কোনও গণমাধ্যম ভিডিওটি দেখানোর পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। কিন্তু তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এই ভিডিওটি দেখাচ্ছেন। এ মাসের শেষের দিকে তুরস্কে যে স্থানীয় নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনকে সামনে রেখেই তিনি নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

রোববার টেকিরডাগ শহরে এক সমাবেশে এরদোগান তার ভাষণ থামিয়ে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ভিডিও এক বিশাল পর্দায় ফেলে দেখান।
এরপর তিনি বলেন, “বিশ্বের সব নেতা এবং সংস্থা, এদের মধ্যে জাতিসংঘও আছে, তারা এই হামলাকে ইসলাম এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে হামলা বলে মনে করে। কিন্তু তারা কেউ বলছে না- এই হামলাকারী একজন খ্রিস্টান সন্ত্রাসবাদী।”

তিনি আরও বলেন, “যদি হামলাকারী একজন মুসলিম হতো, তারা তাকে একজন ইসলামী সন্ত্রাসবাদী বলে বর্ণনা করতো।”

এরদোগান ভিডিওটির যে অংশটি দেখিয়েছেন, তাতে দেখা যায়, হামলাকারী মসজিদে ঢুকছে এবং গুলি চালাতে শুরু করেছে। মাথায় পরা হেলমেটে “গো-প্রো” ক্যামেরা লাগিয়ে ফেসবুকে এই ঘটনা লাইভ সম্প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয় এই ভিডিও সরিয়ে নিতে।

ফেসবুক জানিয়েছে, তারা ১৫ লাখ ভিডিও প্রথম ২৪ ঘণ্টায় তুলে নিয়েছে। আর ভিডিওটির এডিট করা যে অংশগুলোতে সেরকম বিচলিত হওয়ার মতো দৃশ্য নেই, সেগুলোও তারা এখন ডিলিট করছে।

তুরস্কে ৩১ মার্চ স্থানীয় নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের আগে প্রকাশ্য জনসভায় ভিডিওটি দেখিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান তার সমর্থকদের উজ্জীবিত এবং ঐক্যবদ্ধ করতে চাইছেন।

এরদোগান তার ভাষণে বলেছেন, ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার জন্য ব্রেনটন ট্যারেন্ট বলে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, সে একটি ইশতেহার প্রকাশ করে। সেই ইশতেহারে অন্য অনেক কিছুর সঙ্গে তুরস্কের কথা এবং ইস্তাম্বুলের হাজিয়া সোফিয়ার কথা উল্লেখ ছিল।

হাজিয়া সোফিয়া ছিল একসময় একটি গ্রিক অর্থোডক্স চার্চ। অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে এটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। তবে এটি এখন কেবল একটি যাদুঘর।

এরদোগান বলেছেন, ক্রাইস্টচার্চের এই হত্যাকারী দু’বার তুরস্কে আসে ২০১৬ সালে। মোট ৪০ দিনের বেশি তুরস্কে ছিল। তার সেই সফরের ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, “মুসলিমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে ওরা আমাদের বিরুদ্ধে এ ধরণের হামলা চালাতে পারবে না। কিন্তু যদি মুসলিমরা সংগঠিত না হয়, তারা এমন হামলা চালাতে পারবে। কাজেই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা একে অন্যের দেখাশোনা করবো।”

সূত্র: বিডি প্রতিদিন
আর এস/ ১৯ মার্চ

ইউরোপ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে