Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯ , ২ আষাঢ় ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৯-২০১৯

পাল্টে যাচ্ছে বরিশাল

রাহাত খান


পাল্টে যাচ্ছে বরিশাল

বরিশাল, ২৯ জানুয়ারি- বরিশালে ৩২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হচ্ছে কীর্তনখোলা নদীর ভাঙন রোধ ও নাব্য ফিরিয়ে আনার কাজ। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বহুল প্রতীক্ষিত এই কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিজাইন অ্যান্ড প্লানিং) ক্যাপ্টেন মো. ফারুক।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে কীর্তনখোলার পশ্চিম প্রান্তে বেলতলা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে চরবাড়িয়া পর্যন্ত তিন হাজার ৩০৭ মিটার বেড়িবাঁধ ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। 

পাশাপাশি চরবাড়িয়া পয়েন্টে নদীর বুকে জেগে ওঠা পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ চর অপসারণ করবে। এর ফলে বেলতলা থেকে চরবাড়িয়া পর্যন্ত কীর্তনখোলার পশ্চিম তীর দর্শনীয় স্থানে পরিণত হবে বলে আশা স্থানীয়দের। গত কয়েক বছরে কীর্তনখোলার ভাঙনে বিলীন হয়েছে বহু বাড়িঘর, ফসলি জমি, রাস্তাঘাট, বাজারসহ সরকারি-বেসরকারি বহু স্থাপনা। 

স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর নদী ভাঙন প্রতিরোধে ৩২৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে পাস হয়। কিন্তু এরপর টানা দুটি বছর কেটে গেলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পড়ে নদীভাঙন রোধ প্রকল্প। শেখ হাসিনার সরকার টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর নদীভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পটি গতি পায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য গত ১৪ জানুয়ারি খুলনা শিপইয়ার্ডের সঙ্গে চুক্তি করে। ইতিমধ্যে খুলনা শিপইয়ার্ডের কর্মকর্তারা সরেজমিন সম্ভাব্যতা যাচাইসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। 

কীর্তনখোলার ভাঙন থেকে চরবাড়িয়া এলাকা রক্ষা প্রকল্পের পরিচালক বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. রমজান আলী প্রামাণিক জানান, খুলনা শিপইয়ার্ড কাজটি বাস্তবায়ন করলেও তদারকি করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এই প্রকল্পের আওতায় কীর্তনখোলার পশ্চিম তীরে ৩ হাজার ৩০৭ মিটার সিসি ব্লক বেড়িবাঁধ নির্মাণ ছাড়াও ড্রেজিং করা হবে নদীর প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কীর্তনখোলার ভাঙন থেকে বেলতলা ও চরবাড়িয়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকা রক্ষা পাবে এবং নির্মল বাতাসের জন্য নদী তীরবর্তী বেড়িবাঁধটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হবে।

 গত বৃহস্পতিবার কীর্তনখোলা নদীর ভাঙন কবলিত বেলতলা, চরবাড়িয়া, লামছড়ি, জনতারহাট এবং চরকাউয়া এলাকা পরিদর্শন করে যথাসময়ে কাজ শুরু এবং শেষ করাসহ কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি তার নির্বাচনী এলাকার কাজ। তিনি প্রতি সপ্তাহে বরিশাল এসে এই কাজের অগ্রগতির খোঁজখবর নেবেন। এ ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি বরদাশত করবেন না। নদীভাঙন রোধ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে বরিশালের অনুন্নত ওই এলাকার চেহারাসহ স্থানীয় মানুষের জীবনমান পাল্টে যাবে বলে প্রত্যাশা করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম।

এমএ/ ০৩:৩৩/ ২৯ জানুয়ারি

বরিশাল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে