Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৬ মে, ২০১৯ , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২১-২০১৯

মালয়েশিয়ায় বিনিয়োগ: যে সূচনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়িয়েছে 

বদরুল আলম


মালয়েশিয়ায় বিনিয়োগ: যে সূচনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়িয়েছে 

ঢাকা, ২১ জানুয়ারি- মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে ১৮৬ কিলোমিটার পাড়ি দিলে পাহাং প্রদেশের মেনতাকাব টাউন। এ শহরেই ৫৭ একর জমির ওপর রবিন রিসোর্সেসের দুই কারখানা— রবিন রিসোর্সেস (এম) এসডিএন বিএইচডি ও রবিনা ফ্লোরিং এসডিএন বিএইচডি।

সিঙ্গাপুরি বংশোদ্ভূত বিনিয়োগকারী ১৯৯৪ ও ২০০১ সালে কারখানা দুটি গড়ে তোলেন। নামকরণ করেন দুই সন্তানের নামে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মালয়েশিয়ায় সুনামের সঙ্গে কার্যক্রম চালিয়ে আসা রবিন রিসোর্সেসের কারখানা দুটি অধিগ্রহণ করেছে বাংলাদেশী শিল্প গ্রুপ আকিজ।

বাংলাদেশী কোনো কোম্পানির এটাই বিদেশে প্রথম অধিগ্রহণ। এর মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়াকে শুধু বাংলাদেশের শ্রমবাজারে সীমাবদ্ধ না রেখে বিনিয়োগ গন্তব্যেও পরিণত করেছে আকিজ গ্রুপ, যা ভাবমূর্তি বাড়িয়েছে দেশেরও।

সরেজমিন কারখানা পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রবেশদ্বারে কালো পাথরের ওপর সোনালি অক্ষরে বড় করে লেখা রবিন রিসোর্সেস (এম) এসডিএন বিএইচডি। তার নিচেই লেখা ‘এ মেম্বার অব আকিজ গ্রুপ’। বিদেশের মাটিতে স্বদেশী প্রতিষ্ঠানের মালিকানার ফল কেবল আনন্দের নয়, গর্বেরও।

রবিন রিসোর্সেসে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এজন্য ব্যাংকের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ইকুইটি বাবদ বাংলাদেশ থেকে এসেছে ২ কোটি ডলার।

বিদেশের মাটিতে নিজেদের প্রথম এই বিনিয়োগের পথটা মসৃণ ছিল না আকিজ গ্রুপের জন্য। নানা বাধা অতিক্রম করে ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় পুঁজিঘন শিল্পে বিনিয়োগকারী হিসেবে বাংলাদেশের নাম লেখাতে সক্ষম হয় আকিজ গ্রুপ। তাদের শুরুর চ্যালেঞ্জটা ছিল বাংলাদেশ সম্পর্কে মালয়েশীয়দের বিদ্যমান ধারণা বা ন্যারেটিভ।

গত চার দশকে মালয়েশিয়ায় সাড়ে ১০ লাখের বেশি শ্রমিক পাঠানো একটি দেশ থেকে বিনিয়োগ প্রস্তাব এলে এমন ন্যারেটিভ থাকাটা স্বাভাবিকও। শ্রমিক সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের পরিচিতিই একমাত্র কারণ কিনা, তা নিশ্চিত করা না গেলেও যে কারণেই হোক রবিন রিসোর্সেসের তত্কালীন মালিকপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চাওয়া হলে শুরুতে তেমন একটা গুরুত্ব দিচ্ছিল না তারা। অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয় তাদের সঙ্গে বিনিয়োগসংক্রান্ত আলোচনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে। এসবই এখন অতীত।

২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর। রবিন রিসোর্সেসের প্রশাসনিক ভবনের প্রবেশপথে অভ্যর্থনাকেন্দ্রের দেয়ালে চোখে পড়ে সেখ আকিজ উদ্দিনের বড় ছবি। বর্তমানে প্রকল্পটি পরিচালনা করছেন এমন একজনের সঙ্গে আলোচনার শুরুটাও হয় ওই ছবি নিয়ে। ‘বিদেশের মাটিতে তার ছবি (সেখ আকিজ উদ্দিন) নিচে দেখে থাকবেন। এদের ধারণাটা বদলে দিতে চাই। তবে তা ধীরে ধীরে, এজন্য ওই ছবি’— প্রশাসনিক ভবনের দপ্তরে বসে কথার শুরুতেই বলছিলেন রবিন রিসোর্সেসের বর্তমান প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) হেলাল আহমেদ। তিনি বলেন, রবিন কখনো পণ্যের গুণগত মানে আপস করেনি। ওরা যেটা করে গেছে আমরাও সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে যাচ্ছি। বলতে গেলে প্রথমে অনেকের মধ্যেই এমন ধারণা ছিল, যেহেতু বাংলাদেশী কোম্পানি এটা টেকওভার করেছে, সেহেতু পণ্যের গুণগত মান আগের মতো থাকবে কিনা? আমাদের পণ্যের যারা ক্রেতা তাদের ভেতরেও একটা আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু এখন তারা দেখছে, আকিজ বরং আগের ম্যানেজমেন্টের চেয়েও ভালো মানের পণ্য তৈরির চেষ্টা করছে। এর একটাই কারণ, আকিজ গ্রুপ বরাবরই মানসচেতন প্রতিষ্ঠান। সে কারণে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে পুরোপুরি অধিগ্রহণের পরও আমাদের ক্রেতারা দুই-তিন মাস পর্যবেক্ষণ করেছে। দেখতে চেয়েছে, পণ্যের মান ঠিক থাকে কিনা।

হেলাল আহমেদ বলেন, ম্যানেজমেন্ট এফিশিয়েন্সি দিয়ে আমরা গ্রাহক ও ক্রেতার আস্থা ফিরিয়ে এনেছি। আমাদের যারা মালিকপক্ষ তাদের উদ্দেশ্য শুধু আয় করা নয়, কর্মীদের কল্যাণের বিষয়টিও আমরা পুরোপুরি অনুসরণ করছি। এখানকার শ্রম আইন, এখানকার সমাজ-সংস্কৃতি সবকিছু মাথায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমরা বুঝতে দিচ্ছি না যে এখানে ম্যানেজমেন্ট পরিবর্তন হয়েছে।

ভবিষ্যৎ ব্যবসা নিয়ে তিনি বলেন, আমরা এখন ফিজিবিলিটি চেক করছি, মার্কেটে টোটাল ডিমান্ড কত, রিটার্ন অব ইনভেস্টমেন্ট কত— এগুলো অ্যানালাইসিস করছি। এরপর আমরা র ম্যাটেরিয়াল অর্থাৎ উড বা কাঠের কতটুকু জোগান নিশ্চিত করতে পারব, সেসব বিষয়েও নিজস্ব জরিপ চালাচ্ছি। যদিও মালয়েশিয়ায় আগামী ৫০ বছরে রাবার গাছের জোগান নিয়ে অনিশ্চয়তার কিছু দেখি না।

কী উৎপাদন হয়: রাবার ও বিষুবীয় (ট্রপিক্যাল) গাছের আঁশের সঙ্গে রেজিন বা গ্লু মিশিয়ে তৈরি হয় মিডিয়াম ডেনসিটি ফাইবার (এমডিএফ) বোর্ড। রাবার ফাইবার দিয়ে আসবাবের বোর্ড আবার বিষুবীয় গাছের আঁশ দিয়ে মেঝের বোর্ড তৈরি হয় রবিন রিসোর্সেসের কারখানায়।

বছরে ২ লাখ ৫২ হাজার টন রাবার গাছের আঁশ ও ১ লাখ ৮ হাজার টন বিষুবীয় গাছের আঁশের সঙ্গে গ্লু মিশিয়ে উচ্চ তাপে জার্মান মেশিনে এমডিএফ ও ফ্লোরিং বোর্ড তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। রাবারের আঁশ থেকে তৈরি এফডিএম বোর্ডের গড় মূল্য প্রতি ঘনমিটার ৯০৯ রিঙ্গিত বা ২২২ ডলার। এ পণ্যের বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ২ লাখ ১৬ হাজার ঘনমিটার। অন্যদিকে বিষুবীয় গাছের আঁশ থেকে তৈরি মেঝের জন্য বোর্ডের গড় মূল্য প্রতি বর্গমিটারে ৩১ রিঙ্গিত বা ৭ দশমিক ৪ ডলার। এ পণ্যের বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ৪৫ লাখ বর্গমিটার।

পণ্যের মানের ক্ষেত্রে ডেনসিটি বা আঁশ ও গ্লুর ঘনত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার। এছাড়া অন্য প্যারামিটারের মধ্যে আছে ইন্টারনাল বন্ডিং আইবি। আইবি যত বাড়বে বোর্ডের মান তত ভালো হবে, মজবুত হবে।  

উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনায় ‘এনভায়রনমেন্ট, হেলথ, সেফটি অ্যান্ড সোস্যাল (ইএএইচএসএস)’ ব্যবস্থা কঠোরভাবে অনুসরণ করে আকিজ। একদিকে গাছ লাগানো হয়, অন্যদিকে কাটা হয়। স্থানীয় বাজারে রাবার গাছের বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে। সেখান থেকেই জোগান আসছে কাঁচামালের। রেজিনও স্থানীয় পর্যায় থেকেই সরবরাহ হয়, আমদানির প্রয়োজন পড়ে না। মেঝে বা ফ্লোরিং বোর্ডের গুণগত মান রক্ষায় যে কাগজ ব্যবহার হয় তা আসে জার্মানি থেকে।

কর্মসংস্থান: ২০১৮ সালের ১৮ মে থেকে এখন পর্যন্ত আকিজ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশির উদ্দিনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দুজন বাংলাদেশী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ পরিচালনায় কার্যক্রম চলছে রবিন রিসোর্সেসের। বাংলাদেশী দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মী সংখ্যা ৪৯৫ জন। এর মধ্যে ৩৫ জন প্রশাসনিক কর্মী। বাকিরা সবাই কারখানার ফ্লোর পর্যায়ে সরাসরি বোর্ড তৈরির কাজে সম্পৃক্ত। প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা কারখানা সচল রাখেন এ কর্মীরা। মালয়েশিয়ার সরকারি মজুরি কাঠামো অনুযায়ী নিম্নতম গ্রেডের কর্মীরা এক মাসে আয় করেন ন্যূনতম ১ হাজার রিঙ্গিত বা বাংলাদেশী টাকায় ২১ হাজার টাকা।

রবিন রিসোর্সেসের কর্মীদের বেশির ভাগেরই বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছর। এর মধ্যে ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সেরই বেশি। কর্মীদের অনেকেই ২০-২৪ বছর ধরে কাজ করছেন। তারা সবাই অভিজ্ঞ। মালয়েশিয়ায় কর্মীদের আর্থসামাজিক অবস্থানও ভালো। পেশাজীবী মনোভাব নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এখানে। আকিজের পক্ষ থেকে এখন টিমওয়ার্কের মাধ্যমে ভালো উৎপাদনের পাশাপাশি কর্মীদের মধ্যে ওনারশিপ মনোভাব সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

উৎপাদিত পণ্যের বাজার: বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর পর এখন পর্যন্ত মোট ৪৯টি দেশে রবিন রিসোর্সেসের পণ্য রফতানি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে হচ্ছে ৩১টি দেশে। প্রধান বাজারগুলোর মধ্যে আছে ভারত, শ্রীলংকা, ওমান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত। আরো আছে কেনিয়া, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, কুয়েত, ইথিওপিয়া, তানজানিয়া। রবিন সিসোর্সেস থেকে শুধু বাংলাদেশেই বছরে ১০ হাজার ঘনমিটার এমডিএফ বোর্ড রফতানি হয়, যা থেকে রবিনের আয় হয় বছরে ২ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ৯ কোটি ৪ লাখ রিঙ্গিত। বাংলাদেশী মুদ্রায় ১৮৪ কোটি ৭২ লাখ টাকার বোর্ড মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে রফতানি করে আকিজ গ্রুপ।

রবিন রিসোর্সেস মালয়েশিয়া এসডিএনে তৈরি হয় আসবাব তৈরির বোর্ড। আর রবিনা ফ্লোরিং মালয়েশিয়া এসডিএনে উৎপাদিত হয় মেঝে নির্মাণের বোর্ড। রবিনের বার্ষিক টার্নওভার ১৭ কোটি রিঙ্গিত। রবিনার বার্ষিক টার্নওভার সাড়ে ৭ কোটি রিঙ্গিত। দুই কারখানা মিলিয়ে বার্ষিক টার্নওভার ২৪ কোটি ৫০ লাখ রিঙ্গিত। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ কম-বেশি ৫০০ কোটি টাকা, যার ৩০ শতাংশ আসে মালয়েশিয়ার স্থানীয় বাজার থেকে। বাকি ৭০ শতাংশ আসে রফতানির মাধ্যমে।

আকিজের আগে প্রায় ২৫ বছর ধরে রবিন রিসোর্সেস পরিচালনা করেছে আগের মালিকপক্ষ। শুরু থেকেই সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে একটা ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। আকিজের টেকওভারের আগেই বিশ্বব্যাপী সুনাম ছড়িয়েছে রবিনের।

অন্য প্রতিষ্ঠানের হাতে লাভজনক ব্যবসা কেন ছেড়ে দেয়া হলো— এ প্রশ্ন করা হলে রবিনের পুরনো মালিকানার নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি টি চুয়া বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাতা মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় প্রজন্ম ব্যবসা দেখাশোনায় আসে। কিন্তু এখন ব্যবসায় আর গাঁট বাঁধতে পারছে না দ্বিতীয় প্রজন্ম। দ্বিতীয় প্রজন্মের মালিকের সন্তান একজন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন এবং এ ব্যবসায় আগ্রহী নন। সব মিলিয়ে ব্যবসা বিক্রি করে দেয়ার বাধ্যবাধকতা দেখা দিয়েছে। ফলে লাভজনক ব্যবসা হলেও ছেড়ে দিতে হয়েছে।

গত ১৯ ডিসেম্বর আকিজ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশির উদ্দিন প্রকল্প পরিদর্শনে যান। সেখানে কথা বলার সুযোগ হয় তার সঙ্গে। এ সময় মালয়েশিয়ায় নতুন বিনিয়োগ আরো টেকসই করার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন এখানে সিঙ্গেল লাইনে প্রডাকশন হচ্ছে, আমরা সম্প্রসারণ করে মাল্টিলাইনে যাওয়ার চিন্তা করছি। নিকট ভবিষ্যতে আমরা আরো একটা লাইন সম্প্রসারণ করব। এতে পণ্যে বৈচিত্র্য আসবে। প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে, আবার পরিবর্তনশীল ব্যয়ও কমবে। পণ্যে বৈচিত্র্য এলে বাজারে এর সুবিধাটাও পাব আমরা। ব্যবসাকে আরো টেকসই করার কার্যক্রম আমরা এরই মধ্যে হাতে নিয়েছি। এর জন্য সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা চালাবেন, এমন একজনকে আমরা নিয়োগ দিয়েছি। সরকার যদি ইকুইটি অ্যাপ্রুভাল দেয়, তাহলে আমাদের আরেকটা লাইন স্থাপন সহজ হবে।

এ প্রকল্প পরিচালনায় চ্যালেঞ্জগুলো প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ বশির উদ্দিন বলেন, যে চ্যালেঞ্জগুলো এসেছে তার মধ্যে ম্যানেজমেন্টে ট্রান্সফরমেশনের বিষয়টি ছিল। সিনিয়র টিমে চেঞ্জ হয়েছে। এ ট্রান্সফরমেশন ম্যানেজমেন্ট একটা চ্যালেঞ্জ, কারণ খেয়াল রাখতে হচ্ছে বিজনেসে যেন কোনো ডিসরাপশন না হয়।

মালয়েশিয়ায় আকিজের বিনিয়োগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক কোনটি, এমন প্রশ্নের উত্তরে শেখ বশির উদ্দিন বলেন, একটা বিষয় বড় করে এখন বলা যায় যে, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশী একটি কোম্পানি যারা বাইরের লোকাল করপোরেট কিনেছে। বাংলাদেশের ম্যানেজারদের যে ক্রস বর্ডার ইনিশিয়েটিভ নেয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, এটা তার প্রমাণ। এখানে দেখছেন যে, অলরেডি দুজন বাংলাদেশী সিনিয়র রোলে কাজ করছেন। এটাও একটা অর্জন।

সূত্র: বনিকবার্তা
এমএ/ ০৮:৪৪/ ২১ জানুয়ারি

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে