Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ৪ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৭-২০-২০১৩

ফরিদপুরে আ.লীগ নেতার গাড়িবহরে হামলা-গুলি


	ফরিদপুরে আ.লীগ নেতার গাড়িবহরে হামলা-গুলি

ফরিদপুর, ২০ জুলাই - ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রাথী মেজর (অব.) আ ত ম হালিমের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়েছে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সমর্থকেরা।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সালথা উপজেলার ঠেনঠেনিয়া বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এতে মেজর (অব.) হালিম ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গাড়িবহরে হামলা চলিয়ে ১০ থেকে ১২টি গাড়ি ভাঙচুর করে ও দুটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় হালিমের ভাগ্নে নজরুল ইসলাম (৩৫) গুলিবিদ্ধ হন। আহত সবাইকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া হালিমের গাড়িতে থাকা নগদ ২২ লাখ টাকা, শটগান ও একটি পিস্তল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ অভিযোগ করেছেন নজরুল ইসলাম।

হামলার সময় হালিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। তাকেও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মেজর (অব.) আ ত ম হালিম তার বাবার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে গ্রামের বাড়ি নগরকান্দা থানার বল্লভদী গ্রামে যাচ্ছিলেন। এজন্য সকালে শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় থেকে শতাধিক মাইক্রোবাস নিয়ে রওনা হন।

পথে ঠেনঠেনিয়া বাজার এলাকায় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সমর্থক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল রহমান চয়ন, আবু জাফর মিয়া, হাবিব মুন্নুর নেতৃত্বে হালিমের গাড়িবহরে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়।

হামলায় হালিম ও দৈনিক ইত্তেফাকের ফরিদপুর প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম হিমেলসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়।

হামলাকারীরা হালিমের গাড়িবহরে থাকা ১০/১২টি মাইক্রোবাস ভাঙচুর ও একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর মধ্যে সাংবাদিকদের বহনকারী তিনটি মাইক্রো রয়েছে।

মেজর (অব.) হালিমের সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনার দুই ঘণ্টা পরও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়নি। এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবসার উদ্দিনকে বার বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন কল রিসিভ করেননি।

হাসপাতাল থেকে মেজর হালিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর লোকজন হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর ও আমার সমর্থকদের কুপিয়ে, গুলি করে জখম করেছে।’

তিনি বলেন, ‘ওরা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, যাতে করে এই আসনে আমি আর নির্বাচন না করতে পারি।’

জনতার হাতে গণধোলাইয়ের শিকার মেজর হালিম
অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, দুপুর ১২টায় প্রগ্রেসিভ ডেমোগ্র্যাটিক পার্টির (পিডিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক মেজর (অব.) আ ত ম হালিম পিডিপির একটি মিটিংয়ে যাচ্ছিলেন। পথে মাদ্রাসাগোট্টি নামক স্থানে জনতা বাধার মুখে পড়েন তিনি ও তার সমর্থকরা। এসময় তিনি বাধা পেরিয়ে যেতে চান এবং তার হাতে শটগান থেকে জনতার উদ্দেশে গুলি ছোড়েন। এতে এলাকার ৭/৮ জন নিরীহ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ মেজর (অব.) হালিমকে গণধোলাই দেয়। হালিম শটগোন ফেলে পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ শটগান ও কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

ফরিদপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে