Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ৪ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (11 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০১-১১-২০১৯

‘আমার জীবনে গোপন কিছু নেই’! মনের দরজা খুলে দিলেন স্বস্তিকা

বিশাখা পাল


‘আমার জীবনে গোপন কিছু নেই’! মনের দরজা খুলে দিলেন স্বস্তিকা

প্রায় পাঁচ বছর পর সৃজিতের ছবিতে স্বস্তিকা। স্ক্রিন শেয়ার করলেন পরমব্রতর সঙ্গেও। কোথাও কি কাঁপন ধরাল প্রাক্তন সম্পর্কের অনুরণন? ‘শাহজাহান রিজেন্সি’-র স্বস্তিকা কুণ্ঠাহীন। খুলে দিলেন মনের দরজা।

‘শাহজাহান রিজেন্সি’র ‘কিচ্ছু চাইনি আমি’ গানটা তো দারুণ হিট। আপনি তো তাদেরই দলে যারা বার বার মরে যায়? নাকি?

স্বস্তিকা: না, না একদম না। আমি একদম জ্যান্ত থাকি (হাসি)।

কিন্তু এই ছবিতে আপনাকে দেখলে তো কেউ না কেউ মরে যাবে মনে হচ্ছে (হাসি)।

স্বস্তিকা: কেন! এ আবার কী! (হাসি) আমি যেমন তেমনই তো কাজ করেছি।

সত্যি করে বলুন তো, পরমব্রত, সৃজিত বা সুমন কাউকে মিস করেন না?

স্বস্তিকা: না। আমার মনে হয় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকেরই একটা ম্যাচিওরিটি আসে। পরম কোনও একটা ইন্টারভিউতে বলেছে দেখলাম, যখন বয়সটা অল্প থাকে, তখন প্রাক্তনের সঙ্গে কাজ করতে একটা কোথাও অস্বস্তি বোধ হয় বা একসঙ্গে কাজ করতে গেলে অসুবিধা হয়। আমার মনে হয় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমরা আপস করতে শিখে যাই। আমরা সবাই, যারা ‘শাহজাহান রিজেন্সি’-তে কাজ করেছি, কেউ কারও প্রাক্তন বা কেউ কারও বন্ধু। যেমন অনির্বাণের সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ। ওর প্রচুর কাজ আমি দেখেছি।

আর অনির্বাণ আপনার বন্ধু স্থানীয়ও…

স্বস্তিকা: হ্যাঁ। ওর খুবই ফ্যান আমি। অভিনেতা অনির্বাণকে খুব পছন্দ করি। কিন্তু ওর সঙ্গে কোনওদিন কাজ করিনি আগে তবে কাজের বাইরে অনেকবারই ওর সঙ্গে দেখা হয়েছে। আমরা সবাই কিন্তু খুবই প্রফেশনালি কাজটা করেছি। এটা খুবই শক্ত একটা ছবি। কোনও একটা রোলও নেই, যেটা খুবই হাসতে-হাসতে, খেলতে-খেলতে করে ফেলা যাবে। সেইজন্য শুটিং ফ্লোরে সবাই আসত ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন আলমারিতে তুলে দিয়ে। মনে হয় যার সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছে বা হয়েছিল তার জন্য সব মানুষের জীবনেই একটা জায়গা থাকে। তাদের মিস করি বা না করি। কিন্তু অস্বস্তিকর ব্যাপার হচ্ছে যে সম্পর্ক টিকে না থাকলে, একের পর এক নাম সবাই একটা লিস্টে অ্যাড করতে থাকে। সেটা খুবই আনফরচুনেট। খুব অস্বস্তিকর। মানে লালের (সুমন মুখোপাধ্যায়) সঙ্গে যখন সম্পর্ক ছিল, সবাই পরম আর সৃজিতের নাম টেনে আনত। এখন যেমন, লালের নামটাও সেই প্রাক্তনের তালিকায় যোগ হয়ে গিয়েছে। আমি যখন মারা যাব, একটা পুরো পাতা নাম নিয়েই বোধহয় মারা যাব। প্রশ্নটা হবে যে, এই-এই, অমুক-অমক এদের কী হল? (জোরে হাসি)। লিস্টটা ক্রমশ তো বাড়তে থাকে, তাই না?

আসলে একই টলিউড ইন্ডাস্ট্রি তো…

স্বস্তিকা: হ্যাঁ, একই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করি তো আমরা, ফলে একই ছবিতে কাজ না করলেও, যে কোনও সময়েই দেখা হয়ে যেতে পারে, যায়ও। যাদের সঙ্গে কোনও না কোনওদিন সম্পর্ক ছিল, তারা কেউ অন্য শহরে চলে গিয়েছে, কেউ বা প্রফেশন চেঞ্জ করে ব্যাংকে চাকরি করছে বা ডাক্তারি করছে সেরকম তো নয়। আমরা একই ফিল্ডে আছি, যে যা কাজ করত সেই কাজই করছে। মনে হয়, ম্যাচিওরিটি তো এটাতেই আছে যে, দেখা হলে যাতে ‘কী গো ভাল আছ?’ বা ‘কী রে ভাল আছিস?’ সেটুকু জিজ্ঞেস করার মতো জায়গা যেন প্রত্যেকটা মানুষের থাকে। মনে করি সেটা যথেষ্ট ডিসেন্সি বা ম্যাচিওরিটির লক্ষণ। এটা আমি করেছি। বাকিরা তাদের জীবনে তাদের মতো করে আছে। আমি আমার মতন করে আছি। যেটা বললাম, যাদের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বা যাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, বা যাদের সঙ্গে সম্পর্ক কোনওদিনই নেই, মনে হয় প্রত্যেকের জন্যই একটা আলাদা জায়গা সবার জীবনে থাকে। সৃজিতের জায়গায় পরম কোনওদিনই আসবে না। আবার সৃজিতের জায়গায় লালকে ইনক্লুড করার কোনও মানে নেই। উচিতও নয়। কারণ প্রত্যেকের সঙ্গে আমার সম্পর্কের স্টেজ তো এক ছিল না। কারও সঙ্গে হয়তো এক বছরের সম্পর্ক ছিল। কারও সঙ্গে পাঁচ বছরের। কাজেই একই স্পেসে তিনজনকে তো ফেলা যাবে না।

প্রায় পাঁচ বছর পর সৃজিতের ছবিতে স্বস্তিকা। স্ক্রিন শেয়ার করলেন পরমব্রতর সঙ্গেও। কোথাও কি কাঁপন ধরাল প্রাক্তন সম্পর্কের অনুরণন? ‘শাহজাহান রিজেন্সি’-র স্বস্তিকা কুণ্ঠাহীন। খুলে দিলেন মনের দরজা।

‘শাহজাহান রিজেন্সি’র ‘কিচ্ছু চাইনি আমি’ গানটা তো দারুণ হিট। আপনি তো তাদেরই দলে যারা বার বার মরে যায়? নাকি?

স্বস্তিকা: না, না একদম না। আমি একদম জ্যান্ত থাকি (হাসি)।

কিন্তু এই ছবিতে আপনাকে দেখলে তো কেউ না কেউ মরে যাবে মনে হচ্ছে (হাসি)।

স্বস্তিকা: কেন! এ আবার কী! (হাসি) আমি যেমন তেমনই তো কাজ করেছি।

সত্যি করে বলুন তো, পরমব্রত, সৃজিত বা সুমন কাউকে মিস করেন না?

স্বস্তিকা: না। আমার মনে হয় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকেরই একটা ম্যাচিওরিটি আসে। পরম কোনও একটা ইন্টারভিউতে বলেছে দেখলাম, যখন বয়সটা অল্প থাকে, তখন প্রাক্তনের সঙ্গে কাজ করতে একটা কোথাও অস্বস্তি বোধ হয় বা একসঙ্গে কাজ করতে গেলে অসুবিধা হয়। আমার মনে হয় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমরা আপস করতে শিখে যাই। আমরা সবাই, যারা ‘শাহজাহান রিজেন্সি’-তে কাজ করেছি, কেউ কারও প্রাক্তন বা কেউ কারও বন্ধু। যেমন অনির্বাণের সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ। ওর প্রচুর কাজ আমি দেখেছি।

আর অনির্বাণ আপনার বন্ধু স্থানীয়ও…

স্বস্তিকা: হ্যাঁ। ওর খুবই ফ্যান আমি। অভিনেতা অনির্বাণকে খুব পছন্দ করি। কিন্তু ওর সঙ্গে কোনওদিন কাজ করিনি আগে তবে কাজের বাইরে অনেকবারই ওর সঙ্গে দেখা হয়েছে। আমরা সবাই কিন্তু খুবই প্রফেশনালি কাজটা করেছি। এটা খুবই শক্ত একটা ছবি। কোনও একটা রোলও নেই, যেটা খুবই হাসতে-হাসতে, খেলতে-খেলতে করে ফেলা যাবে। সেইজন্য শুটিং ফ্লোরে সবাই আসত ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন আলমারিতে তুলে দিয়ে। মনে হয় যার সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছে বা হয়েছিল তার জন্য সব মানুষের জীবনেই একটা জায়গা থাকে। তাদের মিস করি বা না করি। কিন্তু অস্বস্তিকর ব্যাপার হচ্ছে যে সম্পর্ক টিকে না থাকলে, একের পর এক নাম সবাই একটা লিস্টে অ্যাড করতে থাকে। সেটা খুবই আনফরচুনেট। খুব অস্বস্তিকর। মানে লালের (সুমন মুখোপাধ্যায়) সঙ্গে যখন সম্পর্ক ছিল, সবাই পরম আর সৃজিতের নাম টেনে আনত। এখন যেমন, লালের নামটাও সেই প্রাক্তনের তালিকায় যোগ হয়ে গিয়েছে। আমি যখন মারা যাব, একটা পুরো পাতা নাম নিয়েই বোধহয় মারা যাব। প্রশ্নটা হবে যে, এই-এই, অমুক-অমক এদের কী হল? (জোরে হাসি)। লিস্টটা ক্রমশ তো বাড়তে থাকে, তাই না?

আসলে একই টলিউড ইন্ডাস্ট্রি তো…

স্বস্তিকা: হ্যাঁ, একই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করি তো আমরা, ফলে একই ছবিতে কাজ না করলেও, যে কোনও সময়েই দেখা হয়ে যেতে পারে, যায়ও। যাদের সঙ্গে কোনও না কোনওদিন সম্পর্ক ছিল, তারা কেউ অন্য শহরে চলে গিয়েছে, কেউ বা প্রফেশন চেঞ্জ করে ব্যাংকে চাকরি করছে বা ডাক্তারি করছে সেরকম তো নয়। আমরা একই ফিল্ডে আছি, যে যা কাজ করত সেই কাজই করছে। মনে হয়, ম্যাচিওরিটি তো এটাতেই আছে যে, দেখা হলে যাতে ‘কী গো ভাল আছ?’ বা ‘কী রে ভাল আছিস?’ সেটুকু জিজ্ঞেস করার মতো জায়গা যেন প্রত্যেকটা মানুষের থাকে। মনে করি সেটা যথেষ্ট ডিসেন্সি বা ম্যাচিওরিটির লক্ষণ। এটা আমি করেছি। বাকিরা তাদের জীবনে তাদের মতো করে আছে। আমি আমার মতন করে আছি। যেটা বললাম, যাদের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বা যাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, বা যাদের সঙ্গে সম্পর্ক কোনওদিনই নেই, মনে হয় প্রত্যেকের জন্যই একটা আলাদা জায়গা সবার জীবনে থাকে। সৃজিতের জায়গায় পরম কোনওদিনই আসবে না। আবার সৃজিতের জায়গায় লালকে ইনক্লুড করার কোনও মানে নেই। উচিতও নয়। কারণ প্রত্যেকের সঙ্গে আমার সম্পর্কের স্টেজ তো এক ছিল না। কারও সঙ্গে হয়তো এক বছরের সম্পর্ক ছিল। কারও সঙ্গে পাঁচ বছরের। কাজেই একই স্পেসে তিনজনকে তো ফেলা যাবে না।

এই চরিত্রেই জয়া আহসানের করার কথা ছিল না?

স্বস্তিকা: এই বিষয়ে আমি একদম ক্লুলেস।

আপনার জীবনে হোটেলের অভিজ্ঞতা কেমন? আছে নাকি কোনও গভীর-গোপন গল্প?

স্বস্তিকা: (হাসি) আমার জীবনে তো গোপন কিছুই নেই। সবাই সব জানে।

তবু হোটেল এবং হোটেল-ঘর। সুইট… কিচ্ছু গল্প নেই? প্লিজ বলুন না…

স্বস্তিকা: কাজের সূত্রে বিদেশের হোটেলে গিয়ে এমন হয়েছে, ওয়াশরুমে গিয়ে বিপদ! সেটা কেরিয়ারের শুরুর দিকে। সবথেকে অসুবিধা হত শাওয়ারটা বুঝতে পারতাম না। বা হাইফান্ডা কমোডে এত সুইচ, কোনটা পুশ করব বুঝতে পারিনি। কাউকে জিজ্ঞেস করতেও অসম্মানিত লাগত। মনে হত হাউসকিপিং থেকে কাউকে ডেকে এনে সুইচগুলো মুখস্থ করে নিই। বা বাড়ি ফিরেই বাথরুমে যাই। একটা হোটেলে থাকার এত চাপ হলে- থাক! (হাসি)

আর হোটেলে প্রেম বা ডেট?

স্বস্তিকা: হুম্‌… না ডেট করতে হোটেলে যাইনি। প্রেম করতেও হয়তো না। কলকাতায় হয়তো কারও সঙ্গে দেখা করতে সমস্যা হচ্ছে, কারণ কফি খেতে দেখলেও তো মানুষের ধারণা হয়, তার সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছে, সেটা খুব চাপের। তখন হোটেলের সাহায্য নিয়েছি।

শেষ প্রশ্ন, কখনও মনে হয়েছে শুটিং ফ্লোরে সৃজিত, আপনি আর পরমব্রত- অ্যাকশন-রিঅ্যাকশন নিয়েই আরেকটা ছবির চিত্রনাট্য লেখা হয়ে যেতে পারে?

স্বস্তিকা: ওহ্ (হাসি)… আপনারা পারেনও!

সাক্ষাৎকার

আরও সাক্ষাৎকার

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে