Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-০৬-২০১৯

বিভিন্ন ধর্মে তালাক এবং ইসলামে তালাকের অবস্থান

হাবীবুল্লাহ সিরাজ


বিভিন্ন ধর্মে তালাক এবং ইসলামে তালাকের অবস্থান

মানুষকে সুখী করার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বহু বিধিবিধান দিয়েছেন। অত্যাচারীকে বন্দি, দেশান্তর, শুলে চড়ানো এমনকি হত্যারও আদেশও দিয়েছেন পরিস্থিতি প্রেক্ষাপট বুঝে। কখনো হাত কাটার আবার কখনোও বেত্রাঘাতের হুকুম দিয়েছেন।

এ সবই মহান আল্লাহ দিয়েছেন মানুষের মাঝে যেন শান্তি ও নিরাপত্তা অটুট থাকে। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে আল্লাহর জমিনে চলাফেরা করতে পারে। কিন্তু অশান্তির শুরু যদি হয় নিজের ঘর থেকে? অশান্তির কারণ যদি হয় নিজের স্বামী বা স্ত্রী? এক্ষেত্রে করণীয় কী? সেই বিধানও দিয়েছেন মহান আল্লাহ তার কোরআনুল কারিমে।

ঘোষণা হচ্ছে- الطَّلاَقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ

তরজমা : তালাক (বেশির চেয়ে বেশি) দু’বার হওয়া চাই, অতপর (স্বামীর জন্য দুটি পথই খোলা আছে) হয়তো নীতি সম্মতভাবে তাকে (স্ত্রীকে) রেখে দিবে, (অর্থাৎ তালাক প্রত্যাহার করে নিবে) অথবা উৎকৃষ্ট পন্থায় তাকে ছেড়ে দেবে (অর্থাৎ তালাক বহাল রেখে ইদ্দত শেষ করতে দিবে) (সূরা বাকারাহ: ২২৯।)

অন্যত্রে- فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ فَارِقُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ وَأَشْهِدُوا ذَوَيْ عَدْلٍ مِنْكُمْ

তরজমা : অতপর তাদের ইদ্দত শেষ পর্যায়ে পৌঁছলে তোমরা হয় তাদেরকে যথাবিধি (নিজেদের বিবাহাধীন) রেখে দেবে অথবা তাদেরকে যথাবিধি বিচ্ছিন্ন করে দেবে। আর নিজেদের মধ্য হতে ন্যায়নিষ্ঠ দুজন লোককে সাক্ষী রাখেবে’ (সূরা: তালাক ০২)।

সুতরাং অশান্তি হলে তার থেকেই উত্তরণের উপায়ও আল্লাহ তায়ালা বলে দিয়েছেন। আমাদের সমাজে তালাক সম্পর্কে প্রচুর অজ্ঞতা রয়েছে। শিক্ষিত একদল রয়েছে যারা ইসলাম ধর্মটাকে ধর্ম করলেও সেভাবে মানে না, আরেকদল যারা ইসলাম নয় কোনো ধর্মকেই মানে না। তারা বলে তালাকের অধিকার একমাত্র পুরুষকে দিয়ে, নারীকে না দিয়ে একপ্রকার প্রহসন চাপিয়ে দিয়েছেন নারীসমাজের ওপর!

নারীপুরুষে অধিকার সমান চাই সকল ক্ষেত্রে! আরেকদল রয়েছে যারা বলে- তালাক বলতে কিছু নেই। বনিবনা না হলে কোর্টের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর ফয়সালা হবে। মুখে বলে দিলেই তালাক হবে না। ইচ্ছা করলেই বিবাহ বিচ্ছেদ হবে না! ‘নারী’ গ্রন্থের ৭৬/৭৮ পৃষ্ঠায় লেখে- ‘তালাক (বিবাহ বিচ্ছেদ) স্ত্রীর জন্য ফাঁসির রুজ্জু খোলার মতই কঠিন। অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রেই নারী জীবন কাটায় তালাকের খড়গের নীচে। যে কোনো সময় ওই খড়গ নেমে আসতে পারে’।

এই কথা থেকে বুঝা যায় তালাক সম্পর্কে তার যৎসামান্য জ্ঞানও নেই। স্ত্রীরও স্বামী ত্যাগের সুযোগ রয়েছে’ এই কথা তার জানা নেই। এমন নাস্তিকদের বলবো বাংলাদেশের সরকার অনুমোদিত বিবাহ রেজিস্টার খাতায় দেখুন- স্ত্রীকে তালাকের অধিকার প্রদান করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা তালাককে হালাল করেছেন বলে এর যথেচ্ছা ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। স্বামী চাইলেই তার স্ত্রীকে তালাক দিবে’ ইসলাম কখনো এমনটা বলিনি, বরং এর প্রচন্ড বিরোধিতা করেছে। দেখুন হাদিসের কিতাবগুলোতে তালাকের ব্যাপারে কত হুশিয়ারি রয়েছে।

তালাক সম্পর্কে হাদিসের ভাষ্য:

(১) عَن محَارب بن دثار قَالَ، قَالَ رَسُول الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم : أبْغض الْحَلَال إِلَى الله الطَّلَاق

তরজমা : হজরত মুহারিব ইবনে দিসার থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- হালাল বস্তু থেকে আল্লাহর নিকট সবচে’ ঘৃণিত হলো তালাক (আবু দাউদ ২১৭৭)। এই হাদিস থেকে বুঝলাম নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া তালাক দেওয়ার বৈধতা নেই।

(২) عن شهر بن حوشب قال، قال رسول الله صلي الله عليه وسلم إنَّ اللَّهَ لاَ يُحِبُّ كُلَّ ذَوَّاقٍ مِنَ الرِّجَالِ وَلاَ كُلَّ ذَوَّاقَةٍ مِنَ النِّسَاءِ

তরজমা : (একটি দীর্ঘ হাদিসের শেষাংশ) শাহর ইবনে হাওশাব বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- বহুনারীর স্বাদ আস্বাদনকারী পুরুষ এবং বহুপুরুষের স্বাদ আস্বাদনকারিনী মহিলাকে নিঃসন্দেহে আল্লাহ পছন্দ করেন না। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ১৯৫৩৫)

(৩) قَالَ عَلِيٌّ: الطَّلاَقُ قَبِيحٌ، أَكْرَهُهُ

তরজমা : (সংক্ষিপ্ত) হজরত আলী (রা.) বলেন তালাক একটি ঘৃণিত বস্তু। আমি তালাককে অত্যন্ত ঘৃণা করি’ (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ১৯৭০১)।

তালাক সম্পর্কে ফুকায়েকেরামের অভিমত:

(১) আল্লামা ইবনে আবেদিন শামী (রহ.) বলেন- তালাক প্রদান মূলত একটি হারাম কাজ। শুধুমাত্র অতিপ্রয়োজনের সময় বৈধ। স্বামী-স্ত্রী উভয়ের অবস্থা যখন এমন হয়ে যায় যে, এখন ছাড়াছাড়ি ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই, বরং বিচ্ছেদই মুক্তি। তখন তালাক বৈধ, অন্যথায় নিষিদ্ধ। (ফতোয়ায়ে শামী ৩/২২৮

(২) ফিকহে হানাফির বিখ্যাত ফতোয়াগ্রন্থ হিদায়াতে আল্লামা আবু বকর আলমুরগিনানী (রহ.) লিখেন- তালাক দেয়া নিষেধ, কারণ এর দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। অথচ বিবাহের সঙ্গে ইহকালীন ও পরকালীন বহু উপকার নিহিত। তাই একান্ত প্রয়োজনে (যখন তালাক ছাড়া মুক্তির অন্যকোনো পথ থাকে না) তালাক প্রদান বৈধ। (হিদায়া ফতহুল কাদিরসহ ৩/৪৭১)

(৩) ‘বিনা কারণে তালাক দেয়া হারাম। এক সঙ্গে তিন তালাক দেয়া আরো বড় হারাম। কিন্তু হারাম হলেও মুখে উচ্চারিত হলেই তাহার প্রতিক্রিয়া হইবে। যেমন বন্দুকের ফায়ার একজন নিরীহ মুসলমানের প্রতি করা হারাম। কিন্তু করিলে সে মরিবেই নিশ্চয়ই এবং ফায়ারকারী তাহার শাস্তিও ভোগ করিতে হইবে নিশ্চয়ই। (শামসুল হক ফরিদপুরি রহ. গ্রন্থাবলী ২/৫৬)

ইসলামের তালাকের কিছু পদ্ধতি আছে। তালাকের প্রকার রয়েছে। যারা তালাককে সহজ মনে করে ইসলামের বিরুদ্ধাচরণ করতেছে তারা ভুল করছে।

খৃস্টান ধর্মে তালাক:

খৃস্টান মাযহাবগুলোর মধ্যে প্রধান হলো তিনটি ক্যাথলিক, অর্থোডক্স ও প্রটেষ্ট্যানট। ক্যাথলিক মাযহাবে তালাক একেবারে নিষিদ্ধ। স্ত্রী চরিত্রে অবিশ্বাস বা খেয়ানত জনিত কারণ ঘটলে তাদের বিছানা পৃথক রাখা হয় এবং এভাবে তিলে তিলে কষ্ট দেওয়া হয়। তবুও তালাকের মাধ্যমে উভয়কে পৃথক করা যায় না। একাধিক বিবাহ খৃস্টান ধর্মীয় গাম্ভীর্যের বিরোধী। কেননা ইনজীল মারকুস-এর কথিত ৮ ও ৯ আয়াতের বর্ণনা মতে ‘স্বামী-স্ত্রী দু’জন মিলে একটি দেহ। অতএব আল্লাহ যাদেরকে একত্রিত করেছেন, মানুষ তাদেরকে পৃথক করতে পারে না’ (يكون الإثنان جسدا واحدا...فالذى جمعه الله لايفرقه إنسان)

খৃস্টানদের বাকী দুটি মাযহাবে সীমিত কয়েকটি ক্ষেত্রে তালাক সিদ্ধ। যার প্রধান হলো পারস্পরিক অবিশ্বাস বা খেয়ানত। কিন্তু এই অবস্থায় তাদের মধ্যে তালাক সিদ্ধ হলেও স্বামী-স্ত্রী উভয়ের জন্য দ্বিতীয় বিবাহ নিষিদ্ধ।

হজরত তাকি উসমানি ফতহুল মুলহিমে আছে- খৃস্টান ধর্মে তালাক বলতে কোনো বিধান স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ছিল না। তাদের ধর্মে একবার কেউ স্বামী-স্ত্রী হলে আর পৃথক হওয়ার সুযোগ নেই, চাই তাদের মধ্যকার দ্বন্দ যা-ই হোক। পরবর্তীতে দেখা গেল এই আইন মানা কঠিন তাই নিজেরাই আইন পরিবর্তন করলো। সেই পরিবর্তনের নাম দিলো ‘শারীরিক পৃথকতা’। এই আইনের খোলাসা হলো স্বামী-স্ত্রী পৃথক পৃথক ভাবে থাকবে; কিন্তু সম্পর্ক ছিন্ন হবে না। স্বামীর বাড়ীতে স্ত্রী থাকবে বা স্বামীর অর্থেই স্ত্রীর ভরণপোষণ।

এই আইনও তাদের তাদের মাঝে বেশি দিন টিকলো না। তালাকের অধিকার পড়লো গীর্জার ওপর ধর্মগুরুর হাতে। তার কাছে অভিযোগ করলে তারা একটি ফয়সালা করবেন; চাইলে পৃথকও করে দিতে পারেন, চাইলে বনিয়েও দিতে পারেন। ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত খৃস্টান দুনিয়ার তালাক ছিল গীর্জা বা ধর্মগুরুর হাতে। তার পর থেকে আজ অবধি তালাকের অধিকার আদালতের হাতে। অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত তাদের মাঝে ফয়সালা করে দিবে। এই আইনই তাদের মাঝে এখনও বলবৎ আছে। তাকমিলাতু ফতহুল মুলহিম ১/১৩০-১৩২

ইয়াহুদি ধর্মে তালাক:

ইয়াহুদি ধর্মে তালাকের অবাধ সুযোগ রয়েছে। মন চাইলেই তালাক দিতে পারবে, আর এই অধিকার শুধুমাত্র স্বামীর। স্বামী চাইলে কারণ ছাড়াই তালাক প্রদান করতে পারে, তবে এটাকে তারা ভালো মনে করেনা। স্বামী দুই কারণে তালাক দিতে পারবে (এক) দেহগত ত্রুটি; যেমন চোখে কম দেখা, চোখ টেরা হওয়া, মুখ দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া, পিঠ কুঁজো হওয়া, ল্যাংড়া হওয়া, বন্ধ্যা হওয়া ইত্যাদি। (দুই) চরিত্রগত ত্রুটি। যেমন বেশরম হওয়া, বাজে বক বক করা, অপরিচ্ছন্ন থাকা, কৃপণ ও কঠোর প্রকৃতির হওয়া, অবাধ্য হওয়া, অপচয়কারিণী হওয়া, পেটুক হওয়া, পেট মোটা বা ভুঁড়িওয়ালী হওয়া, খাদ্যলোভী হওয়া, তুচ্ছ বিষয়ে গর্বকারিণী হওয়া ইত্যাদি।

বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোনো সুযোগ স্ত্রীর নেই। তবে ইয়াহুদিদের তালাকের পদ্ধতি হলো ‘লিখিত’ আকার। অলিখিত বা মুখের তালাকের কোনো মূল্য নেই। ইয়াহুদির আগেকার কিছু কিছু কিতাবাদিতে স্ত্রীকে তালাক চাওয়ার অধিকারে কথা উল্লেখ আছে। ইয়াহুদি ধর্মে একবার তালাক হয়ে গেল ওই স্ত্রী আর কখনো সেই স্বামীর জন্য বৈধ নয়।

হিন্দুধর্মে তালাক:

হজরত তাকি উসমানী দা.বা. লিখেন- খৃস্টানদের মতো হিন্দুদের মাঝেও তালাক পদ্ধতি নেই। স্ত্রী অন্যকারোর সঙ্গে পরক্রিয়া লিপ্ত হলেও না। পরবর্তীতে তাদের কাছে যখন এই আইন কঠিন মনে হলো তখন স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে তালাক প্রদান আইন শুরু হলো। তবে সকল হিন্দু এখনো এই আইনের পক্ষে মত দেয়নি। কট্টরপন্থি হিন্দু সম্প্রদায় এখনো আগের আইনের ওপরই আছে। ভারতের কিছু হিন্দু সম্প্রদায় নতুন আইন গ্রহণ করেছে আর কিছু গ্রহণ করেনি। ‘হিন্দু আইন’ এর লেখক তার বইয়ে লিখেন ১৮৬৬ সালে ব্রিটিশ সরকার বিবাহ বিচ্ছেদ হিন্দু আইনের স্বীকৃতি দেয়।

উপরোল্লিখিত মতামদের ভিত্তিতে বলা যায় তালাক বিষয়ে খৃস্টান ইয়াহুদি ও হিন্দুধর্ম বড়োই অসহায় ও প্রান্তিকতার শিকার। ইয়াহুদিদের তালাকের লাগামহীন স্বাধীনতা ও শিথিলতা হিন্দু ও খৃস্টানদের অধিকার না থাকা বা আদালতের হাতে ন্যস্ত হওয়া সবগুলোই মনুষ্যচিন্তা বহির্ভূত। বিনা দোষেই কেউ আদালতে অভিযোগ করলো, সঙ্গে মিথ্যে কিছু প্রমাণও পেশ করলো আদালত তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো!

তারচে’ বড়ো কথা হিন্দু, খৃস্টান ধর্মে তালাক বিষয়টি অপরিচিত? এটা কী সম্ভব? তালাকের অধিকার থাকতে হয়, না হলে সামাজিক জীবনে অশান্তির বারিঢল নামে। কীভাবে? আপনার স্ত্রী অপয়া নষ্টা তারপরও তার সঙ্গেই আপনাকে থাকতে হবে, কারণ বিচ্ছিন্নতার কোনো সুযোগ আপনার ধর্মের নেই। আর ইয়াহুদিদের বল্গাহীন। মন চাইলেই স্বামী বিবাহ বিচ্ছিন্ন করে দেবে’ এটা কী মানবতার পরিচয় হতে পারে? কখনো না।

তাই বলা যায়- তালাক বিষয়ে সবচে; সুন্দর ও কার্যকরী মতামত দিয়েছে ইসলাম। এখানে স্বামী-স্ত্রী যার যার অবস্থান থেকে পূর্ণ স্বাধীন। ইসলাম উভয়কে বলে- বনিবনা না হলে বিচ্ছিন্নতার পথ বেছে নাও, তবে এখানে যেন স্বামী-স্ত্রী কেউ যেন জুলুমের স্বীকার না হয়।

সূরাতুল বাকারাতে এই বিয়ে বিচ্ছন্নতার বিধিবিধান বর্ণনার একপর্যায়ে সকলকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তায়ালা সতর্ক করে দিয়েছেন, ‘এই তালাক (বিবাহবিচ্ছিন্ন বিষয়ে) যে বা যারা সীমালঙ্গন করবে তারাই বড়ো জালিম’ (আয়াত ২২৮)

আর স্ত্রীদেরকে সতর্ক করে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে নারী শরিয়তসম্মত ওজর ব্যতীত স্বামীর কাছে তালাক চাইবে সে জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না।’ (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা ১৯৬০)

আল্লাহ আমাদেরকে তালাক সম্পর্ক আরো জানার তাওফিক দান করুক, আমিন।

এইচ/১৮:১১/০৬ জানুয়ারি

ইসলাম

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে