Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৫ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১২-২৮-২০১৮

ভোট বর্জন করতে বললেন বিএনপি প্রার্থী এ্যানি

আমিনুল ইসলাম রোমান


ভোট বর্জন করতে বললেন বিএনপি প্রার্থী এ্যানি

লক্ষ্মীপুর, ২৭ ডিসেম্বর- লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নির্বাচনের কোনও পরিবেশ নেই অভিযোগ করে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টকে নির্বাচন বর্জনের পরামর্শ দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন করার কোনও পরিবেশ আমার নির্বাচনি এলাকায় নেই। পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় শাসক দলের পেটোয়া বাহিনী সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রচারের শেষ দিনেও আমি গণসংযোগ করতে পারিনি।

নির্বাচন বর্জন করার বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও জানিয়েছেন এ্যানি। তিনি বলেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে বলেছি, নির্বাচন করার মতো কোনো পরিবেশ নেই। দেশবাসী এটা দেখছে। আর নির্বাচন বর্জন যে যথাযথ (অ্যাপ্রোপ্রিয়েট), দেশবাসী এটা বিবেচনা করবে। নির্বাচন বর্জন করলেও যা হবে, না করলেও তা হবে।’ তবে তিনি এটাও বলেন, ‘পার্টি যদি বর্জন না করার সিদ্ধান্ত নেয়, যদি মনে করে আমাদের থাকতে হবে, তবে আমি নির্বাচনে থাকব। রক্তাক্ত হয়ে, হামলার শিকার হয়েও থাকব। রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে কেন্দ্রে থাকব। রক্তাক্ত শরীর নিয়েও থাকব।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি অভিযোগ করেন, আমাদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। মামলা দিচ্ছে। যারা হামলা করছে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না। উল্টো বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা চালানো হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক আমার ফোন ধরছেন না। পুলিশের পক্ষ থেকে আমাকে বের না হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এই অবস্থায় ভোট বর্জন ছাড়া আর কী করা যেতে পারে?

এ্যানি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে বলেছি, নির্বাচন করার মতো কোনও পরিবেশ নেই। দেশবাসী এটা দেখছে। নির্বাচন বর্জন করলেও যা হবে, না করলেও তাই হবে।’ তিনি বলেন,‘ তবে পার্টি যদি নির্বাচন বর্জন না করার সিদ্ধান্ত নেয়, যদি মনে করে আমাদের থাকতে হবে, তবে আমি নির্বাচনে থাকবো। রক্তাক্ত হয়ে, হামলার শিকার হয়েও থাকবো।

গত সোমবার গণসংযোগের সময় শহিদ উদ্দিন চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় তিন সাংবাদিক, বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ ৩০ জন আহত হন। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার শান্তিরহাট বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

শহিদ উদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমাদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। এলাকায় কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা করা হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ কেউ আমার ফোন ধরছেন না। পুলিশের পক্ষ থেকে আমাকে বের না হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’ এ অবস্থায় তিনি নির্বাচন বর্জন করার পক্ষে বলে জানান।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার পাল দাবি করেন, বিএনপি প্রার্থী নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে আমার কাছে যেসব বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছেন, আমি সবসময় তা করেছি। আমি উনার কলও রিসিভ করেছি। কখনও ফোন রিসিভ করতে না পারলে ব্যাক করেছি। উনার অভিযোগগুলো সত্য নয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেনের দাবি, ওনাকে বাড়ি থেকে বের না হওয়ার মতো কোনো কথা বলিনি। হামলা-মামলার ঘটনাও সঠিক নয়।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ

আর/১১:১৪/২৭ ডিসেম্বর

লক্ষীপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে