Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ২ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (30 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-২৩-২০১৮

মানিকগঞ্জ-১ আসনে কাকে ভোট দেবেন বিএনপির সমর্থকরা

মানিকগঞ্জ-১ আসনে কাকে ভোট দেবেন বিএনপির সমর্থকরা

মানিকগঞ্জ, ২৩ ডিসেম্বর- মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই মনোনয়নপ্রত্যাশী এসএ জিন্নাহ কবীর ও খোন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলুর কোন্দল গিয়ে ঠেকেছে উচ্চ আদালত পর্যন্ত।

শেষ পর্যন্ত এই আসনে কে বিএনপি থেকে নির্বাচন করবেন তা বলা যাচ্ছে না।

এমন পরিস্থিতিতে দলটির সমর্থকরা জানেন না, তারা কাকে ভোট দেবেন।

নির্বাচনের বাকি আর কয়েক দিন। এ সময় তারা কার পক্ষে কাজ করবেন তা নিয়েও দ্বিধায় আছেন।

শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ–১ আসন।

এই আসনের মোট ভোটার তিন লাখ ৮৪ হাজার ৫৮৭ জন। তাদের মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ৯২ হাজার ৪৯৬ এবং পুরুষ এক লাখ ৯২ হাজার ৯১ জন।

১৯৯১ সাল থেকে টানা তিনটি সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জয়লাভ করেন বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন।

তবে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনোয়ারুল হকের কাছে তিনি হেরে যান। আর সর্বশেষ দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপিবিহীন নির্বাচনে দুর্জয় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আফজাল হোসেন খানকে পরাজিত করেন।

ভোটাররা বলছেন, এ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হলেও গত ১০ বছরে আওয়ামী লীগের সাংসদদের নানা ‘বিতর্কিত কর্মকাণ্ড’ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর টানা হামলা–মামলার কারণে জনসমর্থন পুরোটাই বিএনপির দিকে।

কিন্তু দলীয় প্রার্থীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এই সমর্থন হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

৯ ডিসেম্বর সকালে একই সঙ্গে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এসএ জিন্নাহ কবীর এবং জেলা বিএনপির সহসভাপতি খোন্দকার আবদুল হামিদকে মনোনয়নের চিঠি দেয় কেন্দ্র।

সে অনুসারে তারা দুজনই জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

পরের দিন জিন্নাহ কবীরকে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের জন্য জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর চিঠি দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ওই দিনই রিটার্নিং কর্মকর্তা জিন্নাহ কবীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিলে তিনি প্রচারের কাজ শুরু করেন। প্রচারকাজ চালানোর সময় ১৫ ডিসেম্বর দৌলতপুর উপজেলা সদরে জিন্নাহর গাড়িবহর হামলার শিকার হয়।

এ অবস্থায় প্রচারকাজ চলার মধ্যেই আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী খোন্দকার আবদুল হামিদ ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রার্থিতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন।

২০ ডিসেম্বর আদালত জিন্নাহ কবীরের প্রার্থিতা স্থগিত করেন এবং আবদুল হামিদকে ধানের শীষ প্রতীক ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।

এর পর থেকেই এই আসনে কার্যত বিএনপির নির্বাচনী কোনো কার্যক্রমই চোখে পড়েনি।

ফলে দলের কর্মী–সমর্থকরাও পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।

এ বিষয়ে জিন্নাহ কবির বলেন, তিনি আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আজ রোববার আপিল করবেন। আপিল নিষ্পত্তি হলে তিনি আবার মাঠে নামবেন।

আবদুল হামিদ বলেন, দল ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। আদালতের রায়ে তিনি সুবিচার পেয়েছেন। এখন তিনি প্রতীক বরাদ্দের অপেক্ষায় আছেন।

মানিকগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস বলছেন, তিনি এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কিংবা উচ্চ আদালত থেকে জিন্নাহ কবীরের প্রার্থিতা বাতিলের কোনো লিখিত নির্দেশনা কিংবা আদেশ পাননি।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না, শেষ পর্যন্ত এই আসনে কে বিএনপি থেকে নির্বাচন করবেন, কিংবা আদৌ কেউ পারবেন কিনা।

সূত্র: যুগান্তর

আর/১২:১৪/২৩ ডিসেম্বর

মানিকগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে