Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৯ মে, ২০১৯ , ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (25 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১২-১২-২০১৮

শেরপুর-১ : প্রবীণ আতিউরের সঙ্গে নবীন ডা. প্রিয়াংকার লড়াই

শেরপুর-১ : প্রবীণ আতিউরের সঙ্গে নবীন ডা. প্রিয়াংকার লড়াই

শেরপুর, ১২ ডিসেম্বর- একাদশ নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন শেরপুর-১ আসন থেকে ভোট করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের চারবারের এমপি মো. আতিউর রহমান আতিক।

নবীন-প্রবীণের এ লড়াই ভালোই জমে উঠেছে শেরপুরে। পাড়া-মহল্লা থেকে অলিগলি সব জায়গাই একটিই আলোচনা-কে হচ্ছেন এ আসনের এমপি।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ আতিউরকে নিয়ে একাট্টা। আর বিএনপি ২২ বছর পর এ আসনে নিজ দলের প্রার্থী পেয়ে বেশ আনন্দিত। সব বিভেদ ভুলে মাঠে নেমেছেন প্রিয়াংকাকে বিজয়ী করতে।

আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক এ আসনের টানা চারবারের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

রাজনীতিতে নবীন প্রিয়াংকা চারবারের এমপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা উপভোগ করছেন। এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এ আসনে ধানের শীষের জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। তবে এখানে আওয়ামী লীগের একজন হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন। একজন সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে হুইপ আতিউর রহমানের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। এ জন্য নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।

জয়েব ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী প্রিয়াংকা। তিনি বলেন, রাজনীতিতে হারজিত থাকবেই। তবে নির্বাচন যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ধানের শীষের জয় হবেই।

ডা. সানসিলা শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. হযরত আলীর মেয়ে।

এ আসনে বিএনপির মূল প্রার্থী ছিলেন হযরত আলী। তিনিসহ বিএনপির তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় সানসিলার।

সানসিলা স্থানীয়দের কাছে ডা. প্রিয়াংকা নামে পরিচিত। রাজনীতিতে আনকোরা প্রিয়াংকা চিকিৎসক হিসেবে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। তিনি ধানমণ্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রভাষক।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া ডা. সানসিলার তথ্যানুযায়ী-তার জন্ম ১৯৯৩ সালের ২২ জুন। তিনি ২০০৮ সালে এসএসসি পাস করেন। এইচএসসি পাস করেন ২০১০ সালে। আর এমবিবিএস পাস করেন ২০১৬ সালে।

এই আসনে দীর্ঘ ২২ বছর পর দলীয় প্রার্থী পেলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি থেকে মো. নজরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এর পর একই বছর ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নজরুল ইসলাম পুনরায় প্রার্থী হলেও নির্বাচিত হতে পারেননি।

এর পর থেকে এ আসনটি হাতছাড়া হয়ে যায়। ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে এ আসনে এমপি হন আওয়ামী লীগের আতিক। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর আতিককে সংসদের হুইপ করা হয়।

এবার ধানের শীষের প্রার্থী পেয়ে খুশি এই আসনের বিএনপির নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের দাবি-ডা. প্রিয়াংকা বিভিন্ন সময় তার নির্বাচনী এলাকায় চরাঞ্চলের দুস্থ মানুষকে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সেবা দিয়েছেন।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৮:১৪/১২ ডিসেম্বর

শেরপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে