Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯ , ২ আষাঢ় ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (35 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১১-১৮-২০১৮

বাগেরহাটে স্বামী-স্ত্রী দেবর-ভাবী মা-মেয়েসহ ৯৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

বাগেরহাটে স্বামী-স্ত্রী দেবর-ভাবী মা-মেয়েসহ ৯৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

বাগেরহাট, ১৮ নভেম্বর- বাগেরহাট যেন এখন ‘এমপি-হাট’। এ জেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে সবাই এমপি হবার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। স্বামী-স্ত্রী, দেবর-ভাবী, মা-মেয়েও দলীয় মনোনয়নপত্র কেনার দৌঁড়ে পিছিয়ে নেই। পরিবারের সবাই এমপি হতে চায়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে দলীয় প্রার্থী হতে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ অন্যান্য দল থেকে ৯৩ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৪০ জন, বিএনপির ৪২ জন, জাতীয় পার্টির ২ জন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের ৪ জন, সিপিবির ২ জন, নাগরিক ঐক্য ১ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

এর মধ্যে বাগেরহাট- ২ (চিতলমারী-ফকিরহাট-মোল্লাহাট) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে বাবা-ছেলে, দেবর-ভাবি, মা-মেয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া বাগেরহাট -৪ (শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন স্বামী ও স্ত্রী।

বাগেরহাট জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের মোট ভোটার রয়েছেন ১১ লাখ ১২ হাজার ৩৫২ জন। তিনটি পৌরসভা ও ৭৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই জেলায় ৪টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিপুল সংখক নেতা-কর্মীদের দলীয় মনোনয়নপত্র নিয়ে দল দুটির অভ্যন্তরিন কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে।

বড় এই দল দুটির নেতাদের পাশাপশি কর্মী-সমর্থকরাও বিভাক্ত হয়ে পড়েছেন। এসব প্রার্থীদের মধ্যে জননন্দিত নেতাদের পাশাপাশি দেশবরেন্য তরুণ নেতারাও প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে এমন অনেকেই দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন এলাকায় তাদের জনপ্রিয়তা নেই বললেই চলে।

স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীরাও এমপি হতে দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন। আসনে দলীয় প্রার্থী আধিক্যে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন জনপ্রিয় নেতারা। এখন এ দুটি দল থেকে মনোনয়ন কেনা সব প্রার্থীরা চূড়ান্তভাবে দলের মনোনয়ন পেতে লবিং করতে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

চুড়ান্ত মনোনয়ন পেতে ছুটছেন দলের কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতাদের বাড়িতে-বাড়িতে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচিত হতে বাগেরহাটের বিপুল নেতাকর্মী ও সর্মকদের মনোনয়নপত্র কেনা নিয়ে জেলাজুড়ে চলছে সরেস আলোচনা।

বাগেরহাট -১ (চিতলমারী-ফকিরহাট-মোল্লাহাট) আসন : চিতলমারী, ফকিরহাট, মোল্লাহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিভিন্ন দল থেকে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনেছেন। আওয়ামী লীগ থেকে একটি মাত্র মনোনয়নপত্রটি কিনেছেন বর্তমান এমপি বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ হেলাল উদ্দীন।

অন্যদিকে বিএনপির পক্ষে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ১০ নেতা। তারা হলেন সাবেক এমপি শেখ মুজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও প্রধান প্রকৌশলী (নৌ) মাসুদ রানা, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, কেন্দ্রীয় জাসাস নেতা মঞ্জুর মোর্শেদ স্বপন, চিতলমারী উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা দলের সভানেত্রী রুনা গাজী, ফকিরহাট উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, মোল্লাহাট উপজেলা বিএনপি সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান, ফকিরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান বিএনপি সভাপতি নেতা শরিফুল কামাল কারিম, চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব ঠান্ডা ও বিএনপি নেতা ব্যারিষ্টার ফিরোজ হাসান। এ আসন থেকে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করছেন আল জুবায়ের এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. লিয়াকত আলী।

বাগেরহাট -২ (বাগেরহাট সদর– ও কচুয়া) আসন : বাগেরহাট সদর আসনে বিভিন্ন দল থেকে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন ১২ জন ও বিএনপির ৭ জন।

আওয়ামী লীগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাতিজা ও এমপি শেখ হেলাল উদ্দিনের একমাত্র ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময়, বর্তমান এমপি মীর শওকাত আলী বাদশা, এমপি বাদশার ভাবি ও সাবেক এমপি মীর সাখাওয়াত আলী দারুর স্ত্রী ফরিদা আক্তার বানু লুসি ও তার মেয়ে মীর জেনিয়া সাখাওয়াত, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নকীব নজিবুল হক নজু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আকতারুজ্জামান বাচ্চু, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়াম্যান শেখ বশিরুল ইসলাম, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিকদার আবুবকর সিদ্দিক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসিবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মাহাবুবুর রহমান মিঠু ও ব্যাবসায়ী তরুন কান্তি মণ্ডল।

এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সহ-সভাপতি ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের দূর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত খান মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার জাকির হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সরদার লিয়াকত আলী, জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক সুজাউদ্দিন মোল্লা সুজন ও ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাবুল হোসেন।

এছাড়া ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন থেকে জেলা সহ-সভাপতি মাস্টার ইদ্রিস আলী মৃধা ও সিপিবি থেকে জেলা কমিটির সদস্য খান এসকেন্দার আলী দলীয় মনোনয়ন পত্র কিনেছেন।

বাগেরহাট -৩ (রামপাল ও মোংলা) আসন : আসনে বিভিন্ন দল থেকে ২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১০ জন ও বিএনপির ১২ জন দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

আওয়ামী লীগ থেকে খুলনা সিটি করপোরোশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের স্ত্রী বর্তমান এমপি হাবিবুন নাহার তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ওবায়দুর রহমান ওবায়েদ, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক শেখ মো. আবু হানিফ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য শেখ ইকবাল লতিফ সোহেল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ নবীরুজ্জামান বাবু, মোংলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ইজারদার ইদ্রিস আলী, চিত্রনায়ক শাকিল খান, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী ও প্রায়াত কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহিদুল্লাহর বোন শরিফুন হাসান বীথি, মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস ও মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার ইব্রাহিম হোসেন। অপরদিকে এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনেছেন সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক কৃষিবীদ মো. শামিমুর রহমান শামিম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা বাবু, মোংলা পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলী, রামপাল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ওজিয়ার রহমান, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা শেখ আ. হালিম খোকন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মো মঈন উদ্দিন, রামপাল উপজেলা বিএনপি সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, কেন্দ্রীয় মহিলাদল নেত্রী আয়শা সিদ্দিকা মানি, রামপাল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মিজানুর রহমান মজনু, মোংলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার আ. মান্নান ও সাবেক ইউপি হাওলাদার গোলাম সরোয়ার।

নাগরিক ঐকের কেন্দ্রীয় নেতা দিদারুল আলম বাবুল, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মাওলানা মো. শাহাজালাল সিরাজী ও বাগেরহাট জেলা জামায়াতের সম্পাদক শেখ আবদুল ওয়াদুদ স্বতন্ত্র হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

বাগেরহাট -৪ (শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ) আসন : এই আসনে বিভিন্ন দল থেকে ৩৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৭ জন ও বিএনপির ১৩ জন দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

আওয়ামী লীগ থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান এমপি ডা. মোজ্জাম্মেল হোসেন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য আমিরুল আলম মিলন, শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আকন, শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বাবুল, মোরেলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এমদাদুল হক, মোরেলগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান প্রবীর রঞ্জন হালদার, মোরেলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ-ই-আলম বাচ্চু, মোরেলগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী খান, আওয়ামী যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী আসমা আক্তার বীথি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য এমআর জামিল হোসাইন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সদস্য মিজানুর রহমান জনি, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবদুর রহিম খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি লায়ন শামসুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সৈনিকলীগের সদস্য শেখ আবদুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের দুই সমর্থক মো. হারুন আর রশিদ ও এইচ এম রানা।

এই আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র কিনেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাথ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও তার স্ত্রী শাহরুন জামান নিপা, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী ফারজানা তালুকদার নিপা, কেন্দ্রীয় শ্রমিকদল নেতা খায়রুল ইসলাম খালিদ, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ড. কাজী মনিরুজ্জামান, মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল, মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল মজিদ জব্বার, শরিফ মোস্তাফা জামাল লিটু, মনিরুল হক ফরাজী, ডা. এস এম মারুফ বিল্লাহ, মিজানুর রহমান শিকদার, মো. মারুফ হোসেন।

এছাড়া জাতীয় পার্টির মোরেলগঞ্জ উপজেলা সভাপতি সোমনাথ দে, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মাওলানা আবদুল মজিদ, সিপিবি থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপকি শরিফুজ্জামান শরিফ এবং জামায়াত থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রশিবির নেতা ও বাগেরহাট কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল আলিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর
আরএস/ ১৮ নভেম্বর

বাগেরহাট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে