Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯ , ১ শ্রাবণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.3/5 (39 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-১৯-২০১৩

'আমাকে খুন করার পরিকল্পনা করছে আনন্দবাজার পত্রিকা'

সুব্রত আচার্য্য



	'আমাকে খুন করার পরিকল্পনা করছে আনন্দবাজার পত্রিকা'

কলকাতা, ১৯ জুন- আবার বিস্ফোরক মমতা ব্যানার্জি। এবার তাঁর তীর ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী বাংলা দৈনিক পত্রিকা আনন্দ বাজার গ্রুপের দিকে। নিষিদ্ধ ঘোষিত মাওবাদী ও এপিবি (আনন্দ বাজার পত্রিকা) নাকি মমতা ব্যানার্জিকে খুন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এর আগে কলকাতার বিভিন্ন মিডিয়া টাকার বিনিময়ে খবর করে, 'করপোরেট মিডিয়া ম্যানেজ করা' ইত্যাদি ইস্যূতে ক্ষমতায় বসার পর অভিযোগ তুলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলেন। এবার মমতার সরাসরি তাঁকে খুন করার পরিকল্পনা সঙ্গে যুক্ত করলেন আনন্দ বাজার পত্রিকাকে। এই অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে ব্যাপক আলোচনারও শুরু হয়েছে।
 
গতকাল বুধবার বিকালে কলকাতার থেকে আনুমানিক ৭০ কিলোমিটার দূরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁর মহকুমার গাইঘাটার চাঁদপাড়ায় স্থানীয় ক্লাবের মাঠে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিজের মুখে বিস্ফোরক এই অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
 
আনন্দ বাজার পত্রিকাগোষ্ঠীর নাম ধরে মমতার অভিযোগ, আমাকে মাওবাদী এবং এবিপি মিলে দু' দিন আগেই বারাসতের কামদুনিকে খুন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিলো। এই অভিযোগের পক্ষে আমার কাছে তথ্য-প্রমানও আছে।
 
আগামী ২ জুলাই রাজ্যের ৯ জেলার সঙ্গে কলকাতা লাগোয়া উত্তর চব্বিশ পরগনায় জেলায় প্রথম দফার পঞ্চায়েত ভোট। বুধবার গাইঘাটা ব্লকস্তরের প্রার্থীদের হয়েই প্রচার শুরু করেন মমতা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারের চেয়ে সেখানে কার্যত কয়েকটি মিডিয়ার সমালোচনায় ব্যবস্থা ছিলেন তিনি।
 
সম্প্রতি বারাসতের কামদুনি গ্রামের এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ওই ঘটনার দশ দিন পর সেখানে গিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। কিন্তু গ্রামবাসী মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে কার্যত তরিঘড়ি করে কলকাতায় ফেরেন মমতা। ওই দিনের পর থেকে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা মমতার কড়া সমালোচনা শুরু করে।
 
কামদুনির সেই ইস্যূকে সামনে এনেই এই নির্বাচনী সভায় মমতা বলেন, বারাসতের কামদুনির কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু অত্যন্ত দু:খজনক ঘটনা। সেই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। মাওবাদীরা সেখানে ঢুকে পড়েছে। আমাকে খুন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিলো। আমি সেখানে গিয়েছিলাম।
 
এক পর্যায়ে মমতা ব্যানার্জি আনন্দ বাজার পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিকের নাম করে বলেন, ওই সাংবাদিক বিক্ষোভকারিদের সংঘটিত করেছিলেন। পুলিশের গাড়ি ধরে বিক্ষোভ দেখাতে বলেছিলেন।
 
মমতা ব্যানার্জি আনন্দ বাজার পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিক অরুণাক্ষ ভট্টাচার্যের নাম করে বলেন, ওই রিপোর্টার সিপিএমের স্থানীয় নেতাদের ওই বিক্ষোভ অরগানাইজ করার পরামর্শ দেন।
 
এর আগে তিনি তাঁকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আপনি চাকরি করছেন। আইন কিন্তু আপনাকে ছাড়বে না। কোনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হবেন না- এই কথা বলেও ওই সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত ওই সংবাদিককে সর্তক করে দেন।  
 
মমতা আনন্দ বাজার পত্রিকার উদ্দেশ্যে বলেন, দেখুন আমি প্রতিদিনই মরতে রাজি আছি। তবে সেটি জনগণের কাছে। আপনাদের (আনন্দবাজার) কাছে নয়। মমতা আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে আরো দুটি টেলিভিশন চ্যানেলে এবিপি আনন্দ এবং চব্বিশ ঘন্টারও কড়া সমালোচনা করেন।

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে