Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯ , ৬ ভাদ্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (60 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১০-২৪-২০১৮

মানিকগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ আ.লীগে, বিভক্ত বিএনপিও জয়ের জন্য লড়বে

মতিউর রহমান


মানিকগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ আ.লীগে, বিভক্ত বিএনপিও জয়ের জন্য লড়বে

মানিকগঞ্জ, ২৪ অক্টোবর- আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সরব হয়ে উঠছে রাজধানী ঢাকার অন্যতম কাছের জেলা মানিকগঞ্জের নির্বাচনি মাঠ। পদ্মা-যমুনা ও কালিগঙ্গা নদী বেষ্টিত শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলা নিয়ে মানিকগঞ্জ-১ নির্বাচনি আসনটি গঠিত। একসময়কার বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে গত দুইবারের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের কারণে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছুটা ফুরফুরে মেজাজে আছে ক্ষমতাসীনরা। তবে মনোনয়ন নিয়ে রয়েছে প্রকাশ্য বিরোধ। এদিকে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল থাকলেও আসনটি আবারও উদ্ধার করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা।

এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির পরিচালক এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়। আগামী নির্বাচনেও আবারও মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। এদিকে মনোনয়ন চাচ্ছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ (এসএম জাহিদ)। এই আসনে আওয়ামী লীগের আরও একজন শক্তিশালী প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার এবিএম আনোয়ারুল হক। এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, দলের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা পিপি আব্দুস সালামও জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া দলের কাছে মনোনয়ন পেতে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুভাষ সরকার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিষোদগারসহ সমালোচনায় ব্যস্ত। অনেক প্রার্থী ও সমর্থকরা ফেসবুক প্রোপাগান্ডায় তৎপর। তবে ক্ষমতাসীন দলের ভেতর অভ্যন্তরীণ বিরোধের মাত্রা বেশি। যার ফলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যিনিই হবেন, তার জন্য বড় ধরনের যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়াবে নিজ ঘরের শত্রু সামলানো।  

এদিকে আবার বিএনপির এক সময়ের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি টানা দুই বার তাদের বাইরে থাকায় সেটি পুনরুদ্ধার করতে চাইছেন দলটির তৃণমূলের নেতারা। এজন্য তারা একজন হেভিওয়েট ও জনপ্রিয় প্রার্থী চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মীদের একটা বড় অংশের পছন্দের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক এসএ কবীর জিন্নাহ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে- ১ম থেকে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের আসন ছিল ৪টি। ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আসন পুনর্বিন্যাস করায় মানিকগঞ্জের আসন সংখ্যা ৪টি থেকে কমে ৩টি হয়। ফলে মানিকগঞ্জ-১ আসনে ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলার সঙ্গে শিবালয় উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনটি ছিল ঢাকা-১ আসন। ১৯৮৪ সালে মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত হলে আসনটি মানিকগঞ্জ-১ আসন হয়, যা জাতীয় সংসদের ১৬৮ নম্বর আসন।

১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হন বর্তমান সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের বাবা এ এম সায়েদুর রহমান। ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ ও ১৯৮৮ সালে ৪র্থ সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির নেতা মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান।

১৯৯১ সালে পঞ্চম, ১৯৯৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ষষ্ঠ ও ১৯৯৬ সালের জুন মাসে সপ্তম ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন। অর্থাৎ এই আসনে তিনি মোট পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় এবং ১৯৯৬ সালে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে ৯ম সংসদ নির্বাচনে তাকে পরাজিত করে এই আসনে সংসদ সদস্য হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এবিএম আনোয়ারুল হক। পরে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হন।

২০১৪ সালের ১০ম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়কে। তিনি জাসদ প্রার্থী আফজাল হোসেন খান জকিকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এই আসনে মোট ২২টি ইউনিয়ন রয়েছে। বর্তমান মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৪ জন। ৭৫৫ ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটারে মধ্যে নারী ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭০৪ জন। এখানে পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটার ২৪২ জন বেশি।

আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাচ্ছেন যারা:
বর্তমান সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এবারও এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবার পাশাপাশি তার সময়ে তার নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়নমূলক যে সব কাজ হয়েছে তা তুলে ধরছেন এবং আগামী নির্বাচনে নৌকার জন্য ভোট চাইছেন। আগামী নির্বাচনে তিনিই মনোনয়ন পাবেন এমনই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। এছাড়া অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। যে কেউ মনোনয়ন চাইতে পারেন। যারা এলাকার  উন্নয়ন করছে, দল তাকে মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দেবে।

এখন পর্যন্ত বর্তমান এমপি নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনি মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম জাহিদ। দুজনকেই প্রায় প্রতিদিন এলাকায় জনসংযোগে ব্যস্ত থাকতে দেখা যাচ্ছে।

এমপি দুর্জয় যেভাবে জনগণের মধ্যে সরকারি ও ব্যক্তিগত অনুদান দিচ্ছেন; তেমনি ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়তে ভূমিকা রাখছেন এস এম জাহিদ। তাই তৃনমূল অনেক নেতারা মনে করছেন, যদি নাঈমুর রহমান দুর্জয় কোনও কারণে মনোনয়ন না পান তাহলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে এস এম জাহিদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তিনি শেখ হাসিনার আস্থাভাজন বলেও কর্মীদের মধ্যে প্রচারণা রয়েছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিএনপি আমলে তিনি ছিলেন ঢাকা মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। মনোনয়ন পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, দলের ক্রান্তিলগ্নে এবং এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে যেভাবে মানুষের পাশে থাকছেন তাতে তিনি আশাবাদী দল তাকে নিরাশ করবে না।

এই আসনের আরেকজন শক্তিশালী মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য,সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এবিএম আনোয়ারুল হকও এবার মনোনয়ন চাইছেন। সংসদ সদস্য থাকার সময় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করায় তার ভালো পরিচিতি রয়েছে। এলাকায় তিনি ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবেও পরিচিত। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে দল একজন ক্লিন ইমেজের ও সৎ প্রার্থী খুঁজছে।

এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম একজন পরীক্ষিত নেতা। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসা এই নেতা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে। সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় এবং আইনজীবী হিসাবে (পিপি) এলাকায় তার ব্যপক পরিচিতি আছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে এই আসনে তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।   

এদিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার সুভাষ সরকার এই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী। আগামী নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হবেন সৎ ও ক্লিন ইমেজের একজন- একথা দাবি করে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি,সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছি।’ তিনি সম্প্রতি শিবালয়ে যমুনা নদীর চরাঞ্চলের কয়েকজন ডাকাতকে তার মধ্যস্থতায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করিয়ে আলোচনা উঠে আসেন।

বিভক্ত বিএনপির টার্গেট আসন পুনরুদ্ধার:
এক সময়কার বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত এই আসনটিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি খুব একটা ভালো নয়। জেলার নেতৃত্বে কোন্দলের মাত্রা এতোটাই প্রকোপ যে এক গ্রুপের নেতা কর্মীদের সঙ্গে অন্য গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে। সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে কোনও কর্মসূচি পালন করেননি নেতা-কর্মীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সাল থেকে চলা বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ২০ বছরেও সমাধান হয়নি।

বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব এই আসনের পাঁচ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের সঙ্গে সাবেক মন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা প্রয়াত হারুনার রশিদ খান মুন্নুর পরিবার ও তার অনুগতদের দ্বন্দ্ব বিরাজমান। বর্তমান জেলার সভাপতি হিসেবে আছেন হারুনার রশিদ খানের মেয়ে আফরোজা খান রিতা। আর খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের দুই পুত্রের একজন দলের সহসভাপতি আরেকজন কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। কমিটি গঠনের পর থেকে দুই পরিবার ও তাদের অনুসারীদের অব্যাহত দ্বন্দ্ব আরও চরম আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই আসনে মনোনয়ন লবিংয়ে এগিয়ে আছেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এসএ কবীর জিন্নাহ। তিনি ঝিমিয়ে পরা দলকে চাঙ্গা করতে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও দলের সাবেক চিফ হুইপ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে জেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. খোন্দকার আকবর হোসেন ও মেজ ছেলে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলু এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক তোজা দলের কাছে মনোনয়ন চাইবেন।

এসএ কবীর জিন্নাহ বিএনপির সৃষ্টির সময় থেকে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। মানিকগঞ্জে ছাত্রদল গঠনে তার ভূমিকা ছিল। গত তিন বছর ধরেই তিনি পরিকল্পিতভাবে এলাকায় জনসংযোগ করে আসছেন।  জেলা বিএনপির সভাপতির পছন্দের তালিকায়ও তিনি আছেন বলে জানিয়েছেন নিজে। তবে তার অভিযোগ, তার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে সরকার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিচ্ছে।

আরেকজন প্রার্থী জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক তোজা ২০০৮ সালে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। সেসময় ব্যক্তি ইমেজে প্রায় ২৬ হাজার ভোট পান তিনি। পরবর্তীতে দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

তবে মনোনয়নের ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা বলেছেন, ‘আমাদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেকোনও মূল্যে মানিকগঞ্জের তিনটি আসন পুনরুদ্ধার করা। সে লক্ষ্যে দলকে আরও বেশি সুসংগঠিত করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’

এদিকে জাসদের পক্ষে মনোনয়ন চাইবেন জেলা সাধারণ সম্পাদক ঘিওর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন খান জকি। বিগত নির্বাচনে এই আসনে জাসদের প্রার্থী ছিলেন তিনি। আগামী নির্বাচনেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তিনি। তবে ভোটের রাজনীতিতে তার অবস্থান নেই বললেই চলে। এছাড়া এই আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চাইতে পারেন  সাবেক এমপি প্রিন্সিপাল আব্দুর রউফ খান।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আর/০৮:১৪/২৪ অক্টোবর

মানিকগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে