Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯ , ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (50 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১০-২১-২০১৮

মন্ত্রীর আশ্বাসেও চালু হয়নি হিলি রেল স্টেশন, বিপাকে যাত্রীরা

সোহেল রানা


মন্ত্রীর আশ্বাসেও চালু হয়নি হিলি রেল স্টেশন, বিপাকে যাত্রীরা

দিনাজপুর, ২১ অক্টোবর- ১৮৬৮ সালে বিট্রিশ আমলে নির্মিত হয়েছিলো দিনাজপুরের হিলি রেল স্টেশন। কিন্তু শতাব্দী প্রাচীন এই স্টেশনটি চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লোকবল সংকট দেখিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে বন্ধ হওয়ার পর রেলমন্ত্রী সংসদে আশ্বাস দিয়েছিলেন দ্রুতই স্টেশনটি চালু করা হবে। কিন্তু তাও হয়নি। মানববন্ধন ও কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করেও ফের স্টেশনটি চালু করার বিষয়ে এখনও কোনো সাড়া মিলছে না। বর্তমানে একজন পয়েন্ট ম্যান দিয়ে কোনোরকমে চলছে স্টেশনের কার্যক্রম।

বর্তমানে জয়পুরহাট-দিনাজপুরগামী সব ট্রেন চলাচলের একমাত্র রুট এটি। প্রতিদিন গড়ে ৭টি ট্রেন চলাচল করে হিলি রেল স্টেশন দিয়ে। এখন এখানে নেই কোনো টিকেট কাটার ব্যবস্থা। দুই একটি ট্রেন যাত্রাবিরতি করলেও টিকেট কিনতে হয় জয়পুরহাট কিংবা বিরামপুর স্টেশন থেকে। সর্বশেষ কতর্ব্যরত মাস্টারকে সরিয়ে নেওয়ায় চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে স্থানীয়দের। ট্রেনও চলছে দুই নম্বর লাইন দিয়ে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘বি’ শ্রেণির এই স্টেশনে ৩ জন মাস্টার, ৫ জন পয়েন্টম্যান, ৩ জন বুকিং সহকারী, ২ জন পোর্টার থাকার কথা থাকলেও মাত্র একজন পয়েন্টম্যান দিয়ে চলছে স্টেশনটি। এ কারণে সব আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ রয়েছে এখানে।

এসব বিষয় জানিয়ে জাতীয় সংসদে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক প্রশ্ন রেখেছিলেন রেলমন্ত্রীর কাছে। সম্পূরক সেই প্রশ্নের উত্তরে রেলমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আমাদের আমলে কোনো রেল স্টেশন আমরা বন্ধ করিনি। হাকিমপুর হিলি রেল স্টেশনটিও আমরা বন্ধ করিনি, ডিও লেটার পেলেই আধুনিকায়নসহ সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি দ্রুত কার্যকর করা হবে।’ কিন্তু সেই আশ্বাসের পরেও আজও চালু হয়নি হিলি স্টেশনটি। আর এতে করে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী, পাসপোর্টধারী যাত্রী ও কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রীদের।

হিলি রেল স্টেশনের দায়িত্বরত পয়েন্টম্যান মীর আলম জানান, যখন স্টেশনটি চালু ছিলো প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি হতো। আর এটাই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিলি স্থলবন্দরের একমাত্র স্টেশন।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহিনুর রেজা শাহিন বলেন, ‘আমরা প্রতিবছর হিলি স্থলবন্দর থেকে কয়েক কোটি টাকা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে থাকি। বিভিন্ন জায়গার ব্যবসায়ীরা যদি বন্দরে না আসতে পারে তাহলে আমাদের ব্যবসা কেমনে চলবে? আমি সরকাররের কাছে অনুরোধ করবো অতি দ্রুত আমাদের হিলি রেল স্টেশনটি চালু করে।’

হাকিমপুর (হিলি) পৌর মেয়র জামিল হোসেন বলেন, ‘এখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন ব্যবসা করতে আসে। ব্যবসায়ীদের জন্য রেলপথ একটি ভালো যোগাযোগমাধ্যম। যদি এটা চালু করা হয় তবে আমাদের এলাকাবাসীর জন্য ভালো এবং ব্যবসায়ীদের জন্য ভালো হবে। আমি এ ব্যাপারে রেলমন্ত্রী বরাবর একটি ডিও লেটার পাঠিয়েছি। আশা করছি অতি দ্রুত স্টেশনটি চালু হবে।’

সূত্র: সারাবাংলা

আর/০৮:১৪/১৪ অক্টোবর

দিনাজপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে