Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (61 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ১০-১৬-২০১৮

খেলা শুরু হওয়ার আগেই বিসর্জনের বাজনা কেন?

আবদুল গাফফার চৌধুরী


খেলা শুরু হওয়ার আগেই বিসর্জনের বাজনা কেন?

‘গরিবের কথা বাসি হলে খাটে।’ অতীতে বহুবার খেটেছে। তবু গরিব কখনো তার স্বীকৃতি পায়নি, পায় না। মাত্র কিছুদিন আগেই লিখেছিলাম, বিএনপি কেন আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব মেনে নেবে এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হওয়া সত্ত্বেও ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে বর্জন করবে? দুই দিন না যেতেই কথাটা যে এমনভাবে ফলে যাবে তা আমি নিজেও ভাবিনি। অবশ্য আওয়ামী লীগ থেকেও বলা হয়েছিল ‘এই জগাখিচুড়ির ঐক্য বেশি দিন টিকবে না।’

এই ঐক্যের যাই হোক, এই ঐক্য থেকে বিকল্পধারার ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে বাদ দেওয়ার জন্য যে কানামাছির খেলা দেখানো হলো তা ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর জন্য অপমানজনক। তাঁকে অবশ্য রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরানোর জন্য বিএনপি একবার তাঁর সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করেছিল। এবার তাঁকে ‘জাতীয় ঐক্য’ থেকে বাদ দেওয়ার জন্য অপমানজনক আচরণ করলেন ড. কামাল হোসেনের মতো ‘সুশীল’সমাজের একজন সম্মানিত নেতা।

অবশ্য বৃদ্ধ বয়সে তাঁর ভদ্রতাজ্ঞান ও মানসিক ভারসাম্য সম্পর্কে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, যখন তিনি দেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে আদালত প্রাঙ্গণে বাস্টার্ড বলে গালি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সাম্প্রতিক সতীর্থ এবং তাঁদের ঐক্যপ্রক্রিয়ার ২ নম্বর শীর্ষ নেতা ডা. বদরুদ্দোজাকে নিজের বাড়িতে দাওয়াত করে এনে নিজে অনুপস্থিত থেকে বাড়ির দরজা তাঁর মুখের ওপর বন্ধ রেখে তাঁকে বাইরে বসিয়ে রাখতে পারেন—এটা অবিশ্বাস্য ঘটনা। এমন একটা ঘটনা ঘটেছিল সুদূর অতীতে মোগল আমলে। মোগল সেনাপতি মহারাজ মান সিংহকে নিজ বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়ে এনে চিতোরের রানা প্রতাপ বাড়িতে অনুপস্থিত ছিলেন। মান সিংহ খাবার না খেয়ে চলে গিয়েছিলেন। সেটা ছিল তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা। কামাল হোসেন কি সেই একইভাবে তাঁর বন্ধু এবং একজন প্রবীণ নেতাকে ইচ্ছাকৃতভাবে এই অপমানটা করলেন?

বিকল্পধারার নেতারা, এমনকি ডা. চৌধুরীর ছেলে মাহী বি চৌধুরীও তাই মনে করেন। তিনি বলেছেন, ‘বাসায় দাওয়াত দিয়ে গেট খোলার কেউ নেই। একজন সাবেক রাষ্ট্রপতিকে এভাবে ডেকে এনে এ রকম ব্যবহার কোনো শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না।’ এই অশিষ্ট আচরণের জন্য ড. কামাল হোসেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং বিকল্পধারার সভাপতির কাছে কোনো প্রকার দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও আমার জানা নেই। অথচ এই কামাল হোসেন আওয়ামী লীগ ছেড়ে গণফোরাম গঠন করার পর যখন একজন জনগণ প্রত্যাখ্যাত নিঃসঙ্গ নেতা, তখন আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ার উদ্দেশ্যে সভা-সম্মেলন ডেকে মাত্র দুজন নেতাকে সঙ্গে পেয়েছিলেন। একজন ডা. বদরুদ্দোজা, অন্যজন কাদের সিদ্দিকী। এবারের তথাকথিত ঐক্য প্রচেষ্টা থেকে কাদের সিদ্দিকী আগেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। ডা. বদরুদ্দোজা ছিলেন, তাঁকেও অশোভনভাবে ঐক্য প্রচেষ্টার মঞ্চ থেকে সরানো হলো। ডা. চৌধুরীকে বাদ দিয়ে যে জোট গঠনের ঘোষণা করা হলো তার নাম জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ড. কামালের জোটসঙ্গী এখন বিএনপি-জামায়াত। সঙ্গে দুই নন্দীভৃঙ্গি—রব ও মান্না।

দীর্ঘদিন ধরেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে একটা জোট তৈরির চেষ্টা করে আসছিলেন ড. কামাল ও ডা. চৌধুরী। এই কাজে তাঁরা এতই অভিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন যে তাঁরা আলাদা হবেন—এটা ভাবাই যায় না। ড. কামাল তো তারস্বরে বলে আসছিলেন, জামায়াতসংশ্লিষ্ট কোনো দলের সঙ্গে ঐক্য নয়, এমনকি জামায়াতবিহীন বিএনপির সঙ্গে ঐক্য হলেও দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি তাঁদের যৌথ কর্মসূচি ও দাবির অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া প্রথমে যে পাঁচ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে, তাতেও খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি ছিল না। এখন কামাল হোসেন বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে মিলে যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছেন, তার সাত দফা দাবিতে বেগম জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির কথা রয়েছে।

ড. কামাল হোসেনের হঠাৎ এই বড় ধরনের ইউ টার্ন কেন? তাঁর এই ইউ টার্নকে কেন্দ্র করেই কি তাদের মধ্যে ঐক্য ভেঙে গেল? অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য গড়ার বিরুদ্ধে ডা. চৌধুরীর এতটা বেঁকে বসার তো কথা ছিল না। তিনি তো বিএনপি-জামায়াত সরকারেরই নেতা ও মন্ত্রী ছিলেন। তাহলে এটা কি তাঁর বিগ চেঞ্জ অব হার্ট? তিনি অবশ্য এ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘মানুষ ভুল করতেই পারে। আমিও একবার করেছি। সে জন্য ক্ষমা চেয়েছি। এ নিয়ে আর কথা নয়।’

আমার কাছে তাঁর এই কথা আন্তরিক মনে হয়েছে। তাঁর স্বীকারোক্তি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছে। অন্যদিকে ড. কামালের জামায়াতবিরোধিতা আমার কাছে সব সময় কৃত্রিম ও চালাকি বলে অনুমিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী তাঁর অক্সফোর্ড-জীবন, রাজনৈতিক কথাবার্তা, পলায়নী মনোভাব দেখে আমার মতো অনেকেই মনে করেছেন, তিনি পশ্চিমা অভিজাত শ্রেণির গণতন্ত্রে বিশ্বাসী হতে পারেন; কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি ঘটনাচক্রে এবং বিরাট সুযোগ-সুবিধার লোভে আওয়ামী রাজনীতিতে জড়িয়ে গেছেন; কিন্তু আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে কখনো একাত্ম হতে পারেননি।

আওয়ামী লীগ ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল (গণফোরাম) গঠনের সময়ও দেখা গেছে তাঁর প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামি। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি ও ন্যাপের (মোজাফফর) বাছা বাছা নেতাদের দলে টেনে নিজের দলের একটা বাম গণতান্ত্রিক মুখোশ তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নুরুল ইসলাম নাহিদ থেকে পঙ্কজ ভট্টাচার্য পর্যন্ত সব বামদেরই তাঁর সম্পর্কে মোহমুক্তি ঘটে যায় শিগগিরই। ফলে দলকে পেছনে রেখে শুধু হাসিনা-বিদ্বেষকে মূলধন করে তিনি ঐক্য গড়েন কাদের সিদ্দিকী ও ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে। বদরুদ্দোজা চৌধুরী সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের অনুসারী, জিয়া-রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং বঙ্গবন্ধুর সেক্যুলার বাঙালি জাতীয়তাবাদে নয়, জিয়াউর রহমানের সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। এটা জেনেও তিনি তাঁর সঙ্গেই রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলেন। আজ তাঁর সরাসরি বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য গঠনের সূচনা তখনই। আমরা কেউ তা লক্ষ করিনি।

বর্তমান জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সূচনাতেই ড. কামাল ও ডা. বি চৌধুরীর মধ্যে মতানৈক্য শুরু। জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার পাঁচ দফা দাবি ঘোষণার সময়ই ডা. চৌধুরী ও তাঁর ছেলে মাহী চৌধুরীর বৈঠকে অনুপস্থিতি থেকেই সেটা আঁচ করা গিয়েছিল। বলা হয়েছিল তিনি অসুস্থ। ডা. চৌধুরী তখন থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে থাকলে তাদের সঙ্গে ঐক্য নয়। ড. কামাল মুখে বলেছেন, জামায়াতকে চাই না। কিন্তু জামায়াতবিরোধিতার কোনো দৃঢ় অবস্থান নেননি, সুবিধাবাদী অবস্থান নিয়েছেন।

তাঁকে অনুসরণ করেছেন আ স ম আবদুর রব ও মাহমুদুর রহমান মান্না। তাঁরা ছিলেন ডা. চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টে। এখন যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন না করেই ড. কামাল হোসেন ও বিএনপি-জামায়াতের দ্বারা গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে এসে জুটেছেন। মাহী চৌধুরীর ভাষায় এটা রব ও মান্নার পরকীয়া প্রেম। আমার ধারণা, এটা তাঁদের পরগাছা রাজনীতি।

রব-মান্না এরা এখন পরগাছা ছাড়া আর কি? একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম যুব নেতা রব আজ যে জোটে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীরা রয়েছে, সেই জোটে গিয়ে জুটেছেন তা কি সুস্থ মাথায় ভাবা যায়?

অনেকে বলছেন, নেতৃত্বের দ্বন্দ্বেই ড. কামাল হোসেন ও ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী এক জোটে এক হতে পারেননি। আমার ধারণা এটা সর্বাংশে সঠিক নয়। এটা তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ নয়, রাজনৈতিক মতানৈক্য। ড. কামাল আওয়ামী লীগে ছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন তার কোনো প্রমাণ নেই। এটা এখন প্রমাণিত, জামায়াতের প্রতি ঘৃণা তাঁর লোক-দেখানো খেলা ছিল। নইলে এত দিন যাদের তিনি ‘একাত্তরের পরাজিত শত্রু’ বলে নিন্দা করেছেন দেশের সেই শত্রুদের সঙ্গে এত সহজে হাত মেলাতে পারতেন না।

অন্যদিকে ডা. বি চৌধুরী ঘরপোড়া গরু। এই উপমাটির জন্য ডা. চৌধুরী আমাকে ক্ষমা করবেন। জামায়াত কিভাবে বিএনপিতে ঢুকে তারেক রহমানকে বশ করে দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রবীণ নেতাদের, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ছিলেন, একে একে দল থেকে তাড়িয়েছে এবং বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের সব নীতি ও আদর্শের বিরুদ্ধে ঠেলে নিয়ে গেছে এটা তিনি দেখেছেন। নিজেও তাদের হাতে অপমানিত হয়ে দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

নিজের অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই ডা. চৌধুরী বুঝতে পেরেছেন, যুক্তফ্রন্ট, জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া ইত্যাদি যত গালফুলো নামই তাঁরা নিজেদের জোটের জন্য রাখুন, শক্তি ও সমর্থনের ক্ষেত্রে বিএনপির কাছে তাঁরা কিছুই নয়। বড় জাহাজের সঙ্গে ছোট ডিঙি নৌকা দড়ি দিয়ে বাঁধলে যা হয়, বিএনপির সঙ্গে তাঁরা জোট বাঁধলে একই অবস্থা হবে। বড় দল বিএনপি শরিক দুই জোটকেই গ্রাস করবে। আসলে গ্রাস করবে জামায়াত। কারণ বিএনপি এখন জামায়াতের কবজায়। বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করতে গেলে জোটের নাম জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দেওয়া হলেও এটা হবে ‘নামের খসম আজিজ মিসির’। এই জোট বিএনপির বৃহত্তর জোট নামেই পরিচিত হবে। বিএনপি জোটের ২০ শরিকের মতো তাঁরাও হবেন আরেক শরিক।

এই জোট কার্যত লন্ডনে বসে পরিচালনা করবেন তারেক রহমান। তিনি জোটের সবচেয়ে বড় দলের নেতা। বড় দলটিই জোটকে পরিচালনা করবে। নেপথ্যে বড় ভূমিকা থাকবে তারেক রহমানের। ড. কামাল হোসেন এবং ডা. বদরুদ্দোজা হবেন তাঁদের হাতে শিখণ্ডী। প্রয়োজন ফুরোলে ডা. চৌধুরীকে দল ছাড়তে বাধ্য করতে তারেক রহমানের বাধেনি। এবার কাজ ফুরোলে তাঁকে এবং কামাল হোসেনকেও পোড়া লঙ্কা দেখাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবেন না। বি চৌধুরী যদি এই জোটে যেতেন এবং নির্বাচনে জোটের জয়ও হয় তাহলেও তাঁদের কোনো লাভ নেই। এই জয় হবে বিএনপির। বিএনপি বড় দল। তারা যাকে চাইবে, তিনিই প্রধানমন্ত্রী হবেন। তারেক রহমান দেশে ফিরে এই পদটিই চাইবেন। তাঁকে মামলা-মোকদ্দমার দণ্ড থেকে বাঁচিয়ে কোনো উপনির্বাচনে জয়ী করে এনে প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর ব্যবস্থা হয়তো আইন বিশেষজ্ঞ ও দেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ড. কামাল হোসেনই করে দেবেন।

এই বাস্তবতার উপলব্ধি থেকেই সম্ভবত ডা. চৌধুরী বিনা শর্তে ড. কামাল হোসেনের ঐক্যপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে চাননি এবং বিএনপি ও জামায়াত নেতারাও তাঁকে দলে টানলে তাঁদের আসল উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে না এটা বুঝতে পেরে ড. কামালের দ্বারাই কৌশলে তাঁকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে বাইরে রেখেছেন। ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী এক ভয়ংকর পরিণতি থেকে বেঁচে গেলেন। পাঠকদের সবিনয়ে বলি, একটু অপেক্ষা করুন, ড. কামাল হোসেন ও তাঁর দুই নন্দীভৃঙ্গির কপালে কী পরিণতি আছে, তা শিগগিরই দেখতে পাবেন। ইতিহাস কারো ঔদ্ধত্য, দম্ভ ও বিশ্বাসঘাতকতাকেই ক্ষমা করে না।

আর/০৮:১৪/১৬ অক্টোবর

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে