Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (45 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-১২-২০১৮

সুদের কিস্তি দিতে না পারায় ওয়ার্কশপ মালিকের আত্মহত্যা

সুদের কিস্তি দিতে না পারায় ওয়ার্কশপ মালিকের আত্মহত্যা

নওগাঁ, ১২ আগস্ট- নওগাঁয় দাদন ব্যবসায়ীদের চাপে সুলতান মাহমুদ (৪২) নামে এক ব্যবসায়ী গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার ভোররাতে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সুলতান মাহমুদ নওগাঁ শহরের আরজি-নওগাঁ মধ্যপাড়ার ইয়াকুব আলী মন্ডলের ছেলে।

পরিবার হতে জানা যায়, সুলতান মাহমুদের শহরের রুবির মোড়ে ‘সুলতান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ’ নামে কারখানা রয়েছে। ব্যবসার জন্য প্রতিবেশী মবেলের স্ত্রী মনেক্কার কাছ থেকে মাসে আড়াই হাজার টাকা সুদে ৫০ হাজার টাকা, শহরের দয়ালের মোড় ‘ভোরের আলো’ সমিতি থেকে ২ লাখ টাকা নেয়। এছাড়া আরও তিনটি সমিতি থেকে দিনে কিস্তি হিসেবে প্রায় ৩ লাখ টাকা সুদের উপর নেয়া হয়। দিন হিসেবে সুদের টাকায় প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হতো। বর্তমানে ব্যবসা তেমন ভালো না হওয়ায় বেচাকেনাও তেমন হচ্ছে না। এ কারণে দাদন ব্যবসায়ীরা দোকানে এসে বিভিন্নভাবে চাপ দিতো এবং অকথ্য ভাষায় কথা বলতো।

এসব বিষয় নিয়ে ক্ষোভের বসে সুলতান মাহমুদ বাড়ির পাশে নাটাপাড়া মোড়ে শনিবার রাত ৯টার দিকে গ্যাসের ট্যাবলেট খায়। ওই সময় বাজারে অবস্থিত ২/৩ জন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে সঙ্গে সঙ্গে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং তার বাড়িতে খবর দেয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে রাত ১টায় বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোররাতে তিনি মারা যান। ঘটনার পর থেকে দাদন ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দিয়েছে।

সুলতান মাহমুদের দোকানের ম্যানেজার সুরুজ আলী বলেন, দিনের কিস্তি হিসেবে তিনটি সমিতি থেকে দোকান মালিক সুদের উপর টাকা নিয়েছিলেন। ব্যবসায় মন্দা থাকায় কিস্তি দিতে পারছিলেন না। এ কারণে দোকানে কিস্তি নিতে আসা লোকজন বিভিন্নভাবে চাপ দিতো এবং কথা শোনাতো।

সুলতানের ভাই মিঠু মন্ডল বলেন, বড় ভাই সুদের উপর টাকা নিয়ে ব্যবসা করতো। এক সুদ ব্যবসায়ী টাকা পাবে বলেও বিভিন্ন কথা শুনিয়েছিলেন। একারণে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ওই সুদ ব্যবসায়ীকে দিয়ে দেয়।

নওগাঁ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ২৪
এনওবি/২১:১২/১২ আগস্ট

নওগা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে